সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ফলন ভালো হলেও আমের দামে হতাশ মেহেরপুরের চাষিরা

মেহেরপুরের হিমসাগর আমের বিশ্বজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। গত ২৫ মে শুরু হয়েছে এ জাতের আম সংগ্রহ। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ বাগান মালিকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় এবার প্রায় ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ১০৪ কোটি টাকা।

ফল

মেহেরপুরের হিমসাগর আমের বিশ্বজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। গত ২৫ মে শুরু হয়েছে এ জাতের আম সংগ্রহ। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ বাগান মালিকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় এবার প্রায় ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ১০৪ কোটি টাকা।

কথা বলে জানা গেলো, আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে প্রথমে সাতক্ষীরা এরপর পর্যায়ক্রমে মেহেরপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর আম বাজারে আসার কথা। কিন্তু এবার ঘটেছে ব্যতিক্রম ঘটনা। চলতি বছর একই সময়ে সব জেলার আমে বাজার সয়লাব। এতে কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। সেইসঙ্গে রয়েছে কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির ঘড়গ। এ অবস্থায় মেহেরপুরের আম চাষিরা লোকসানের ভয়ে রয়েছেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের আম বাগান মালিক ফয়জুল করিম বলেন, আমার পাঁচ বিঘা জমিতে হিমসাগর আমের বাগান আছে। মেহেরপুরের হিমসাগর আমের চাহিদা অন্য আমের চেয়ে বেশি। এবছর তেমন ঝড়-ঝাপটা না হওয়ায় আমের ফলন যেমন ভালো হয়েছে। এ আম দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হয়। তবে চলতি বছর বিভিন্ন জেলার আম একই সময়ে বাজারজাত হওয়ায় দামে হতাশ আমরা।

একই গ্রামের আরেক আম বাগানি ইন্তাজ আলী বলেন, এবছর আমের ফলন ভালো হয়েছে। আম বাজারজাত করার জন্য প্রস্তুত। তবে আমের বাজার মূল্য ভালো না। আমের ন্যায্য মূল্য না পেলে লোকসান গুনতে হবে আমাদের মতো চাষিদের।

বিশ্ব বাজারে মেহেরপুরের আমের বাজার তৈরি করে চাষিদের আম চাষে উৎসাহী করার জন্য কৃষি বিভাগের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

আরেক আম চাষি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মৌসুমের শুরুতেই রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা এ জেলায় ভিড় জমান। তবে এবছর সব জেলার আম একই সময়ে বাজারজাত হওয়ায় আম ব্যবসায়ীরা মেহেরপুরে কম এসেছেন। তাই লোকসানের মুখে আম চাষিরা।

ক্ষতি পোষাতে সরকারিভাবে আম রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

মাদারীপুর থেকে আম কিনতে আসা ব্যবসায়ী মকলেচুর রহমান বলেন, অনেকেই জানেন মেহেরপুরের আম মানেই বিষ ও কেমিক্যাল মুক্ত। মেহেরপুরের আমের কথা শুনলে অন্য জেলার আমের আগেই মেহেরপুরের আম আগে বিক্রি হয়ে যায়। আমি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় আম পাঠিয়ে ব্যবসা করি।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শংকর কুমার মজুমদার বলেন, জেলায় অন্য বছরের তুলনায় এবছর আমের অনেক ভালো ফলন হয়েছে। জেলায় ২ হাজার ৩৪০ হেক্টর আম বাগানে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, বিশেষ করে জেলার হিমসাগর আমের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিমসাগর আম ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশে এবারও রপ্তানির সম্ভাবনা আছে। সে লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল ভার্জিনিয়াটেক, গ্লোবাল ট্রেড লিংক, গ্রিনগ্লোবাল, বিএইচ ট্রেডার ও নাফিজা এন্টারপ্রাইজসহ বেশ কয়েকটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আম কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এরইমধ্যে বেশকয়েকটি আম বাগান তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। গতবছরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হিমসাগর আম রপ্তানি করেছিল।

এমআরআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()