ভিডিওব্ল্যাক রাইস চাষি মনজুর এলেন তে
ব্ল্যাক রাইস চাষি মনজুর এলেন চ্যানেল আইতে
ভিডিওব্ল্যাক রাইস চাষি মনজুর এলেন চ্যানেল আইতে
ভিডিওবাংলাদেশের নরসিংদী জেলার রায়পুরা থেকে ২০০২ সালে আমেরিকা পাড়ি জমান পারভীন মজুমদার ও তার পরিবার। তারপর ২০১৫ সাল থেকে ফিলাডেলফিয়ার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত পেনসিলভেনিয়ার মন্টগোমেরি কাউন্টির একটি জনবহুল এলাকা ল্যান্সডেলে ববসবাস করছে তারা। তখন থেকে নিজ বাড়ির আঙিনায় অনুশীলন করছেন আঙিনা কৃষির।
ভিডিওগোলাম মাওলা মানিক ও রেহানা মাওলা পলি দম্পত্তি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থেকে ১৯৮২ সালে আমেরিকা আসেন। ১৯৯৮ সাল থেকে বসবাস করছেন নিউইয়র্কের নিউবার্গ এলাকায়। তখন থেকে বাড়ির চারপাশে পড়ে থাকা জায়গায় শুরু করেছেন আঙিনা কৃষি চর্চা।
ভিডিওটেকসই ও লাভজনক কৃষিকাজে টানা ২০ বছর একই সাফল্য ধরে রেখেছেন টাংগাইলের চাষা আজিজ। বিভিন্ন ফল ফসলের ধারাবাহিকতায় এবার তার তিন একরের বাগানে সাফল্যে এগিয়ে আছে উচ্চমূল্যের কয়েক জাতের কুল। কাঙ্ক্ষিত লাভের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।
ভিডিওবাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ থেকে ২০০৭ সালে আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি আসেন ঋষীকেশ ও সীমা রানী সরকার। কিছুদিন পর সঙ্গে বাবা মাও প্রবাসী হন। মূলত বাবা হীরেন চন্দ্র সরকারের হাতেই সৃষ্টি হয় এই আঙিনা কৃষি। জনাব হীরেন চন্দ্র সরকার প্রবাসে এসে দেশের কৃষি কাজের অভ্যাসকে কাজে লাগাতে এবং সুস্থ থাকার ইচ্ছেয় গড়ে তোলেন আঙি
ভিডিওবাংলাদেশের ঢাকা খিলগাঁও থেকে ১৯৯৩ সালে আমেরিকার ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে আসেন আখতার হোসেন ও ফাহমিদা হোসেন শম্পা দম্পত্তি। এই ব্যবসায়ী দম্পত্তি নিজ দেশের ফল ফসল উৎপাদনের তাগিদে বাড়ির আঙিনায় গড়েছেন ফসলি আয়োজন।
ভিডিওবাংলাদেশের মানিকগঞ্জের আব্দুল কাদের বিশ্বাস ভাগ্য অনুসন্ধানে আমেরিকা পাড়ি জমান ২০১৩ সালে। তখন থেকে বসবাস করছেন পেনসিলভেনিয়াতে। এখানে নিজ বাড়ির আঙিনায় গড়েছেন দেশিয় ফল ফসলের উৎপাদনের এক ছোট্ট উদ্যোগ।উৎপাদিত ২৫ থেকে ২৮ রকমের ফসল দিয়ে এখন নিজেদের প্রয়োজন মিটছে। বাড়তি সবজি ও ফল পৌছে দিচ্ছেন প্রতিবেশিদের
ভিডিওবাংলাদেশের সিলেটের গোলাপগঞ্জের মতিউর রহমান ২০১২ সালে আমেরিকা যান। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে বসবাস করছেন। প্রথমে নিজ দেশের ফল ফসল প্রাপ্তির আকাক্সক্ষায় শুরু করেন আঙিনা কৃষি চর্চা। সেটিই এখন পরিণত হয়েছে দেশিয় ফল ফসল ও চারা উৎপাদনের এক ছোট্ট বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে।
ভিডিওবাংলাদেশের এ কে এম গোলাম কিবরিয়া ও আজমিরি সুলতানা নিজের ভাগ্য উন্নয়নে কানাডা পাড়ি জমান ২০০৭ সালে। ২০১৫ সাল থেকে তারা কানাডার অন্টারিওর স্কারবরোতে ডেনফোর্থ রোডে বসবাস করছেন। তখন থেকেই নিজ বাড়িটিকে তারা সাজিয়েছেন দেশিয় ফল ফসলের এক সবুজ বেষ্টনি দিয়ে। দেশের কৃষি ও সবুজের প্রতি ভালোবাসায় ছিল যার মুল লক্ষ
ভিডিও১৬ বিঘা জমিতে মাসকো সাকিব ক্রিকেট একাডেমি প্রায় ১৬ বিঘা জমির ওপর নির্মাণ হচ্ছে আধুনিক মাসকো সাকিব ক্রিকেট একাডেমি। পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান মাসকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ সবুর বলেন, 'সাকিবের আগ্রহের কারণেই আমরা এই একাডেমির কাজ শুরু করেছি। সাকিব আমাদের সঙ্গে থাকায় গর্বিত আমরা। দেশের সবচেয়ে উন্নত সুবিধা দি
ভিডিওকানাডার টরেন্টোর স্কারবোতে বসবাস করেন বাংলাদেশের ড. সাদেকুল ইসলাম ও রোকসানা বেগম ইভা দম্পত্তি। তারা ২০১০ সালে কানাডা আসার দু’বছর পর সুপ্রশস্ত রাস্তা সংলগ্ন দোতলা এই বাড়িটি কেনেন। তারই ব্যাক ইয়ার্ডে ফাঁকা জায়গা জুড়ে গড়েছেন আঙিনা কৃষি। দেশের ফল ফসলের প্রতি ভালোবাসা আর দেশের কৃষির সান্নিধ্যে থাকার ইচ্ছ
ভিডিওবাংলাদেশের ব্রাম্মনবাড়িয়ার নুরুল কাদের ও আসমা কাদের আমেরিকা পাড়ি জমান দুই দশক আগে। এখানে দীর্ঘদিন ভাড়া বাসায় থেকেও কৃষির প্রতি ছোটবেলার শখ মেটাতে বিভিন্ন সময় আঙিনাকৃষি চর্চা করেছেন। তারা দুই সন্তানসহ এখন স্থায়ী বসতি গড়েছেন নিউইয়র্ক শহরে। স্থায়ী বসত গড়ায় কৃষির এই আয়োজনটিও এখন বেশ সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। বি
ভিডিওকানাডার টরোন্টোতে ২০১৭ সালে বসতি গড়েছেন বাংলাদেশের সিলেটের বিয়ানিবাজার থেকে আসা খালেদ আহমেদ ও সাবিহা বেগম দম্পত্তি। যদিও তারা দু’জনে দুই সময়ে ২০০৬ সালে এবং ২০১২ সালে প্রবাসী হয়েছেন। তারপর নানা জায়গায় ঘুরে অবশেষে গত তিন বছর হলো এই বাড়িটিতে বসবাস করছেন। তখন থেকেই বাড়ির পেছনের আঙিনায় অনুশীলন করছেন দেশি