পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় ও দেশীয় প্রজাতির অনেক বৃক্ষ এখন বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায়।
এসব অতিবিপন্ন প্রজাতির বৃক্ষ সুরক্ষায় ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে ৫৫টি প্রজাতির উদ্ভিদকে সংরক্ষিত উদ্ভিদ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ৫৫ প্রজাতির মধ্যে ৪২টি উদ্ভিদ ও ১৩টি অর্কিড।
এরই মধ্যে পাহাড়ের প্রাচীন ও দেশীয় প্রজাতির ৯৮টি উদ্ভিদ পুনঃস্থাপনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম সবুজায়নের মাধ্যমে বন ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি — এই দুই পার্বত্য জেলায় ৯৮ প্রজাতির দেশীয় বিরল ও বিপন্ন বৃক্ষ সৃজন করা হবে।
অর্থনৈতিক লাভের আশায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সেগুনের চাষ বাড়ায় অন্যান্য প্রজাতির গাছ ও উদ্ভিদ কমে গেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
একক প্রজাতির বাগান মাটির উর্বরতা ও জলধারণক্ষমতা কমায়; মিশ্র দেশীয় বন জুম চাষ ও পাহাড়ি ঝর্ণার প্রবাহ দুটোরই রক্ষাকবচ।
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)