আয়ারল্যান্ডের কৃষি, খাদ্য ও সামুদ্রিক বিষয়ক বিভাগ (ডিএএফএম) স্যাটেলাইটভিত্তিক এরিয়া মনিটরিং সিস্টেম (এএমএস) সেবার জন্য চার বছরের একটি চুক্তির দরপত্র আহ্বান করেছে। চুক্তির আনুমানিক মূল্য ৮০ লাখ ইউরো, জানিয়েছেন অ্যাগ্রিল্যান্ডের আয়শলিং ও'ব্রায়েন (Aisling O'Brien)।
এএমএস ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস সেন্টিনেল স্যাটেলাইটের তথ্য, অথবা সমমানের তথ্য ব্যবহার করে জমির প্রতিটি খণ্ডে কৃষিকাজ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করে। বর্তমান অভিন্ন কৃষিনীতির অধীনে ইইউর প্রতিটি সদস্য দেশকে জমির আয়তনভিত্তিক কৃষি প্রকল্পের শর্ত মানা হচ্ছে কি না যাচাইয়ে এমন ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়; ২০২৬ সালে আয়ারল্যান্ড তার সব আয়তনভিত্তিক প্রকল্প এভাবেই নজরে রাখছে। কোনো জমি শর্ত পূরণ না করলে অর্থ কমানো ও জরিমানা হতে পারে।
নতুন সেবাকে প্রায় ৪৫ লাখ হেক্টর জুড়ে প্রায় ১৩ লাখ জমিখণ্ড পর্যবেক্ষণ করতে হবে, যার মধ্যে ১১ লাখ হেক্টর স্থায়ী চারণভূমি, ১ লাখ হেক্টর স্থায়ী ফসল ও ২ লাখ হেক্টর আবাদি জমি। ২০২৭ সালের ১৫ মের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করতে হবে, আর প্রথম জাতীয় পর্যবেক্ষণ ফল দিতে হবে জুনের মাঝামাঝি। দরপত্র জমার শেষ সময় ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর বিকেল ৫টা।
বর্তমান সিএপি কর্মসূচি ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে বলে পরের সিএপিতে রূপান্তরের সময়ও চুক্তিটি চালু থাকবে বলে বিভাগ আশা করছে। তবে নতুন কর্মসূচিতে এএমএসের চাহিদা বদলাতে পারে, যা এখনো স্পষ্ট নয়।
ব্যবস্থাটি এখনই সক্রিয়। চলতি বছর কৃষকদের কাছে ৬ হাজারের বেশি এএমএস নোটিশ গেছে: জুনে ১,৪৪৭টি, দাবি করা জমিতে বাড়ি, খামারের রাস্তা বা ভবনের মতো কৃত্রিম স্থাপনা থাকতে পারে বলে; জুলাইয়ের মাঝামাঝি ৩,২২২টি, ভুল ফসল বা চাষের কোনো চিহ্ন না থাকার সম্ভাবনায়; আর আগস্টে ১,৪১৩টি, যাতে একাধিক ফসল, অযোগ্য এলাকা এবং এসিআরইএস পরিবেশ প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী শীতের পাখির খাবারের ফসল না থাকার বিষয়ও ছিল।
ছবি: Sentinel Hub / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Agriland





মন্তব্য
(০)