শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলের সুফলভোগী খামারিদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদন বাড়াতে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। ৭২টি খামারি পরিবার দুটি করে ছাগী পেয়েছে—মোট ১৪৪টি।
মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই বিতরণ হয়। ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুরের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আবু বক্কর সিদ্দিক; সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইমরান হোসেন।
বক্তারা বলেন, চরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বড় অংশ জীবিকার জন্য কৃষি ও প্রাণিসম্পদের ওপর নির্ভরশীল, কিন্তু এসব এলাকায় উন্নত জাতের প্রাণী, উপকরণ, খাদ্য, চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রমে এসব ঘাটতি দূর করে চরের মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
রোগমুক্ত, স্বাস্থ্যবান ও সঠিক ওজনের ছাগল বিতরণ করায় অতিথিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সুফলভোগী খামারিরাও আনন্দিত হন। ছাগল সরবরাহ করে মেসার্স তুষার এন্টারপ্রাইজ। অনুষ্ঠানে প্রকল্পভুক্ত খামারি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের আশা, এই ছাগল চরের মানুষের আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবনমান ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। বন্যা ও ভাঙনপ্রবণ চরে ছাগল পালন কম পুঁজিতে দ্রুত ফেরত দেয়; দুটি ছাগী থেকে বছরে কয়েকটি বাচ্চা একটি পরিবারের নগদ আয়ের নির্ভরযোগ্য উৎস হতে পারে—শর্ত হলো টিকা ও চিকিৎসার সহায়তা চালু থাকা।
সূত্র: বাংলানিউজ২৪





মন্তব্য
(০)