গাজীপুর সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী হাসপাতাল এলাকায় চারদিকে লোহার গ্রিলে ঘেরা ছোট একটি ঘরে ৯ বছর কেটেছে দুটি চিতাবাঘের (লেপার্ড), যেখানে গাছে ওঠা, ছোটাছুটি বা শিকারের কোনো স্বাভাবিক পরিবেশ নেই। অথচ সেখানে কোয়ারেন্টিনের জন্য থাকার কথা ছিল মাত্র তিন সপ্তাহ। এবার তাদের জন্য ৬৭ লাখ টাকায় আলাদা বেষ্টনী তৈরি হচ্ছে।
পার্কের সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর যশোর সদরের চাঁচড়া এলাকায় একটি গাড়ি থেকে দুটি চিতাবাঘ ও দুটি সিংহশাবক উদ্ধার করে পুলিশ, বন্যপ্রাণী পাচারের অভিযোগে আটক হন দুজন। শাবকগুলোকে গাজীপুর সাফারি পার্কে এনে কোয়ারেন্টিন শেডে রাখা হয়। পরে সিংহশাবক দুটি পার্কে স্থানান্তর হলেও দেড় মাস বয়সে উদ্ধার হওয়া চিতাবাঘ দুটি সেখানেই থেকে যায়; এখন তাদের বয়স প্রায় ৯ বছর।
পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান রোববার জানান, ২০২৪ সালে চালু হওয়া পার্কের অত্যাবশ্যকীয় ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চিতাবাঘের আলাদা বেষ্টনী ধরা ছিল, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এর জন্য ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। বেষ্টনী হবে ১৫০ বর্গমিটারের; গাছে চড়ার জন্য প্রাকৃতিক গাছপালা, না হলে কৃত্রিম গাছ, সঙ্গে পানির ব্যবস্থা ও রাতের আশ্রয় থাকবে।
বেষ্টনী পার্কের কোথায় হবে, তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে; জায়গা ঠিক হলে জানা যাবে এটি দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে কি না। এ নিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর জাগো নিউজ দুই চিতাবাঘের এক দশকের বন্দিজীবন নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
প্রতিবেদনটি করেছেন জাগো নিউজের শিহাব খান।
ছবি: Jenis patel / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: জাগো নিউজ ২৪





মন্তব্য
(০)