দেশে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে: প্রতিদিন মৃত্যুর খবর আসছে, হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে অনেকে মেঝে, বারান্দা আর করিডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে বিশেষজ্ঞেরা সতর্ক করছেন, অক্টোবর-নভেম্বরে পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হবে না, বরং অক্টোবরে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, ঢাকার বাইরের অনেক জেলাতেও।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক, কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি পূর্বাভাস মডেলে বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, এডিস মশার ঘনত্ব আর রোগীর সংখ্যা হিসাবে নেওয়া হয়। সেই মডেল অনুযায়ী অক্টোবরে বড় ঝুঁকি আছে, আর অন্য বছর নভেম্বরে রোগী কমলেও এবার সে সম্ভাবনা খুবই কম।
তাঁর মতে, শুধু মশা মারার কীটনাশক ছিটিয়ে ডেঙ্গু ঠেকানো যাবে না। এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবোপিকটাসের ডিম পাড়ার জায়গা খুঁজে ধ্বংস করতে হবে, প্রজননস্থল লক্ষ্য করে ব্যাপকভাবে লার্ভিসাইডিং আর ব্রিডিং সোর্স ম্যানেজমেন্ট করতে হবে, আর তাতে মানুষকে যুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনগুলো অনেক কাজ করছে, কিন্তু রোগীও বাড়ছে, কারণ প্রজননস্থল লক্ষ্য করে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, ৭৫টি ওয়ার্ডে প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন আর নিয়মিত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে চিরুনি অভিযানও চলছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি রাজধানীসহ সারা দেশে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান এখন জরুরি। প্রতিবেদনটি বাংলা ট্রিবিউনের।
ছবি: Econt / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন



মন্তব্য
(০)