নেদারল্যান্ডসের ভাগেনিঙেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্চ (Wageningen University & Research) ২৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সিবিয়া (CIBIA) নামে একটি গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র চালু করেছে। নতুন খাদ্যপণ্যের উন্নয়ন, পরীক্ষা ও বড় পরিসরে উৎপাদনে নেওয়ার কাজ দ্রুত করাই এর লক্ষ্য। প্রযুক্তি উন্নয়ন, পণ্য উন্নয়ন ও ভোক্তা মূল্যায়ন এক ছাদের নিচে পাবেন কোম্পানি, স্টার্টআপ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সংগঠন ও সরকার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্যপ্রযুক্তি গবেষণা ব্যবস্থাপক রিয়ানে রুইশপ বলেন, ‘ভবিষ্যতের খাদ্যব্যবস্থার উদ্ভাবনে ভালো ধারণা আর বৈজ্ঞানিক জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। আসল কথা হলো জ্ঞানকে এমন প্রয়োগে রূপ দেওয়া, যা সত্যিকারের পরিবর্তন আনে।’
সিবিয়ায় নমুনা খাদ্যপণ্যের ভৌত, রাসায়নিক, অণুজীবগত, স্বাদ-গন্ধ, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য যাচাই করা যায়। এসব তথ্য যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমর্থিত ডিজিটাল মডেল ও ডিজিটাল টুইনে, ফলে পণ্য দ্রুত উন্নত করা যায় এবং জ্বালানি ও পানির ব্যবহার, লবণ ও চিনি কমানো এবং পণ্যের মান নিয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতি যাচাই করা যায়।
ভোক্তারা নতুন পণ্য কতটা গ্রহণ করেন, তা বুঝতে স্বাদ-গন্ধ ও ভোক্তা গবেষণাও এর অংশ, যাতে স্বাস্থ্যকর ও টেকসই খাবার বাজারে আনা সহজ হয়।
নেদারল্যান্ডসের কৃষি, মৎস্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রকৃতি মন্ত্রণালয় এবং অর্থনীতি ও জলবায়ুনীতি মন্ত্রণালয়ের ফলিত গবেষণা সুবিধা প্রকল্পের অর্থে কেন্দ্রটি গড়া হয়েছে। অংশীদারেরা গবেষণা প্রকল্প, যৌথ কর্মসূচি বা ভাগাভাগি ব্যবহারের ভিত্তিতে এটি ব্যবহার করতে পারবেন। কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভবনের ভারবাহী কাঠামো ও সম্মুখভাগের বড় অংশ কাঠের তৈরি।
প্রতিবেদনটি ভাগেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণার ভিত্তিতে লেখা।
ছবি: DirkV / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Wageningen University & Research




মন্তব্য
(০)