ফলথাইল্যান্ডবাসীরা ভাতের চেয়ে ফল খায় বেশি
এম মাঈন উদ্দিন, থাইল্যান্ড থেকে
ফলএম মাঈন উদ্দিন, থাইল্যান্ড থেকে
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে দেড়মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। এখন মিলছে শুধু আম-কাঁঠাল। কাঁঠালও একেবারে শেষ দিকে। বাজারে মিলছেও কম। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে এখনো আমের সরবরাহ ভালো। আম্রপালি ও বারি জাতের কল্যাণে এখনো
মৎস্যখুলনায় সবজি বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। তবে নদ-নদী ও সাগর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠলেও এখনো বাড়েনি মাছের আমদানি। ফলে মাছের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী দাম কমার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। মুরগির দাম আগের মতোই স্থিতিশীল।
ফলদেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। আর এই জেলার আমের সুনাম রয়েছে দেশজুড়েই। তবে এবার ঘটছে ভিন্ন ঘটনা। এই খ্যাতি কাজে লাগিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার আম নিয়ে এসে এই বাজারে বিক্রি করছেন বেশ কিছু ব্যবসায়ী। আর এসব আম কিনে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ফলজেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা সাপাহারে গড়ে উঠেছে আমের বৃহৎ বাজার। দিনে দিনে জমজমাট হয়ে উঠেছে এ বাজারটি। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আম কিনতে আসছেন। এ হাটে প্রতিদিন ২৫ কোটি টাকার আম বেচাকেনা হচ্ছে। তবে উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় ন্যায্যদাম না পেয়ে ক্ষুব্ধ চাষিরা।
এগ্রোবিজযানজটে নাকাল বগুড়ার প্রাণকেন্দ্র সাত মাথায় বসবাসকারীরা। প্রতিদিন ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সড়ক দখল করে চলে ফল বেচাকেনা। দুই বছর আগে যানজট কমাতে শহরের অদূরে তিনমাথা এলাকায় চার কোটি টাকায় একটি মার্কেট নির্মাণ করা হয়। তবে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ বলছে, নতুন মার্কেটে পাইকারিভাবে ফল বিক্রি কম হবে। এ কারণে তা
লাইভস্টকনাটোরে কোরবানির জন্য বিভিন্ন খামারে পাঁচ লাখ ২০ হাজার ২৩৮ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যদিও জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে দুই লাখ ৫১ হাজার ২টি পশুর। বাকি পশুগুলো রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলায় বিক্রির জন্য নেওয়া হচ্ছে।
লাইভস্টককোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যস্ততা বাড়ছে নওগাঁর খামারিদের। পশুর হাটে বেচাকেনার ধুম পড়েছে। ক্রেতার তুলনায় হাটে পশু সরবরাহ বেশি থাকায় দাম তুলনামূলক কম। এতে লোকসানের আশঙ্কা খামারিদের।
ফলসবার জানা ৪০ কেজিতে হয় এক মণ। তবে সেই হিসাব পাল্টে দিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট আম বাজার। এখানে ৫২ থেকে ৫৪ কেজিতে এক মণ ধরে আম কিনছেন আড়তদাররা। এমনকি টাকা দেওয়ার সময়ও ৫০-২০০ টাকা পর্যন্ত কম দিচ্ছেন চাষিদের। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আম চাষিরা।
ফলআবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের ১০ দিন আগেই বাজারে আসছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙা আম। ২০ জুনের পরিবর্তে শনিবার (১০ জুন) থেকে আম পাড়া শুরু হবে।
ফলপাবনার ঈশ্বরদীর শিমুলতলা লিচুর হাটে বেচাকেনা জমে উঠেছে। প্রতিদিন এ হাটে এক থেকে দেড় কোটি টাকার লিচু বেচাকেনা হচ্ছে। লিচু চাষি, খুচরা ব্যবসায়ী, পাইকার, আড়তদারদের পদচারণায় মুখরিত এ হাট। প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শিমুলতলা সড়কের দুই পাশে প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে শুধু চোখে পড়বে লিচু আর লিচু।
ফলনওগাঁর সাপাহার বাজারে উঠতে শুরু করেছে জাতের ধরনের আম। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠতে শুরু করেছে এ বাজার।
ফলদেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। কয়েকদিন থেকে এই বাজারে আম বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে এখনো তা অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম। বাজারে এখন প্রকারভেদে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মণ দরে আম বিক্রি হচ্ছে।