সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯৬%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

ভ্যানে জমজমাট আম বিক্রি

রাজধানীতে ছোট-বড় বাজারের পাশাপাশি সড়ক, অলিগলি, ফুটপাতে ভ্যানে করে আম বিক্রি জমে উঠেছে। বিভিন্ন জেলা শহর থেকে আসা নানান জাতের আম হাতের নাগালে পাচ্ছেন ক্রেতারা। মান ও আকারভেদে এসব আম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকায়।

ফল

রাজধানীতে ছোট-বড় বাজারের পাশাপাশি সড়ক, অলিগলি, ফুটপাতে ভ্যানে করে আম বিক্রি জমে উঠেছে। বিভিন্ন জেলা শহর থেকে আসা নানান জাতের আম হাতের নাগালে পাচ্ছেন ক্রেতারা। মান ও আকারভেদে এসব আম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকায়।

শুক্রবার (২৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ১২ ও ১১ নাম্বারের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। রাজধানীর অন্যান্য এলাকার ফুটপাত, অলিগলিতে ভ্যানে করে আম বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

ভ্যানে হিমসাগর, ল্যাংড়া, গুটি, গোপাল ভোগ, গোবিন্দভোগ, আশ্বিনি, হাঁড়িভাঙ্গা জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে।

মিরপুর ১২ নাম্বারে মোল্লা মার্কেট সংলগ্ন রাস্তার মুখে ভ্যান নিয়ে বসেছেন মামুন মিয়া। অন্য সময় শাক বিক্রি করতেন ভ্যানে। তবে গরমের এ সময়টায় আম কাঁঠাল বিক্রি করেন তিনি।

মামুন মিয়া বলেন, এসব আম গাছ পাকা। সাভারের বিরুলিয়া থেকে নিয়ে এসেছি। দাম বেশি হলেও মানুষ কিনছে, যারা ভালো আম চেনেন তারা দাম দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। জানালেন ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন আম।

১০০ গজ দূরেই আরেকটি ভ্যানে হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম বিক্রি করছিলেন সজীব আহমেদ। অন্য সময় ভ্যানে খেঁজুর বিক্রি করেন তিনি। ল্যাংড়া ১০০ টাকা আর হিমসাগর ৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে তাকে।

এই বিক্রেতা বলেন, ভ্যানে আম বিক্রিতে কষ্ট কম। শাক সবজিতে লাভ কম, পরিশ্রম বেশি। পরিষ্কার করতে হয়, পানি দিতে হয়, কাটাকাটির ঝামেলা বেশি। এ জন্য আমের সিজনে ভ্যানে আম বিক্রি বেশি হয়। ওই সড়কে আরও ৪-৫ টি ভ্যানে আম বিক্রি করতে দেখা যায় বেশ কয়েকজনকে।

মিরপুর ১১ নাম্বার কাঁচাবাজার সড়কেও ভ্যানে করে, রাস্তার পাশে খোলা কেরেটে (প্লাস্টিকের বক্স) করে আম বিক্রি করতে দেখা যায় অনেককে। ছুটির দিনে নানান বয়সি ক্রেতাদের এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে আম কিনতে দেখা গেছে। কোন কোন ক্রেতা বলছেন বাজার থেকে ৫-১০ টাকা কমে এখানে মিলছে আম।

বিল্লাল হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, এই হকাররা আমাদের পরিচিত। অন্য সময়ে তাদের কাছ থেকে শাক-সবজি নেওয়া হয়। এখন তাদের থেকে আম কিনি। বাজার থেকে দামও কিছুটা কম রাখেন তারা।

তিনি বলেন, বাজারে মাঝারি আকারের হিমসাগর বিক্রি হয় ১০০-১২০ টাকায়। যেখানে ভ্যানে এগুলোর দাম ৮০-৯০ টাকা। মান একই, দাম কিছুটা বেশি রাখে দোকানে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভ্যানে ২০-২৫ কেজি আম বিক্রি করা যায়। সন্ধ্যার পর বিক্রি ভালো হয়। তাতে বিক্রেতাদের হাজার খানেক টাকা লাভ থাকে। কারও কারও আরও বেশি লাভও হয়।

মিরপুর সাড়ে ১১ নাম্বার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়কে আম বিক্রি করছিলেন মিরাজুল ইসলাম। আমের সিজনের আগে ভ্যানে কলা বিক্রি করতেন তিনি।

তিনি বলেন, এক হিমসাগর নানান ভাবে পৃথক করা হয়। তিন ধরনের আকারে পৃথক করা হয়। স্বাদ, রং, বেশি কিংবা কম পাকা। এ কারণে একই হিমসাগর কোথাও ৮০ টাকা, কোথাও ৯০ তো কোথায় ১২০ টাকা।

কাছেই গাবতলী ফলের আড়ৎ, সাভারের আড়ৎ, কারওয়ান বাজার আছে। অনেক জায়গা থেকে ফল আসছে। ভ্যানে এখন বেচাবিক্রি ভালো।

এসএম/এসএনআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()