পরিবেশশীতকালে পোষা পাখির যত্নে করণীয়
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান
পরিবেশমুহাম্মদ শফিকুর রহমান
ফসলউত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে ইরি-বোরোর বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। গত বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে। এরপর কয়েকদিন থেকে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইতে থাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এর ফলে ধানের বীজতলার ক্ষতি হচ্ছে।
পরিবেশঝালকাঠির বিস্তীর্ণ মাঠে যতদূর চোখ যায় সোনালি ধানের সমাহার। নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা চারপাশ। পাকা আমন ধানের ক্ষেতে নানা রঙের পাখিদের ওড়াউড়ি। পৌষের শীত ও কুয়াশা ভেদ করে ওঠা হালকা রোদ গায়ে মেখে পরম আনন্দে ধান কাটছেন কৃষক। একই সঙ্গে চলছে ধান মাড়াই, শুকানো ও ভাঙানোর কাজ। কৃষকের পাশাপাশি এ কাজে ব্য
পরিবেশসারাদেশে ঘন কুয়াশা পড়া শুরু হয়েছে। এ কুয়াশা আগামী শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এমতাবস্থায় কৃষকদের জন্য ধান গাছের বৃদ্ধির পর্যায়ে করণীয় নিয়ে পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
শাকসবজিদিনাজপুরে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষিতে। তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশায় ইরি-বোরো বীজতলার চারা হলুদ ও লালচে রঙ ধারণ করে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য আলুক্ষেত নেট দিয়ে এবং ইরি-বোরো ধানের বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন কৃষকরা।
মৎস্যঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বান্দিগড় ডেরকা পাড়ায় অবস্থিত ডেরকা পুকুর। আয়তন মাত্র শূন্য দশমিক ৮৩ একর। মূলত পুকুরটি ডেরকা মাছের জন্য বিখ্যাত। তবে এবারের শীতে পরিযায়ী পাখির বিচরণ ও কিচিরমিচির শব্দে মুগ্ধ করেছে গ্রামবাসীকে। আশপাশে বড় বড় পুকুর থাকলেও পরিযায়ী পাখিরা ডেরকা পুকুরকেই বেছে নিয়েছে
পরিবেশসবুজ দুর্বাঘাসে পা ফেলতেই শিশির বিন্দুকণার পরশ বুলিয়ে দেয়। ঠিক তখনই অনুভূতির ভাষায় শব্দ জমাট হয় এ যেন শীতের আগমন। তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস খ্যাত নারিকেলবাড়িয়ায় জলাশয়ে এ বার্তা নিয়ে এসেছে পরিযায়ী পাখিরা। বিকেল হতেই খুনসুটিতে মেতে উঠছে পরিযায়ী পাখির দল।
পরিবেশচারদিকে সবুজ চা বাগান। মাঝখানে স্বচ্ছ জলের কৃত্রিম লেক। লেকের পশ্চিম পাশে রয়েছে জলজ উদ্ভিদ আর ঝোপঝাড়। এখানে পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ পরিবেশ থাকায় সারাবছর পাখিরা থাকে নিশ্চিন্তে। শিকারির হাত থেকে রক্ষায় পাহারাদার নিয়োগ দিয়েছে বাগান কর্তৃপক্ষ।
পরিবেশশীত আসলেই দেশে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে। পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসেও এর ব্যতিক্রম ঘটে না।
শাকসবজিনানা রঙের, নানা জাতের দেশীয় পাখির সঙ্গে শীতকালে যোগ হয় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি। তীব্র শীত থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থেকে ছুটে আসে বাংলাদেশের জলাশয়গুলোতে। নির্দিষ্ট ৩-৪ মাস কাটিয়ে আবার তারা ফিরে যায়। শীতের সময়টা দেশের হাওর, বাওর আর জলাশয় মুখরিত থাকে পাখির কিচিরমিচিরে। এ পাখীদের মধ্যে অনিন
মৎস্যশীত এলেই আমাদের দেশের জলাশয়, বিল, হাওর, পুকুরে দেখা যায় নাম জানা অনেক পাখি। আমরা সেগুলোকে বলি অতিথি পাখি। অতিথি হলেও এরা আমাদের দেশে আসে নিজেদের জীবন বাঁচাতে।
পরিবেশএখন হেমন্তকাল। এরই মধ্যে শীতের আমেজ শুরু হয়ে গেছে সবখানে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। সকালবেলার ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে হাওরের জনপদ। শীতের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন তন্ময় আলমগীর-