অনেকে মনে করেন বিদ্যুতের বিল কমাতে হলে দামি যন্ত্র কিনতে হবে, নয়তো আরামে ছাড় দিতে হবে। ডেইলি বাংলাদেশের লাইফস্টাইল পাতায় বলা হয়েছে, ফ্রিজ, ইনভার্টার আর কিছু দৈনন্দিন অভ্যাসে ছোট বদল আনলেই অনেকটা সাশ্রয় সম্ভব।
দিনরাত চলা ফ্রিজ ঘরের বড় বিদ্যুৎ খরচের একটি। অনেকে কুলিং সবসময় সর্বোচ্চে রাখেন বা মৌসুম বদলালেও তাপমাত্রা বদলান না। গরমে ফ্রিজের তাপমাত্রা মাঝারি, অর্থাৎ ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা উপযুক্ত, শীতে আরেকটু কমানো যায়। ফ্রিজ দেয়ালের গায়ে লাগিয়ে রাখলে পেছনের কয়েলে বাতাস চলে না, কম্প্রেসরের ওপর চাপ বাড়ে; তাই দেয়াল থেকে কিছুটা দূরে বাতাস চলাচলের জায়গায় রাখুন।
বারবার দরজা খোলা, অনেকক্ষণ খুলে রেখে বরফ ভাঙা বা জিনিস খোঁজা, আর গরম খাবার ঢুকিয়ে রাখাও কম্প্রেসরকে বেশি খাটায়, যন্ত্রও তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়। প্রয়োজন ছাড়া দরজা খুলবেন না, থার্মোস্ট্যাটের সেটিং ঠিক রাখুন।
ইনভার্টারের ব্যাটারি পুরোনো হলে বা তাতে ইলেকট্রোলাইট কমে গেলে চার্জ হতে অনেক বেশি সময় লাগে, মিটারও তত বেশি চলে। লোডের সঠিক হিসাব না করে ইনস্টল করলে পাওয়ার লিকেজ আর ওভারচার্জিংয়ের সমস্যা হতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যাটারির পানি দেখুন, চার্জ শেষে ইনভার্টার যেন অটো-কাট মোডে যায় তা নিশ্চিত করুন, আর সে সময় দরকার নেই এমন যন্ত্র বন্ধ রাখুন।
বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় পাখা, কুলার বা টিভি চালু রাখা, কিংবা ফোন-ল্যাপটপ পুরো চার্জ হওয়ার পরও চার্জার প্লাগে লাগিয়ে রাখা ‘ফ্যান্টম লোড’ তৈরি করে। পুরোনো বাল্বের জায়গায় এলইডি বাতি লাগালে কম বিদ্যুতে বেশি আলো মেলে। প্রতিবেদনের দাবি, এসব অভ্যাস নিয়মিত মানলে মাসের বিল ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
ছবি: Yinan Chen / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ





মন্তব্য
(০)