সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস কিমি/ঘ

কুড়িগ্রামে আগস্টে ইউরিয়া বরাদ্দ ৫,৮৭৫ টন—গত বছরের প্রায় দ্বিগুণ; গুজবে বাড়তি সার না কিনতে কৃষি বিভাগের আহ্বান

রৌমারী ও ভূরুঙ্গামারীতে বিতরণের সময় বিশৃঙ্খলার চেষ্টার পর কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ জানাল: আগস্টে ইউরিয়া ৫,৮৭৫ টন (গত বছর ৩,২৫৩), ডিএপি ১,৫৭২, এমওপি ১,৬৪৮, টিএসপি ৯২৪ টন; সেপ্টেম্বরেও পূর্ণ বরাদ্দ, প্রতিটি পয়েন্টে ট্যাগ অফিসার; আমনে সার প্রয়োগ প্রায় শেষ, রবির বরাদ্দ অক্টোবর-নভেম্বরে বাড়বে।

বাজার ব্যবস্থাপনা

সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকলেও গুজব ছড়িয়ে কিছু এলাকায় কৃত্রিম অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে কুড়িগ্রামের কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন। চলতি আমনে জেলায় সারের পর্যাপ্ত জোগান ও রেকর্ড বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে; ডিলারদের মাধ্যমে নির্ধারিত দামে বিতরণ চলছে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার না কিনতে কৃষকদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে, আগস্টে জেলায় ৫,৮৭৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া বরাদ্দ হয়েছে, গত বছরের ৩,২৫৩ টনের প্রায় দ্বিগুণ; সঙ্গে ডিএপি ১,৫৭২, এমওপি ১,৬৪৮ ও টিএসপি ৯২৪ টন। সেপ্টেম্বরেও ইউরিয়া ৪,৬৪৪, ডিএপি ১,৯২১, টিএসপি ৮০২ ও এমওপি ১,৩২৬ টন বরাদ্দ দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।

স্বচ্ছ বিতরণে প্রতিটি পয়েন্টে ট্যাগ অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকি বহাল আছে; ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী ও রৌমারীসহ জেলাজুড়ে সরকারি দামে বিক্রি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সোমবার রৌমারী ও ভূরুঙ্গামারীতে বিতরণের সময় সাময়িক বিলম্বের সুযোগে কিছু উসকানিদাতা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলেও প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি সামলায়; ভুল বুঝতে পেরে কৃষকেরা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সংগৃহীত সার ফেরতও দেন।

কৃষি বিভাগ বলছে, চলতি মৌসুমে আমনে সার প্রয়োগ প্রায় শেষ পর্যায়ে; আগামী রবিতে আলু, ভুট্টা ও শীতকালীন সবজির জন্য অক্টোবর-নভেম্বরে বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে, তাই নদীতীর বা চরের কৃষকদের আগাম সার কিনে বাড়িতে মজুতের দরকার নেই।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাসসকে বলেন, দেশে সারের ঘাটতি নেই, ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই; মাঠপর্যায়ে চাহিদার চেয়ে মজুত বেশি। গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রয়োজনের বেশি সার না নিতে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বাসসের কুড়িগ্রাম প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস

বাসসদা এগ্রো নিউজ

বাজার ব্যবস্থাপনা

সম্পর্কিত খবর

বাজার ব্যবস্থাপনা

অক্টোবরে ৬৪ জেলায় নন-ইউরিয়া সারের চাহিদার শতভাগ বরাদ্দ ৩.১৫ লাখ টন, জেলাভিত্তিক চাহিদা ধরে ভাগ

কৃষি মন্ত্রণালয়ের ১৪ সেপ্টেম্বরের বরাদ্দপত্রে অক্টোবরের টিএসপি ৭০,০৫২, ডিএপি ১,৫০,৯১০ ও এমওপি ৯৩,৬৫৪ টনের পুরোটা বরাদ্দ—টিএসপি পুরোটা বিএডিসি থেকে, ডিএপির ১,০০০ টন বিসিআইসি; বগুড়ায় এমওপি ৪,৫৪০, রাজশাহীতে ৩,৩৬০ টন; রবি-বোরোর জন্য আগাম আমদানি, মজুত ও মনিটরিং।

বাসস১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বাজার ব্যবস্থাপনা

উলিপুরে সার না পেয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে ঘেরাও, পুলিশ এসে উদ্ধার

কুড়িগ্রামের উলিপুরে সরকার নির্ধারিত দামে ইউরিয়া না পাওয়ার অভিযোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় গাবতলী বাজারে এক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ঘিরে বিক্ষোভ করেন কৃষকেরা; আধা ঘণ্টা পর পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।

প্রথম আলো১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

মৌসুম শেষেও কানসাট হাটে ৬ জাতের আম, অসময়ের খিরসাপাত বিকোচ্ছে মণ ২৫ হাজার টাকায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে আশ্বিনা ৮০–১০০, বারি-৪ ১৫০–১৮০, গৌড়মতি ১৬০–১৮০, কাটিমন ১৭০–১৮০ ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো ১৮০–২০০ টাকা কেজি; শিবগঞ্জের চাষি গোলাম মোস্তফা কাটিমনের ডাল গ্রাফটিং করা গাছে আগস্টে খিরসাপাত ধরিয়ে ৮০ হাজার টাকার আম বেচেছেন—গবেষণা কেন্দ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।

বাংলা ট্রিবিউন১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()