পরিবেশপরিযায়ী পাখির বিচরণস্থলের সরঞ্জাম হটিয়ে বালু উত্তোলন
নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদীর মধুবন এলাকায় পাখি কলোনির সরঞ্জাম সরিয়ে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।
পরিবেশনওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদীর মধুবন এলাকায় পাখি কলোনির সরঞ্জাম সরিয়ে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।
লাইভস্টকসবুজে ঘেরা, ছায়া সুনিবিড় গ্রাম খাগড়কুড়ি। এখন পাখি গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। একসময় পাখিরা অতিথি হলেও এখন তারা স্থায়ী বাসিন্দা। গত ৮-১০ বছর আগে থেকে পাখিদের বিচরণ শুরু হয়েছে। প্রতিবছর তাদের আসা-যাওয়া থাকলেও এবার তারা বাসা বেঁধে সংসার পেতেছে গাছে। ডিম পেড়ে বাচ্চা দিয়েছে। মনের সুখে নিশ্চিন্তে সংসার ক
পরিবেশএকসময় অনেক গাছ-পালা ও ঝোঁপ-ঝাড় ছিল। সেখানে বিভিন্ন পাখির আনাগোনা ছিল। তখন সকাল-সন্ধ্যা পাখিদের কিচির-মিচির শব্দে মুখরিত থাকতো চারিদিক। এখন জনবসতি বাড়ায় ক্রমেই কমছে ঝোঁপ-ঝাড়। এতে পাখিদের বিচরণও কমে যাচ্ছে।
পরিবেশপাখিটির নাম 'দেশি চাঁদিঠোঁট'। এর ইংরেজি নাম 'ইন্ডিয়ান সিলভারবিল (Indian Silverbill)'। বৈজ্ঞানিক নাম 'লঙ্কুরা মালাবারিকা' (Lonchura malabarica)। এরা 'ছোট মুনিয়া' নামেও পরিচিত।
৩ শতাংশ জমিতে সবজির পরিচর্যা, বীজ ও সার ক্রয়সহ এখন পর্যন্ত সৌরভের প্রায় ৩-৪ চারশত টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় লাভ অনেক বেশি
ভিডিও
ভিডিও