এগ্রোবিজনিবন্ধন জালিয়াতি করে কীটনাশক বিক্রির অভিযোগ
কীটনাশকের মান নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। নিম্নমানের কীটনাশক আমদানি ও বাজারজাত, নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও পণ্য বিক্রি এবং ভেজাল মেশানোর মতো ঘটনা প্রায়ই সামনে আসে।
এগ্রোবিজকীটনাশকের মান নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়। নিম্নমানের কীটনাশক আমদানি ও বাজারজাত, নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও পণ্য বিক্রি এবং ভেজাল মেশানোর মতো ঘটনা প্রায়ই সামনে আসে।
ফসলঢাকার অদূরে সাভারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ পরিদর্শন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) একটি প্রতিনিধিদল।
এগ্রোটেকএকটি ক্ষুদ্র টিস্যু থেকেই জন্ম নিচ্ছে হাজার হাজার রোগমুক্ত চারা। আধুনিক টিস্যু কালচার প্রযুক্তির কল্যাণে দেশের কৃষিখাতে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন এক সম্ভাবনা। আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে ফুল, ফল ও উদ্যান ফসলের চারা এখন দেশেই উৎপাদন করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) গবেষকরা।
ফলকয়েক বছর আগেও দেশের আমের সেরা জাত ছিল ফজলি, হিমসাগর, ল্যাংড়া কিংবা গোপালভোগ। সব হিসাব ওলট-পালট করে সেরার জায়গা দখল করেছে এখন আম্রপালি। জাতটি এখন আবাদ, রপ্তানি ও জনপ্রিয়তায় শীর্ষে।
ফলদেশে এখন প্রায় তিন ডজন প্রজাতির বিদেশি ফল চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে ডজনখানেক ফল চাষাবাদে এসেছে বাণিজ্যিক সফলতা। সবচেয়ে এগিয়ে আছে মাল্টা ও ড্রাগন। এরই মধ্যে ড্রাগন ফল ইউরোপের দেশ সুইডেনে রপ্তানিও হয়েছে।
ফলদেশে এখন ফল চাষ হয় অন্তত ৭৮ প্রজাতির। দেশে মোট উৎপাদিত ফলের প্রায় অর্ধেক দখল করে আছে আম, কলা ও কাঁঠাল। গত কয়েক বছরে তরমুজ, পেঁপে, পেয়ারা, লিচু, আনারস, বরই ও ড্রাগন ফলের উৎপাদন বাড়লেও তা এই তিন ফলকে ছাড়াতে পারেনি।
ফলদেশের বাজারে এক যুগ আগেও ড্রাগন, স্ট্রবেরি, রামবুটান কিংবা অ্যাভোকাডোর দেখা মিলতো কালেভদ্রে। পাওয়া গেলেও দাম ছিল সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। দেশে চাষ হওয়ায় এখন সহজলভ্য ও দাম কম। জনপ্রিয়তাও বাড়ছে।
ফসলআমন ও বোরো ধানের দুই মৌসুমের মধ্যবর্তী সময় অল্প। পতিত থাকতো অধিকাংশ জমি। এখন দুই ফসলের মধ্যবর্তী সময়ে দেশজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সরিষার চাষাবাদ। বিষয়টি মাথায় রেখেই স্বল্পমেয়াদি সরিষার জাত উদ্ভাবনের চেষ্টা করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। যার নতুন দিশা বারি সরিষা-২০।
শাকসবজিপেঁয়াজ উৎপাদনে এবার বাজিমাত করেছে বাংলাদেশ। নিজেদের উৎপাদিত পেঁয়াজে চাহিদা মিটিয়ে শেষ হচ্ছে মৌসুম। আমদানি হয়নি বললেই চলে। ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকও ঝুঁকছেন উৎপাদনে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে না পেরে দিশাহারা ভারতীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
ফলদেশে এখন বছরে দেড় কোটি টন ফল উৎপাদন হচ্ছে, যা এক যুগ আগেও ছিল এক কোটি টন। ফলের বাণিজ্যিক উৎপাদন বাড়ায় টেকসই ও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি এসেছে। এই সময়ে আম, জাম, লিচু, কলা ও আনারসসহ কয়েকটি ফলের উৎপাদন বেড়েছে, কমেছে কাঁঠাল ও নারিকেলের।
এগ্রোটেককৃষিকাজে শ্রমিকরা আগ্রহ হারালেও দেশে ক্রমান্বয়ে খাদ্যের উৎপাদন বাড়ছে। আর এ বাড়বাড়ন্ত উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় জনপ্রিয় হচ্ছে ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, রিপার ও কম্বাইন হারভেস্টারের মতো বড় বড় কৃষি যন্ত্রপাতি।
এগ্রোটেকএকসময় নদীভাঙনে নিঃস্ব হয়ে চুয়াডাঙ্গায় এসে দিনমজুরি করতেন। ছিল না মাথা গোঁজার ঠাঁই। সেই মানুষটিই আজ দেশীয় কৃষিযন্ত্র উৎপাদনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন রোলমডেল হিসেবে। তার প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি। এরইমধ্যে জিম্বাবুয়ে, নেপাল, ভুটানসহ বেশ কয়েকটি দেশে তার কারখানা
ফসলমেহেরপুর সদরে কৃষকদের কৃষি প্রদর্শনী প্লটের অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। কৃষকদের প্রকৃত বরাদ্দের পরিমাণ না জানিয়ে নামমাত্র সহযোগিতায় দেখানো হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়ন। প্রদর্শনী প্লটে কৃষি অফিস থেকে পাওয়া সার-বিষ ও অর্থ দিয়ে খরচের সামান্য অংশ পূরণ করা হয়েছে ব