ফলকৃষকের দুঃখ কেউ বুঝতে চায় না: খাদ্যমন্ত্রী
সবাই সস্তা খেতে চায়, কৃষকের দুঃখ কেউ বুঝতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
ফলসবাই সস্তা খেতে চায়, কৃষকের দুঃখ কেউ বুঝতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
পরিবেশচলতি বোরো মৌসুমে হাওরাঞ্চলসহ পুরো জেলায় বোরোর বাম্পার ফলন হলেও ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না চাষিরা। তাদের অভিযোগ উৎপাদিত ফসলের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে উৎপাদন খরচ মেলাতে পারছেন না তারা। সার, ডিজেল, বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। সরকার ধানের কেজি ৩০ টাকা নির্ধারণ করলেও তাতে তাদের
ফলমেহেরপুরের হিমসাগর আমের বিশ্বজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। গত ২৫ মে শুরু হয়েছে এ জাতের আম সংগ্রহ। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ বাগান মালিকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় এবার প্রায় ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ১০৪ কোটি টাকা।
ফলভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) আম উৎপাদনকারী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪০ জন খিরসাপাত আম চাষি।
ফলচুয়াডাঙ্গায় আনুষ্ঠানিকভাবে আম পাড়ার দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। আঁটি, গুটি ও বোম্বাইয়ের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে হিমসাগর আমও। কিন্তু গত মৌসুমের তুলনায় দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। জাত ভেদে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আমের দাম ৯-৩৫ টাকা পড়ছে। দাম এমন থাকলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
ফললিচুর জন্য বিখ্যাত দিনাজপুর। দেশের সেরা লিচু উৎপন্ন হয় এ জেলায়। তবে লিচুর রাজ্যে এবার আমেরও বাম্পার ফলন হয়েছে। গাছে গাছে ঝুলছে সবুজ আম। এবার জেলায় প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকার আম বিক্রির আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিবেশনারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। নতুন ধান ঘরে তুলতে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ফলন ভালো হলেও শ্রমিক সংকট এবং অধিক মজুরির কারণে ধান তোলা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। এতে কৃষকের হাসি অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।
ফলঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রথমবারের মতো সুস্বাদু গোবিন্দভোগ জাতের আম ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে যাচ্ছে।
ফলধান ও ডাল চাষের জন্য বিখ্যাত পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ অঞ্চলের কৃষকরা এখন ফল চাষেও সমৃদ্ধি অর্জন করছে। প্রতি বছর এ জেলায় উন্নত জাতের আম চাষের পরিধি বাড়ছে।
পরিবেশএবছরের বোরো মৌসুম ছিল কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ খরচের বছর। সেচযন্ত্রের জ্বালানি ডিজেল ও বিদ্যুতের দাম রেকর্ড পর্যায়ে। খরার কারণে সেচও লেগেছে অনেক বেশি। একই সঙ্গে বেড়েছে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি। অথচ সীমাহীন খরচের এই মৌসুম শেষে ধানের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না কৃষক। উৎপাদন খরচই উঠছে না বলে দাবি তাদের।
ফলআমকে ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত দুইমাস ধরে বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। তবে সম্প্রতি সুমিষ্ট আমকে বিষমুক্ত ও রপ্তানিযোগ্য করে তুলতে ফ্রুট ব্যাগ (আম ঢেকে রাখার এক ধরনের পোশাক) ব্যবহার করছেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলছে, ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে বালাইনাশক ব্যবহার ছাড়াই শতভাগ রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণমুক্ত আম পাওয
ফসলফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রায় ৩০ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে দিয়ে বর্গাচাষির পাশে দাঁড়ালেন এক কৃষকলীগ নেতা। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ জামাল হোসেন মুন্না এ উদ্যোগ নেন।
এগ্রোটেকনাটোরের সিংড়ায় বোরো ধানের ফলন বাড়ানোর জন্য সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন কৃষকরা। আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে ট্রেতে চারা উৎপাদনের ফলে খরচও কম হয়। এদিকে শ্রমিক সংকট নিরসন ও সময় সাশ্রয় হওয়ায় এ পদ্ধতিতে চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। শুধু তাই নয়, এ পদ্ধতিতে বিঘায় প্রায় ৩৩ মণ ধান উৎপাদন হয়। উপজেলা কৃষি অধিদপ