কাতারের রাজধানী দোহায় শুরু হয়েছে ‘কোরআন ও মানবজ্ঞান’ সম্মেলনের দ্বিতীয় আসর, সঙ্গে ‘দ্য বুক অব দ্য উম্মাহ রাইটার্স ফোরাম’। কোরআনের নির্দেশনা ও মানবজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সম্পর্ক নিয়ে কাতারসহ বিভিন্ন দেশের গবেষক ও শিক্ষাবিদেরা এতে অংশ নিচ্ছেন বলে দ্য পেনিনসুলা কাতারের বরাতে জানিয়েছে আওয়ার ইসলাম।
‘এটি সর্বাধিক সঠিক পথের দিকে পথনির্দেশ করে’ প্রতিপাদ্যে দুই দিনের এ আয়োজন করেছে কাতারের আওকাফ ও ইসলামিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগ এবং কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে খালদুন সেন্টার ফর হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস ও কলেজ অব শরিয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ। লক্ষ্য ইসলামি জ্ঞানচর্চার সঙ্গে সমকালীন একাডেমিক গবেষণার সমন্বয়।
সম্মেলনের চারটি প্রধান বিষয় কোরআন ও দর্শন, কোরআন ও ভাষাবিজ্ঞান, কোরআন ও আইন এবং কোরআন ও রাজনীতি। আয়োজকেরা জানান, প্রায় ২ হাজার গবেষণা-সারসংক্ষেপ জমা পড়েছিল; কয়েক ধাপের যাচাইয়ে ৫৮টি পূর্ণাঙ্গ গবেষণাপত্রের জন্য বাছাই হয়, ৪৬টি বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নে পৌঁছায় এবং শেষ পর্যন্ত ৯টি দেশের গবেষকদের ১৭টি গবেষণাপত্র চূড়ান্ত কর্মসূচিতে স্থান পায়।
ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগের পরিচালক শেখ ড. আহমেদ বিন মোহাম্মদ বিন গনেম আল থানি বলেন, কোরআনের বুদ্ধিবৃত্তিক উপস্থিতি জোরদার এবং একাডেমিক আয়োজনকে দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞানচর্চার প্রকল্পে রূপ দিতেই এ আয়োজন। কলেজ অব শরিয়াহর ডিন ড. ইব্রাহিম আবদুল্লাহ আল আনসারি বলেন, ইতিহাসে কোরআন ইসলামি সভ্যতার ভিত্তি হিসেবে আলেমদের বৈজ্ঞানিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছে।
ইবনে খালদুন সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক বদরান বেনলাহসেনের মতে, কোরআন পথনির্দেশ ও জ্ঞানের উৎস, যা বিজ্ঞানকে নৈতিক ও মানবিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে আবার যুক্ত করতে পারে। কাতার ছাড়াও মরক্কো, আলজেরিয়া, মিসর, তুরস্ক, ইয়েমেন, ওমান, ইরাক ও সুদানের গবেষকেরা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
সূত্র: আওয়ার ইসলাম



মন্তব্য
(০)