ব্রিটিশ কৃষি মানুষকে উদ্ধারে যতটা দক্ষ, উদ্ধারের প্রয়োজনই যেন না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে ততটা নয়, ফার্মার্স উইকলিতে নিজের নামে লেখা এক মতামত কলামে এমন যুক্তি দিয়েছেন এমি হিউজ (Amy Hughes)। লেখার মতামত লেখকের নিজস্ব।
ইয়র্কশায়ারের এক কৃষকের মেয়ে হিউজের প্রতিষ্ঠান এমপাওয়ারঅ্যাগ কৃষক ও গ্রামীণ পেশাজীবীদের পরিবর্তন, বিরোধ ও যোগাযোগের সমস্যা সামলাতে সাহায্য করে। তিনি দেখিয়েছেন, খাতটি কী কী কাজে অর্থ দেয় ও প্রশংসা করে: লাভজনক নয় এমন খামার টিকিয়ে রাখার ভর্তুকি, চরম সংকটে পৌঁছানো কৃষকের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা, আর জমির মালিক বা ক্রেতার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে পড়ার পর সালিশ। তাঁর ভাষায়, সবই আসে ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পর।
মানসিক স্বাস্থ্য প্রসঙ্গে তিনি মানেন, সংকটকালীন সহায়তা জীবন বাঁচিয়েছে; কিন্তু কাজের চাপ ও আত্মপরিচয় নিয়ে আগেভাগে কথা বলে কৃষককে সংকটে পৌঁছানো থেকে ঠেকানোর বিনিয়োগ তুলনায় অনেক কম, আর তাতে অংশ নেন আরও কম মানুষ।
অর্থের প্রশ্নে তিনি স্বীকার করেন, সমস্যার বড় অংশ খামারের বাইরে, সস্তা খাবারের ওপর গড়া সুপারমার্কেট আর সেটাতেই অভ্যস্ত ক্রেতার মধ্যে। তবু তাঁর যুক্তি, অর্থায়ন কেবল উপসর্গের চিকিৎসা করে, কারণ অন্যায্য বাজারের পাশাপাশি প্রায়ই থাকে কখনো না লেখা পরিকল্পনা, কেউ শুরু করতে না চাওয়া উত্তরাধিকারের আলোচনা, কিংবা ‘এখানে এটা চলবে না’ বলে পরিবর্তন এড়িয়ে যাওয়া। সালিশও আসে এমন ভাঙনের পর, যার শুরু কয়েক মাস আগে না হওয়া বা খারাপভাবে হওয়া কোনো আলোচনায়।
তাঁর মতে, এটি গাজর আর লাঠির সমস্যা: কর পরিবর্তন বা কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গেলে কৃষক সংগঠনগুলো জোরালো লড়াই করে, কিন্তু কৃষির নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়ে বিনিয়োগ করে অনেক কম। সংকট মোকাবিলায় অর্থ পাওয়া সহজ, কারণ কাকে বাঁচানো গেল তা দেখানো যায়; প্রতিরোধ খুব কমই খবর হয়।
বাজেট, মঞ্চ বা বার্ষিক সভায় ভোটের ক্ষমতা আছে এমন সবার কাছে তাঁর প্রশ্ন: উদ্ধারে যা খরচ হয়, সময়, সিদ্ধান্ত ও অর্থ মিলিয়ে, তার সামান্য অংশও যদি এমন দক্ষতা ও আলোচনায় দেওয়া যায়, যাতে কম মানুষকে উদ্ধার করতে হয়, তাহলে কেমন হতো?
এমি হিউজ এমপাওয়ারঅ্যাগ পরিচালনা করেন এবং ‘আউট অব দ্য রাট’ পডকাস্টের উপস্থাপক।
ছবি: Christine Johnstone / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)