ধানের দামে কৃষকের মাথায় হাত
ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় আমন ধান কাটা শুরু করেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই আনন্দে ভাটা পড়েছে ধানের দামে। বাজারে ধানের যে দাম তাতে লাভতো দূরের কথা, উৎপাদন খরচই উঠছে না। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় আমন ধান কাটা শুরু করেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই আনন্দে ভাটা পড়েছে ধানের দামে। বাজারে ধানের যে দাম তাতে লাভতো দূরের কথা, উৎপাদন খরচই উঠছে না। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
ডেঙ্গুর প্রকোপে পাকা পেঁপের চাহিদা বেড়েছে। রাজধানীতে স্থানভেদে দেশি জাতের এ পেঁপের কেজি ৮০-১০০ টাকার মধ্যে। তবে ভিন্নচিত্র রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে। সেখানে পেঁপের কেজি হাঁকা হচ্ছে ১৫০ টাকা। দর-দামে ৫-১০ টাকা কম রাখলেও ১৪০ এর নিচে নামছেন না বিক্রেতারা। দাম বেশি হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন
বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ- এমন দাবি বিগত বেশ কয়েকবছর ধরেই করছে সরকার। এমনকি ধান উৎপাদনে প্রতি বছরই গড়ছে রেকর্ড। যদিও ধান উৎপাদনের হিসাবে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে রয়েছে বড় ফারাক। তবে ধান-চাল উৎপাদনে মিলছে লাগাতার সাফল্য। চলতি বছরের বোরো মৌসুমেও ধানের বাম্পার
নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতার শেষ নেই। আজ এ পণ্যের দাম বাড়ে, তো কাল আরেক পণ্য। এবছর অস্থির পণ্যের তালিকায় এসেছে সচরাচর স্থিতিশীল থাকা পণ্য আলুও। এখন অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে পণ্যটি।
কাঁচাবাজারে আগুন- এ কথা লিখতে চাই না। কারণ, ওই আগুনে বাড়িঘর পোড়ে না, কিন্তু মানুষের পকেট পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। শূন্য হয়ে যায় তাদের নিত্যদিনের তহফিল।
যেসব অসাধু ব্যবসায়ী ব্রয়লার মুরগির বাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। অন্যথায় সারাদেশে মানববন্ধন এবং প্রতিবাদ সভা করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।
রমজান শুরুর আগ মুহূর্তে ব্রয়লার মুরগির বাজারে আগুন লাগলেও স্বস্তি ফিরতে বেশি সময় লাগেনি। গত এক সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে কমছে ব্রয়লারের দাম। গত তিনদিনে এ দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। তবে এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে ডিমের দামে। বাজারে গত তিনদিনে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে
সারাদেশের মতো রংপুরেও মুরগির বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। সেইসঙ্গে বেড়েছে ডিমের দামও। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের লোকজন।
বাজারে যে দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে তা অযৌক্তিক বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, এখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন খরচ করপোরেট প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। আর প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে খরচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর বাজারে তা ২০০ টাকা কেজির বেশি বিক্
দ্রব্যমূল্য বাড়ছেই। রমজান মাস সামনে রেখেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না। সাধারণ ব্যবসায়ীরা মনে করেন, একশ্রেণির অসাধু চক্র বা বাজার সিন্ডিকেট এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বারবারই বলছে, রমজানে সব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। দেশে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। নিয়মিত বাজা
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে মুরগির দাম। ধনেপাতা, ফুলকপি ও মটরশুঁটিসহ কিছু সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী। তবে কমেছে রসুন ও সজনে ডাঁটার দাম। মাছ, চাল, ডাল ও তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। সেইসঙ্গে বেড়েছে পাকিস্তানি মুরগিসহ কিছু সবজির দাম। এছাড়া মাছ-মাংস ও ডিমসহ চাল, ডাল ও তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
কয়েকদিন ধরেই অস্থির হয়ে উঠেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে ডিমের দাম হালিতে বেড়েছে ১০ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। এখন প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, ডজন দেড়শ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগি বাজারভেদে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে