প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বের মোট আমিষ সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশ জোগায় — জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এর বেশির ভাগই আসে মিশ্র ফসল-প্রাণিসম্পদ ও হাঁস-মুরগির ব্যবস্থা থেকে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিডলট ও নিবিড় উৎপাদন ব্যবস্থার অর্থনৈতিক ভিত্তি গুরুত্বপূর্ণ; তবে খাদ্যনিরাপত্তায় প্রাণিসম্পদের মূল অবদানটি চলে জাতীয় ও স্থানীয় বাজারের ভেতর দিয়ে। মাংসের মাত্র ১৫ শতাংশ, দুধ ও দুগ্ধপণ্যের ১২ শতাংশ এবং ডিমের কেবল ৩ শতাংশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে লেনদেন হয়।
খাতটি এমন এক রূপান্তরের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে যা আগামী কয়েক দশক চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জমি নিয়ে খাদ্য ও গোখাদ্যের প্রতিযোগিতা, আবাদি জমির বিস্তার ও বন উজাড়ের গতি কমে আসার প্রেক্ষাপটে, উৎপাদকদের ঠেলে দিচ্ছে কৃষি-শিল্পের উপজাত, অপ্রচলিত গোখাদ্য, তৃণভূমি ও প্রান্তিক জমির দিকে।
‘খাদ্যনিরাপত্তা ও টেকসই কৃষিখাদ্য ব্যবস্থায় প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান: সুফল, সীমাবদ্ধতা, সমন্বয় ও বিনিময়’ শীর্ষক এই নথি এফএও সদস্যদের অনুরোধে তৈরি ধারাবাহিকের তৃতীয়টি।
এতে প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক সাহিত্যের পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক নীতি ও আইনি কাঠামো বিশ্লেষণ করা হয়েছে, আর প্রমাণগুলো সাজানো হয়েছে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ব্যবস্থার ধরন অনুযায়ী।
বেশির ভাগ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনের কাছাকাছিই খাওয়া হয় — এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে দুধ, হাঁস-মুরগি ও ছোট রোমন্থক প্রাণীর বাণিজ্য প্রায় পুরোটাই অভ্যন্তরীণ এবং বিশ্ববাজারের চেয়ে নীতিই বেশি কার্যকর।
সূত্র: এফএও নিউজরুম





মন্তব্য
(০)