জলবায়ু পরিবর্তনের ছাপ পড়ছে মানুষের ত্বকেও। ইউরোপিয়ান অ্যাকাডেমি অব ডার্মাটোলজি অ্যান্ড ভেনেরিওলজি (ইএডিভি) কংগ্রেস ২০২৬-এ উপস্থাপিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় বিশ্বের ১৩৬টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে; এর ৪২.৬ শতাংশ দেশ জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকের রোগের প্রকোপ বা তীব্রতার পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, জানিয়েছে কলকাতার সংবাদ প্রতিদিন।
জলবায়ু-সম্পর্কিত পরিবর্তনের কথা জানানো ৫৮টি দেশের ৮১ শতাংশে হিট র্যাশ বেড়েছে, আর ৭৫.৯ শতাংশ দেশে প্রদাহজনিত ত্বকের সমস্যা দেখা গেছে। ত্বক শরীরের ভেতর আর বাইরের পরিবেশের মধ্যে প্রথম বাধা, তাই তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, সূর্যালোক ও দূষণের সংস্পর্শে সরাসরি আসে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বাড়লে ঘাম আর ত্বকের জ্বালা বাড়তে পারে; অতিরিক্ত গরম ও বায়ুদূষণ প্রদাহ বাড়ায়। তাপমাত্রা ও বৃষ্টির ধরন বদলালে মশা, টিক ও অন্য রোগবাহকের মাধ্যমে সংক্রমণও ছড়ায়।
প্রভাব সব দেশে সমান নয়। নিম্ন আয়ের দেশের ৫৫.৬ শতাংশ এবং নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের ৫২.৫ শতাংশ জলবায়ু-সম্পর্কিত ত্বকের রোগের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে; উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে এ হার ৪৩.৮ এবং উচ্চ আয়ের দেশে ২৮.৩ শতাংশ। গবেষকদের মতে, ত্বকের স্বাস্থ্যকে জলবায়ুর প্রাথমিক প্রভাব হিসেবে ধরা উচিত, আর চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। বাইরে বেরোলে যতটা সম্ভব রোদ আর ধুলো-ধোঁয়া এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন




মন্তব্য
(০)