সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৬%বাতাস ২ কিমি/ঘ

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কৃষকের খামারে পোলট্রি ও ফল-সবজি বেশি, মাঠফসল কম: ইউএসডিএ

ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিসের হিসাবে, ২০২২ সালে যেসব খামারের সব পরিচালকই নতুন, তাদের ৭ শতাংশ মূলত পোলট্রি ও ১০ শতাংশ ফল-সবজি উৎপাদক ছিল, অথচ মাঠফসলে ছিল মাত্র ১২ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কৃষকের খামারে পোলট্রি ও ফল-সবজি বেশি, মাঠফসল কম: ইউএসডিএ
এগ্রোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রে যেসব খামারের সব পরিচালকই নতুন কৃষক, তারা অভিজ্ঞ কৃষকদের খামারের চেয়ে ভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গবেষণা সংস্থা ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ইআরএস) ২০২৬ সালের ২৮ জুলাই প্রকাশিত এক 'চার্ট অব নোট'-এ জানায়, ২০২২ সালে এমন খামার পোলট্রি এবং ফল-সবজি উৎপাদনে তুলনামূলক বেশি, কিন্তু মাঠফসলে অনেক কম যুক্ত ছিল। চার্টটি তৈরি করেন ইআরএসের অর্থনীতিবিদ ক্যাথরিন লেসি।

অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে খামারের তিন ভাগ


ইআরএস নতুন কৃষক বলতে বোঝায় এমন কৃষক বা খামারিকে, যার খামার পরিচালনার অভিজ্ঞতা ১০ বছরের বেশি নয়। ২০২২ সালের কৃষিশুমারিতে কৃষকদের দেওয়া উত্তরের ভিত্তিতে সংস্থাটি খামারগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করে। যেসব খামারের প্রত্যেক পরিচালক নতুন, সেই 'সম্পূর্ণ নতুন' খামার ছিল মোট খামারের ২৩ শতাংশ। প্রত্যেক পরিচালকের ১০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা আছে এমন 'প্রতিষ্ঠিত' খামার ছিল ৬৭ শতাংশ। বাকি ১০ শতাংশ 'বহুপ্রজন্মের নতুন' খামার, যেখানে নতুন ও অভিজ্ঞ পরিচালক একসঙ্গে কাজ করেন।

ইউএসডিএর জাতীয় কৃষি পরিসংখ্যান সেবা (এনএএসএস) প্রতি পাঁচ বছর পরপর এই শুমারি করে। ২০২২ সালের শুমারিতে যুক্তরাষ্ট্রে খামারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৮৭টিতে, যা ২০১৭ সালের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। একই সময়ে গড় খামারের আয়তন ৫ শতাংশ বেড়ে ৪৬৩ একর হয়।

পোলট্রি ও ফল-সবজিতে নতুনদের ঝোঁক


২০২২ সালে সম্পূর্ণ নতুন খামারের ১০ শতাংশ মূলত ফল বা সবজি উৎপাদক ছিল; বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে এই হার ছিল ৯ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠিত খামারে ৬ শতাংশ।

ক্যালিফোর্নিয়ার ফলব্রুকে নিজের ৬.৩ একরের খামারে ড্রাগন ফলের গাছ দেখছেন নতুন কৃষক লিওনার্দো আগিলা, নভেম্বর ২০১৮। ছবি: ল্যান্স চিউং, ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
ক্যালিফোর্নিয়ার ফলব্রুকে নিজের ৬.৩ একরের খামারে ড্রাগন ফলের গাছ দেখছেন নতুন কৃষক লিওনার্দো আগিলা, নভেম্বর ২০১৮। ছবি: ল্যান্স চিউং, ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

পোলট্রিতে ব্যবধান আরও স্পষ্ট। সম্পূর্ণ নতুন খামারের ৭ শতাংশ মূলত পোলট্রি উৎপাদক ছিল, যেখানে বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে ৪ শতাংশ ও প্রতিষ্ঠিত খামারে ৩ শতাংশ। ইআরএসের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পোলট্রি খাতে উল্লম্ব সংহতির মাত্রা বেশি হওয়ায় এই খাতের কৃষকদের অভিজ্ঞতার গঠনে তার প্রভাব থাকতে পারে। ইউএসডিএর ব্যাখ্যায়, মার্কিন পোলট্রি কোম্পানিগুলো অন্য প্রাণিসম্পদ খাতের চেয়ে বেশি ধাপ নিজেদের হাতে রাখে: খাদ্য উৎপাদন, ডিম ও বাচ্চা উৎপাদন এবং জবাই প্রায়ই একই প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকে। উৎপাদন চুক্তিও প্রচলিত; এতে খামারি নিজের শেডে মুরগি পালন ও ব্যবস্থাপনা করেন, আর কোম্পানি তাকে মুরগিপ্রতি একটি ফি দেয়।

টেক্সাসের লুলিংয়ে ববি মরগানের খামারের শেডে পালিত ব্রয়লার মুরগি, আগস্ট ২০১৩। ছবি: বব নিকলস, ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
টেক্সাসের লুলিংয়ে ববি মরগানের খামারের শেডে পালিত ব্রয়লার মুরগি, আগস্ট ২০১৩। ছবি: বব নিকলস, ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

মাঠফসলে নতুনেরা পিছিয়ে


মাঠফসলে চিত্র উল্টো। সম্পূর্ণ নতুন খামারের মাত্র ১২ শতাংশ মূলত মাঠফসল উৎপাদক ছিল, যেখানে বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে এই হার ১৯ শতাংশ ও প্রতিষ্ঠিত খামারে ২০ শতাংশ। ইআরএস বলছে, গত তিন দশকে খামারের একত্রীকরণ বৃদ্ধি এবং কৃষিজমির প্রাপ্যতায় পরিবর্তনের সঙ্গে এই ধারা সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আইওয়ার মন্টগোমারি কাউন্টিতে ভুট্টা কাটা চলছে। ছবি: টিম ম্যাককেব, ইউএসডিএ এনআরসিএস / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
আইওয়ার মন্টগোমারি কাউন্টিতে ভুট্টা কাটা চলছে। ছবি: টিম ম্যাককেব, ইউএসডিএ এনআরসিএস / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

নতুন কৃষকদের খামার নিয়ে ইআরএসের প্রতিবেদন


চার্টটি নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত ইআরএসের প্রতিবেদন 'বিগিনিং ফার্মার অ্যান্ড র‍্যাঞ্চার অপারেশনস: ক্যারেক্টারিস্টিকস অ্যাসোসিয়েটেড উইথ বিজনেস সারভাইভাল' (ইআইবি-২৯৪) থেকে। ক্যাথরিন লেসি, নাইজেল কি, অ্যালিসন বাউম্যান, বেকা জাবলোনস্কি ও জোলিন হ্যাড্রিচের লেখা প্রতিবেদনটি জানায়, ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখের বেশি নতুন কৃষক ১৯ কোটি ৬০ লাখ একর জমিতে চাষ করতেন এবং তাদের মোট কৃষিপণ্য বিক্রি ছিল ১২২ বিলিয়ন ডলার। নতুন কৃষকেরা সাধারণত বয়সে তরুণ, কৃষিঋণ পাওয়ার জন্য তাদের গড় নিট সম্পদ কম এবং তাদের খামারও ছোট। সম্পূর্ণ নতুন খামারের ৫৮ শতাংশের আয়তন ছিল ৪৯ একর বা তার কম, যেখানে বহুপ্রজন্মের নতুন খামারে এই হার ৩৬ শতাংশ ও প্রতিষ্ঠিত খামারে ৩৮ শতাংশ।

শুধু নতুন কৃষকের খামারে ১০ বছর টিকে থাকার হার সমান আকারের মিশ্র অভিজ্ঞতার খামারের চেয়ে ২ থেকে ৩ শতাংশ পয়েন্ট কম ছিল। ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টিকে থাকা খামারগুলোর তুলনায় দেখা যায়, অর্গানিক, স্থানীয় খাদ্য, মূল্য সংযোজন ও কৃষি পর্যটনের মতো বিশেষায়িত বাজারে অংশগ্রহণ, শস্যবিমা, সরকারি কৃষি কর্মসূচিতে বেশি যুক্ততা এবং জমি কেনার বদলে ইজারা নেওয়া নতুন কৃষকদের খামার টিকে থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত।

নতুন কৃষকদের জন্য ইউএসডিএর কয়েকটি সংস্থার আলাদা সহায়তা আছে: ফার্ম সার্ভিস এজেন্সির লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ, রুরাল ডেভেলপমেন্টের অগ্রাধিকারভিত্তিক আর্থিক সহায়তা, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির শস্যবিমা সুবিধা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সেবার (এনআরসিএস) সংরক্ষণ চর্চার জন্য অগ্রিম অর্থ এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারের 'বিগিনিং ফার্মার অ্যান্ড র‍্যাঞ্চার ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম'-এর প্রশিক্ষণ অনুদান।

ছবি: প্রেস্টন কেরেস, ইউএসডিএ / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)। প্রধান ছবিতে নিউ মেক্সিকোর মেলরোজে সাইলেজের জন্য ভুট্টা চাষ করা নতুন কৃষক অ্যারন বেলচারের খামার, সেপ্টেম্বর ২০২২।

সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (চার্ট অব নোট), ইআরএস প্রতিবেদন ইআইবি-২৯৪ ও এর সারসংক্ষেপ, ইআরএস চার্ট অব নোট: ২০২২ সালের কৃষিশুমারি, ইআরএস পোলট্রি ও ডিম খাতের পরিচিতি

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

মাদারগঞ্জে ৬০ হেক্টরে আগাম শসা, দুই হাজার টন উৎপাদনের আশা

জামালপুরের মাদারগঞ্জে এবার প্রায় ৬০ হেক্টরে আগাম শসার আবাদ হয়েছে, উৎপাদন হতে পারে প্রায় দুই হাজার টন; পাইকারি বাজারে কেজি ৩০-৪০ টাকা, বিঘায় খরচ ১৫-২০ হাজার আর বিক্রি ৩০-৪০ হাজার টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাজবাড়ীর বাজিতপুরে দুই একরে চার হাজার ড্রাগন গাছ, দিনে উঠছে ৫০ মণ ফল

রাজবাড়ী সদরের বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজিতপুরে জেলার সবচেয়ে বড় ড্রাগন বাগানে গাছপ্রতি ১০-১২ কেজি ফল ধরেছে; ভরা মৌসুমে দিনে প্রায় দুই হাজার কেজি ফল উঠছে, পাইকারি দর কেজি ১৫০ টাকা।

ঢাকা মেইল১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

হরমুজ প্রণালী ও কানাডা-বাণিজ্যের ঝুঁকিতে চাপে নাইট্রোজেন, ফসফেট ও পটাশ সার

স্টোনএক্সের সার বিশ্লেষক জশ লিনভিল বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্নে ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ফসফেট ও সালফারের সরবরাহ ঝুঁকিতে; আর যুক্তরাষ্ট্রের পটাশ আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশ নির্ভর করে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর।

মিশিগান এজি টুডে১৫ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)