যুক্তরাষ্ট্রে যেসব খামারের সব পরিচালকই নতুন, তারা অভিজ্ঞ কৃষকদের খামারের চেয়ে লক্ষণীয়ভাবে ভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করে। নতুন কৃষক ও খামারিদের নিয়ে এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ERS) প্রকাশিত চার্ট অব নোটে এ তথ্য উঠে এসেছে।
পরিচালকদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ERS যুক্তরাষ্ট্রের খামারগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করেছে। যেসব খামারের প্রত্যেক পরিচালকের যেকোনো খামারে অভিজ্ঞতা ১০ বছরের বেশি নয়, সেই 'সম্পূর্ণ নতুন' খামার ২০২২ সালে ছিল মোট খামারের ২৩ শতাংশ। প্রত্যেক পরিচালকের ১০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা আছে এমন প্রতিষ্ঠিত খামার ছিল ৬৭ শতাংশ। বাকি ১০ শতাংশ 'বহুপ্রজন্মের নতুন' খামার, যেখানে নতুন ও অভিজ্ঞ পরিচালক মিলেমিশে আছেন।
২০২২ সালে সম্পূর্ণ নতুন খামারগুলোর ১০ শতাংশ মূলত ফল বা সবজি উৎপাদক ছিল; বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে এই হার ৯ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠিত খামারে ৬ শতাংশ।
পোলট্রিতে ব্যবধান আরও বড়। সম্পূর্ণ নতুন খামারের ৭ শতাংশ মূলত পোলট্রি উৎপাদক, যেখানে বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে ৪ শতাংশ ও প্রতিষ্ঠিত খামারে ৩ শতাংশ। ERS বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের পোলট্রি খাতে উল্লম্ব সংহতির মাত্রা অনেক বেশি, যেখানে মুরগির বড় অংশ উৎপাদন চুক্তির অধীনে পালন করা হয়; এই খাতে কৃষকদের অভিজ্ঞতার গঠনে সেটির ভূমিকা থাকতে পারে।
মাঠফসলে চিত্র উল্টো। সম্পূর্ণ নতুন খামারের মাত্র ১২ শতাংশ মূলত মাঠফসল উৎপাদক, যেখানে বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে ১৯ শতাংশ ও প্রতিষ্ঠিত খামারে ২০ শতাংশ। ERS-এর মতে, গত তিন দশকে খামারের একত্রীকরণ বৃদ্ধি ও কৃষিজমির প্রাপ্যতায় পরিবর্তনের সঙ্গে এই ধারা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
নতুন কাউকে পরামর্শ দিতে গেলে এই সংখ্যাগুলো দেখিয়ে দেয় কোন দরজা খোলা: চুক্তিভিত্তিক পোলট্রি ও উচ্চমূল্যের ফল-সবজিতে মাঠফসলের চেয়ে অনেক কম জমি লাগে, অন্যদিকে শস্য ও তেলবীজ চাষের জন্য যে পরিমাণ জমি দরকার তা নতুন কারও পক্ষে জোগাড় করা কঠিন হয়ে উঠেছে। ERS অর্থনীতিবিদ Katherine Lacy-র তৈরি এই চার্ট ২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত Beginning Farmer and Rancher Operations: Characteristics Associated With Business Survival প্রতিবেদনে রয়েছে।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)