ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাই শরীরের দীর্ঘস্থায়ী কিছু পরিবর্তনকে অবহেলা না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. নওসাবাহ নূর। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এসব লক্ষণ থাকলেই ক্যান্সার, এমন নয়; সাধারণ সংক্রমণ, পুষ্টির অভাব বা অন্য ছোটখাটো সমস্যাতেও এগুলো দেখা দিতে পারে।
প্রথম লক্ষণ কারণ ছাড়া দ্রুত ওজন কমা। কোনো ডায়েট বা বাড়তি পরিশ্রম ছাড়া ৫ কেজি বা তার বেশি ওজন কমলে সতর্ক হতে হবে; অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী, খাদ্যনালি বা ফুসফুসের ক্যান্সারে এটি বেশি দেখা যায়। দ্বিতীয়ত দীর্ঘস্থায়ী বা বারবার জ্বর, যা লিউকেমিয়া বা লিম্ফোমায় প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে। তৃতীয়ত বিশ্রামের পরও না কাটা চরম ক্লান্তি।
চতুর্থ লক্ষণ ত্বকের পরিবর্তন: অস্বাভাবিকভাবে কালো হয়ে যাওয়া, ত্বক ও চোখ হলুদ হওয়া বা অতিরিক্ত লালচে ভাব। পঞ্চম, মলত্যাগ বা প্রস্রাবের অভ্যাসে দীর্ঘ পরিবর্তন, প্রস্রাবে ব্যথা বা রক্ত। ষষ্ঠ, চার সপ্তাহের বেশি না সারা ক্ষত, বিশেষ করে মুখ বা জিহ্বায়।
সপ্তম লক্ষণ অস্বাভাবিক রক্তপাত: কাশির সঙ্গে, মলের সঙ্গে, প্রস্রাবে বা স্তন থেকে রক্ত বা তরল। অষ্টম, স্তন, অণ্ডকোষ বা শরীরের কোনো নরম অংশে হঠাৎ শক্ত পিণ্ড। নবম, একটানা বদহজম, বুকজ্বালা বা খাবার গিলতে সমস্যা।
দশম লক্ষণ তিন সপ্তাহের বেশি টানা কাশি বা কারণ ছাড়া দীর্ঘদিন কণ্ঠস্বর বদলে যাওয়া, যা ফুসফুস, স্বরযন্ত্র বা থাইরয়েডের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
চিকিৎসকের পরামর্শ, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকুন। কোনো লক্ষণ দীর্ঘদিন থাকলে বা বাড়তে থাকলে নিজে থেকে ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ছবি: Staff Sgt. Sheila deVera / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)