সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°মেঘলাআর্দ্রতা ৭৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

সাগরে মাছ কম, দাদনের বোঝা: পেশা ছাড়ছেন চরফ্যাশন-মনপুরার জেলেরা

মাছ কমে যাওয়া, জ্বালানি তেলের দাম, দফায় দফায় নিষেধাজ্ঞা আর এনজিও ও মহাজনের ঋণের চাপে ভোলার চরফ্যাশন-মনপুরার জেলেদের অনেকে বিকল্প পেশা খুঁজছেন।

মৎস্য

ভোলার দক্ষিণের উপকূলীয় চরফ্যাশন ও মনপুরার জেলেরা বলছেন, সাগরে আগের মতো মাছ মিলছে না, অথচ ট্রলারের তেল থেকে বরফ—সব খরচ বেড়েছে। এনজিওর কিস্তি আর মহাজনের দাদনের সুদ মেটাতে না পেরে তাঁদের অনেকে এখন পেশা বদলের কথা ভাবছেন।

সামরাজ মাছঘাটের প্রবীণ জেলে নুরহোসেন মাঝির হিসাবে, আগে এক ট্রিপে যে মাছ উঠত তা দিয়ে তেলের খরচ মিটিয়েও সাত দিন সংসার চলত; এখন হাজার হাজার টাকা দাদন নিয়ে সাগরে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়। তাঁর কথায়, “মহাজনের ঋণের সুদ দেওয়াই দায় হয়ে পড়ছে।”

মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে কয়েক হাজার জেলে মাছ ধরে সংসার চালান। জেলেরা যে কারণগুলো বলছেন: ঋণ ও দাদন পরিশোধের চাপ, কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়া, একের পর এক নিষেধাজ্ঞা, নিত্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

চরকুকরি এলাকার জেলে বাবুল মাঝি ৪০ বছর ধরে এ পেশায় আছেন। তেলের দাম কম থাকতে লাভ হতো, এখন ট্রলার নিয়ে সাগরে যেতেই হিমশিম খেতে হয় বলে জানান তিনি। জেলে ফোরকান মিয়ার হিসাবে, মাছ ধরার পাঁচ মাসের মৌসুমের আড়াই মাসই কাটে নিষেধাজ্ঞায়, বাকি সময়ের বড় অংশ যায় ঝড় ও বৈরী আবহাওয়ায়।

তেঁতুলিয়া পাড়ের জেলে আনোয়ার ও সামরাজের নুরুল্লাহ মিয়া বলেন, সাগরের যেসব পয়েন্টে আগে নিয়মিত ইলিশ মিলত, সেখানে এখন মাছ নেই; লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি।

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, দুর্যোগসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণে মাছের উৎপাদন কমেছে এবং নদী-সাগরে মাছের বিচরণ ও প্রজননের জায়গা বদলাচ্ছে। জেলেদের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চলমান বলেও জানান তিনি।

উপজেলায় নিবন্ধিত জেলে ৪৩ হাজার ৩০০ জন, যাঁদের ২৫ হাজার জন জেলে কার্ড পেয়েছেন। ইলিশের প্রজননকালীন নিষেধাজ্ঞায় ৩৫ হাজার ৩৮৬ জন দরিদ্র জেলেকে চাল সহায়তা দেওয়া হয়; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে ২ হাজার জেলেকে বিকল্প আয়ের জন্য বকনা বাছুর দেওয়া হয়। প্রতিবেদনটি অবজারভার সংবাদদাতার।

সূত্র: ডেইলি অবজারভার

ডেইলি অবজারভারদা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মা ইলিশ রক্ষায় ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ২২ দিন ইলিশ ধরা-বেচা বন্ধ

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্সের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’ চলবে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর; এ সময় সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ থাকবে।

মৎস্য অধিদপ্তর২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

হাতিয়ায় মেঘনার তিন কেজির ইলিশ নিলামে বিক্রি ১০ হাজার ৯০০ টাকায়

নোয়াখালীর হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে জাহেদ মাঝির জালে ধরা পড়া তিন কেজি ওজনের একটি ইলিশ প্রকাশ্য নিলামে ১০ হাজার ৯০০ টাকায় কিনে নিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বিশু ব্যাপারী।

প্রথম আলো২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

মহারাষ্ট্রে প্রথম শোল মাছের হ্যাচারি, হরমোন প্রযুক্তিতে আড়াই লাখ পোনা উৎপাদন

আইসিএআর-সিআইএফইর কারিগরি সহায়তায় পুনের কাছে কানাসের হ্যাচারিতে উন্নত পেপটাইডভিত্তিক হরমোনে প্রায় আড়াই লাখ শোল মাছের রেণু ও ৪৫ হাজার পোনা উৎপাদন হয়েছে, যা খামারের পুকুর মালিকদের চাহিদা মেটাবে।

আইসিএআর২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()
সাগরে মাছ কম, দাদনের বোঝা: পেশা ছাড়ছেন চরফ্যাশন-মনপুরার জেলেরা | দা এগ্রো নিউজ