বাংলাদেশে অস্থিরতার জেরে ভারতে ইলিশের সংকট, দামে আগুন
কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে দেখা নেই ইলিশের। যা দুয়েকটা মিলছে, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এর ফলে কমে গেছে বেচাকেনা। তাতে যেমন বিক্রেতারা হতাশ, তেমনি মনখারাপ ক্রেতাদেরও।
কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে দেখা নেই ইলিশের। যা দুয়েকটা মিলছে, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এর ফলে কমে গেছে বেচাকেনা। তাতে যেমন বিক্রেতারা হতাশ, তেমনি মনখারাপ ক্রেতাদেরও।
মৌসুম শুরু হলেও কয়েকদিন ধরে ইলিশের বাজার মন্দা। তবে সম্প্রতি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে আমদানি বেড়েছে। এতে চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে সরগরম হয়ে উঠেছে ইলিশ বাজার। যদিও কারফিউয়ের প্রভাবে ক্রেতা সংকট চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট।
বর্ষার মৌসুমে বাজারে সহজলভ্য হয়ে ওঠে ইলিশ মাছ। তবে বাজারে গিয়ে ইলিশ কেনার সময় অনেকেই ঠকে যান। টাটকা ইলিশ কিনতে গিয়ে অনেকেই বাসি-পচা মাছ কিনে আনেন বেশি দাম দিয়ে।
সারাদেশের মতো ঝালকাঠিতেও প্রচণ্ড রোদ ও তাপপ্রবাহে ক্ষতি হয়েছে ফসল বা ফলের মুকুলের। অন্য কৃষিপণ্যের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলার আপেল খ্যাত পেয়ারাও। প্রতি বছরের চেয়ে এবার ফলন কম হলেও ন্যায্য দামের আশায় বুক বেঁধেছেন চাষিরা। এখনো পেয়ারা কুষিতেই আছে। পরিপক্ব হয়ে বাজারে আসতে আরও ১৫ দিন সময় লাগবে। ওই
নিত্যপণ্যের দাম যেন কোনোভাবেই বাগে আসছে না। একটার দাম কিছুটা কমছে তো বাড়ছে অন্যটার। এরই মধ্যে রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম ঠেকেছে একশ টাকায়। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা দরে। এছাড়া আলুর দাম উঠেছে ৬৫ টাকা প্রতিকেজি, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ৫ টাকা বেশি। কমেনি কাঁচা মরিচের ঝ
চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলায় টমেটোর বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ চাষিরা। গত কয়েকদিন দুই উপজেলারবাজারগুলোতে ১০-১২ টাকা কেজি দরে টমেটো বিক্রি করতে দেখা গেছে চাষিদের। তবে সেটারও পর্যাপ্ত ক্রেতা মিলছে না। এ অবস্থায় খরচ ওঠানোও কষ্টকর হয়ে পড়েছে চাষিদের জন্য। অথচ একই
দীর্ঘসময় চড়া থাকার পর বাজারে কিছুটা নিম্নমুখী গরুর মাংসের দাম। বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকায়, যা ৮০০ টাকা ছিল। গত রমজানের আগে কয়েক দফা বেড়ে মাংসের দাম ৬৫০ থেকে গিয়ে ঠেকে ৮০০ টাকায়।
বাজারে আপেলের কেজি ২০০ টাকা বা তার বেশি। সেই আপেলের দাম চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে উঠেছে কেজিপ্রতি ২০ টাকা। অথচ আপেলের সংরক্ষিত দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা কেজি।
দেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু। ফলে রোগীদের সেবায় বেড়েছে ফলের চাহিদা। আবার সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছে ডলারের। এ কারণে আমদানিতে খরচ বাড়ছে হু হু করে। বাড়তি চাহিদা আর আমদানির চড়া খরচ, দুয়ে মিলে প্রায় সব ফলই রেকর্ড গড়েছে দামে। ফলের চড়া দামে অসহায় সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলেও
এখন আর আমের জন্য মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। অসময়ের কাটিমন আমে ছেয়ে গেছে দিনাজপুরের বাজার। যা এক সময় কল্পনাও করা যেত না। আর এ আম উৎপাদন হচ্ছে এ জেলাতেই।
মধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দেড়মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। এখন মিলছে শুধু আম-কাঁঠাল। কাঁঠালও একেবারে শেষ দিকে। বাজারে মিলছেও কম। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে এখনো আমের সরবরাহ ভালো। আম্রপালি ও বারি জাতের কল্যাণে এখনো
চলতি মৌসুমে নাটোরে আমের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। এর ফলে আম বাগানে ব্যয় করা টাকা তোলা টাকা নিয়েই শঙ্কায় আছেন তারা।
বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ- এমন দাবি বিগত বেশ কয়েকবছর ধরেই করছে সরকার। এমনকি ধান উৎপাদনে প্রতি বছরই গড়ছে রেকর্ড। যদিও ধান উৎপাদনের হিসাবে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে রয়েছে বড় ফারাক। তবে ধান-চাল উৎপাদনে মিলছে লাগাতার সাফল্য। চলতি বছরের বোরো মৌসুমেও ধানের বাম্পার