জমি, অর্থায়ন ও আবাসন পাওয়ার পথ সহজ না হলে কৃষি এক প্রজন্মের নতুন কৃষক হারাবে, এই সতর্কবার্তা দিয়ে পদক্ষেপ চেয়েছেন ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের তরুণ কৃষকেরা। জাতীয় তরুণ কৃষক সপ্তাহ (৫-৯ অক্টোবর) উপলক্ষে ন্যাশনাল ফেডারেশন অব ইয়ং ফার্মার্স ক্লাবসের (এনএফওয়াইএফসি) কৃষি শাখা প্রকাশ করেছে প্রাউড টু ফার্ম নামের একটি নীতিপত্র। খবরটি দিয়েছে ফার্মার্স উইকলি।
নীতিপত্রে ২০৩৬ সালের মধ্যে কৃষিতে কাজ করা ৩৫ বছরের কম বয়সীদের অংশ তিন গুণ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। এতে বয়স্ক কৃষিশ্রমশক্তির চিত্রও আছে: ইংল্যান্ডে কৃষকের গড় বয়স ৫৯ বছরের বেশি, এক-তৃতীয়াংশের বেশি ৬৫ বছরের ওপরে, আর ৩৫ বছরের কম মাত্র ৫ শতাংশ। ওয়েলসে গড় বয়স ৬০, আর ২৫ বছরের কম প্রায় ৩ শতাংশ।
সংগঠনের কৃষি শাখার সভাপতি নাথান গ্রিনউড বলেন, জমি ও মূলধন পাওয়া থেকে শুরু করে ব্যবসার সুযোগ, আবাসন আর মানসম্পন্ন কৃষি প্রশিক্ষণ, সব ক্ষেত্রেই তরুণেরা বড় বাধার মুখে। এসব বাধা দূর না হলে খাতটি ঠিক যখন প্রতিভার সবচেয়ে বেশি দরকার, তখনই এক প্রজন্মের প্রতিভা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে।
সংগঠনটি সরকার ও শিল্পের কাছে খামার ইজারা পাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে আছে স্থানীয় পরিষদের খামারগুলো ধরে রাখা এবং পুরোনো ইজারার মেয়াদ ফুরালে নতুনদের সুযোগ দিতে জমির মালিকদের উৎসাহিত করা। পরিবেশবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনা ও মূলধনি অনুদান কর্মসূচিতে তরুণদের ন্যায্য প্রবেশাধিকার এবং গ্রামে আবাসন পেতে কৃষিশ্রমিকদের জরুরি কর্মী হিসেবে স্বীকৃতিও চেয়েছে তারা।
নীতিনির্ধারণে তরুণ কৃষকদের আরও যুক্ত করা এবং কৃষিভিত্তিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বানও আছে নীতিপত্রে। সংগঠনের চেয়ারপারসন জেসিকা রোজ বলেন, নতুন প্রজন্ম সফল হতে আগ্রহী, তবে সম্ভাবনা কাজে লাগাতে তাদের সঠিক সুযোগ ও সহায়তা দরকার।
ছবি: Geoff Charles / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)