Canadian Federation of Independent Business (CFIB)-র গত সপ্তাহে প্রকাশিত জরিপ অনুযায়ী, মার্কিন সীমান্ত পেরিয়ে ব্যবসা করা কানাডীয় কৃষি-ব্যবসাগুলো সতর্ক করছে, দীর্ঘায়িত বাণিজ্যযুদ্ধ তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে পারে। বিরোধে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট রপ্তানিকারকদের ১৮ শতাংশ ও আমদানিকারকদের ১১ শতাংশ বলেছে, এটি তিন মাস বা তার বেশি চললে তারা আর আর্থিকভাবে টিকবে না।
ছোট রপ্তানিকারকদের প্রায় অর্ধেক, ৪৬ শতাংশ, এবং আমদানিকারকদের ৪৯ শতাংশ বলেছে নতুন শুল্ক ও পাল্টা শুল্কে তাদের পণ্য সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত; উৎপাদন, পাইকারি, খুচরা ও নির্মাণ খাতে চাপ সবচেয়ে বেশি, কৃষিও বাদ নেই। CFIB-র ১০ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ হিসাবে মার্কিন শুল্ক, কানাডীয় পাল্টা শুল্ক বা দুটোতেই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা ৫৩,১১২টি: ১৩,১৬০ রপ্তানিকারক ও ৪৫,৪১৪ আমদানিকারক।
কৃষিযন্ত্র থেকে তাজা পণ্য পর্যন্ত নানা গ্রাহকের কাস্টমস ব্রোকার Integrated Customs Services Ltd-এর Janna Streef (জানা স্ট্রিফ) Farms.com-কে বলেন, তাঁর ব্যবসার প্রায় ৫৫ শতাংশ কৃষি-গ্রাহক, আর শুল্ক শুরুর পর থেকে সারট্যাক্স দুই দিকেই চলছে। কৃষিযন্ত্র হোক বা তাজা খাবার, কানাডীয় কৃষি বাজারের অনিশ্চয়তায় ভুগবে বলে তিনি সতর্ক করেন এবং বাজার বৈচিত্র্যের তাগিদ দেন।
CFIB-র প্রেসিডেন্ট Dan Kelly (ড্যান কেলি) বলেন, ছোট ব্যবসার মালিকদের বাণিজ্যযুদ্ধের কামানের খোরাক হতে দেওয়া যায় না। ফেডারেশন চায়: শুল্কে সরাসরি ক্ষতি দেখাতে পারা প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ডলারের Small Business Tariff Relief কর্মসূচি, গুরুতর ক্ষতির ক্ষেত্রে পাল্টা শুল্ক মওকুফের সিদ্ধান্ত দ্রুত করতে একটি SME ডেস্ক, এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করে ছোট ব্যবসার করপোরেট কর ৯ থেকে ৬ শতাংশে নামানো, সঙ্গে ছাড়ের সীমা ৫ লাখ থেকে ৭ লাখ ডলারে তোলা।
CFIB বলছে, দশজনে নয়জন ছোট প্রতিষ্ঠান মনে করে পাল্টা শুল্কের আয় বাণিজ্যযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায় যাওয়া উচিত। ফেডারেশনের জাতীয় বিষয়ক ভাইস-প্রেসিডেন্ট Jasmin Guenette (জাসমিন গেনেত) বলেন, কানাডা যাতে পাল্টা জবাব দিতে পারে সে জন্য মালিকদের পুরো জীবিকা বাজি রাখতে বলা হচ্ছে; স্থায়ী চুক্তির চেষ্টার পাশাপাশি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ ব্যবস্থা নিতে হবে।
ছবি: Canadian Federation of Independent Business
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)