সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

মিরসরাইয়ের জোয়ার-ভাটার চরে বুনো আবাসে পবন ঝাউ

আবাদি গাছ হিসেবে পরিচিত পবন ঝাউ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের ইছাখালীতে বীজ থেকে নিজে জন্মে বুনো পরিবেশ গড়েছে, লিখেছেন প্রকৃতিবিষয়ক লেখক মোকারম হোসেন।

মিরসরাইয়ের জোয়ার-ভাটার চরে বুনো আবাসে পবন ঝাউ
পরিবেশ

সাধারণত রোপণ করা গাছ হিসেবে পরিচিত পবন ঝাউ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রাকৃতিক আবাসে জন্মাতে দেখা গেছে। প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক মোকারম হোসেন প্রথম আলোয় লিখেছেন, ২০২৫ সালে বেপজার (বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ) সীমানাদেয়াল লাগোয়া ইছাখালী এলাকায় তিনি অসংখ্য পবন ঝাউ দেখেন, যেগুলো বীজ থেকে চারা হয়ে জোয়ার-ভাটার পানির প্রতিকূলতা সামলে বুনো পরিবেশ তৈরি করেছে।

গাছটি একসময় বিলাতি ঝাউ নামে পরিচিত ছিল। সামান্য বাতাসেই এর ডালপালায় শোঁ শোঁ শব্দ হয় বলে গ্রামের মানুষ একে পোবন গাছ বলে ডাকে। সেই নাম থেকে লেখক অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মাকে পবন ঝাউ নামটি প্রস্তাব করেন; দ্বিজেন শর্মা নামটি গ্রহণ করে শ্যামলী নিসর্গ গ্রন্থের সর্বশেষ সংস্করণে ব্যবহার করেছেন।

পাইনের সঙ্গে চেহারায় মিল থাকলেও পবন ঝাউয়ের সঙ্গে পাইন বা ঝাউয়ের আত্মীয়তা নেই। দ্বিজেন শর্মার ব্যাখ্যায়, পাইন ও ঝাউ নগ্নবীজ উদ্ভিদ, আর বিলাতি ঝাউ আম বা বকুলের মতো আবৃতবীজ উদ্ভিদ।

পরিণত পবন ঝাউ (Casuarina equisetifolia) সরল, দীর্ঘ গাছ; ৬ থেকে ৩৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। নবীন গাছ পিরামিডাকৃতির, কাণ্ড ধূসর ও অমসৃণ। পাতা প্রায় অদৃশ্য বাদামি রোমে রূপান্তরিত। ফুল খুব ছোট; স্ত্রী ও পুরুষ ফুল আলাদা মঞ্জরিতে থাকে। বছরে দুবার ফুল ফোটে, গ্রীষ্মের শুরুতে ও হেমন্তের শেষে। বীজ হালকা ও বাদামি।

উপকূলীয় জেলা ও সাগরপাড়ে গাছটি বেশি দেখা যায়, দেশের অন্যত্রও বিক্ষিপ্তভাবে আছে। এর কাঠ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়, আর বালুভূমির প্রসার ঠেকাতে পবন ঝাউয়ের বলয় খুব কার্যকর। পথের পাশে, উদ্যানে ও বাড়ির আঙিনায় শোভাবর্ধক গাছ হিসেবেও এটি উপযোগী।

লেখক জানিয়েছেন, ১৯৮৫ সালের দিকে তাঁদের গ্রামের বাড়ির সংযোগ সড়কের দুই পাশে প্রায় ৩০টি ঝাউগাছ লাগানো হয়েছিল, যেগুলো নতুন মাটিতে কয়েক বছরে দ্রুত বেড়ে ওঠে।

ছবি: Moheen Reeyad / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানোর তাগিদ

কপ৩১-এর প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও ইউনেস্কো চেয়ারের ওয়েবিনারে জলবায়ু অগ্রাধিকারকে বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপ দেওয়ার কথা বলেছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা।

দেশ রূপান্তর৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

১,৫৪২ কোটি টাকার মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন বৃহস্পতিবার

২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার পর অনুমোদিত প্রকল্পটি বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্যে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।

দেশ রূপান্তর৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

খরায় মহারাষ্ট্রের তিন-চতুর্থাংশ তহসিল, গ্রামীণ কাজে ৬,৭২৮ কোটি রুপি বরাদ্দ

রাজ্যের ৩৫৮টির মধ্যে ২৬৫টি তহসিল খরাকবলিত ঘোষণার পর পানি সংরক্ষণ, সেচ ও কৃষি অবকাঠামোয় গ্রামীণ কর্মসংস্থানে অর্থ দিচ্ছে সরকার; শহরে পানি সরবরাহ কমানোর কথাও ভাবছে।

ডাউন টু আর্থ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)