ফরজ ও সুন্নতে মুআক্কাদার পর নফল ইবাদত বান্দাকে আল্লাহর নৈকট্যে নিয়ে যায় এবং ফরজের ত্রুটিও পূরণ করে। আবু দাউদের (হাদিস ৮৬৪) বর্ণনায় আছে, কিয়ামতের দিন প্রথম নামাজের হিসাব হবে; ফরজে ঘাটতি থাকলে দেখা হবে বান্দার নফল আছে কি না। আওয়ার ইসলামের একটি লেখায় দৈনন্দিন আট নফল নামাজের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
তাহাজ্জুদ: ফরজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ, শেষ রাতে পড়তে হয়; দুই থেকে আট বা বারো রাকাত পর্যন্ত পড়ার কথা পাওয়া যায়। সহিহ মুসলিমের (১১৬৩) হাদিসে একে ফরজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ বলা হয়েছে। ইশরাক: সূর্য পুরোপুরি ওঠার পর দুই থেকে চার রাকাত; সুনানে তিরমিজির (৫৮৬) বর্ণনায় জামাতে ফজর পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত জিকির করে দুই রাকাত পড়ার বিশেষ সওয়াবের কথা এসেছে।
চাশত বা দুহা: সূর্য মধ্যাকাশে ওঠার আগে পড়া হয়; কেউ কেউ ইশরাক ও চাশতকে একই নামাজ মনে করেন। সহিহ বুখারির বর্ণনায় আবু হুরায়রা (রা.) জানিয়েছেন, নবীজি (সা.) তাঁকে যে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছিলেন, তার একটি দুহার নামাজ। আউওয়াবিন: মাগরিবের ফরজ ও সুন্নতের পর অন্তত ছয় রাকাত, এশার আগে যেকোনো সময়।
তাহিয়্যাতুল অজু: ভালোভাবে অজুর পর দুই রাকাত, নিষিদ্ধ সময় ছাড়া। তাহিয়্যাতুল মসজিদ: মসজিদে ঢুকে বসার আগে দুই রাকাত; তবে এতে কোনো ওয়াক্তের ফরজ বা সুন্নতে মুআক্কাদা ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে আগে নির্ধারিত নামাজ পড়তে হবে। সহিহ বুখারির হাদিসে মসজিদে ঢুকে দুই রাকাত পড়ে বসার নির্দেশ আছে।
সালাতুল হাজত: বিশেষ প্রয়োজন বা সংকটে আল্লাহর সাহায্য চেয়ে দুই রাকাত। সালাতুত তওবা: গুনাহ হয়ে গেলে ভালোভাবে অজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়ে ক্ষমা চাওয়া; সুনানে আবু দাউদে (১৫২১) আবু বকর সিদ্দিকের (রা.) বর্ণনায় এর কথা এসেছে।
লেখাটি আওয়ার ইসলামের ইসলাম পাতায় প্রকাশিত।
ছবি: Kazi Murad Hossain / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: আওয়ার ইসলাম





মন্তব্য
(০)