হৃদয়ে মাটি ও মানুষশূন্য থেকে সাফল্যের পথে এক নারীর গল্প
কক্সবাজারের সফল কৃষি উদ্যোক্তা
শাইখ সিরাজ বাংলাদেশের কৃষি সাংবাদিক ও টেলিভিশন উপস্থাপক, চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বার্তাপ্রধান। ১৯৮২ সাল থেকে তিনি টেলিভিশনে কৃষির অনুষ্ঠান করছেন: বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘মাটি ও মানুষ’, ২০০৪ সাল থেকে চ্যানেল আইয়ে ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’। তিনি একুশে পদক (১৯৯৫), জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এ এইচ বোরমা পুরস্কার (২০০৮-০৯) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৮) পেয়েছেন। দা এগ্রো নিউজ তাঁর অনুষ্ঠান, প্রতিবেদন ও লেখা তাঁর নামেই প্রকাশ করে। · ২২৬৮টি প্রতিবেদন
হৃদয়ে মাটি ও মানুষকক্সবাজারের সফল কৃষি উদ্যোক্তা
দেশের দক্ষিণাঞ্চলে মাংস রান্নার ঐতিহ্যবাহী উপকরণ চুইঝাল। মসলাজাতীয় এই পণ্য রাজধানীসহ সারাদেশে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চাহিদা বাড়ায় চুইঝালের বাণিজ্যিক চাষে যুক্ত হচ্ছেন অনেক উদ্যোক্তা। যশোর জেলার মনিরামপুরের ইফেতেখার সেলিম অগ্নি তাদেরই একজন। চুইঝাল উৎপাদন এবং এটিকে জনপ্রিয় করতে নিয়েছেন নান
বিষমুক্ত ফল, সবজি আর বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের খোঁজে ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান মাসুদ। ফ্ল্যাট বাসায় বসবাসের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে কৃষিচর্চায় নিয়োজিত থেকে নানাভাবে উপকৃত হচ্ছেন তিনি। তবে নার্সারি থেকে বিভিন্ন উদ্ভিদের চারা সংগ্রহ নিয়ে সংশয় রয়েছে তার।
ছাদকৃষিঢাকার মধুবাগের দশতলা ভবনের ছাদে তরুণ উদ্যোক্তা সাকিব হোসেনের কবুতরের রাজ্য। ছোটবেলার শখ থেকে শুরু করে করোনাকালে এটি পেয়েছে বাণিজ্যিক রূপ। তার সংগ্রহে রয়েছে রেসের কবুতর, গিরিবাজ ও হোমার জাতের কবুতর, যাদের মূল্য হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া ফলজ ও সবজি চাষের পাশাপাশি এখানে সৌখিন মোরগও পালন করা হয়। ত
হৃদয়ে মাটি ও মানুষশরীয়তপুরের আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ে ড্রাগন ফলের বাগান তৈরি করেছেন জহিরুল ইসলাম। অমৌসুমেও ড্রাগন ফল উৎপাদনের লক্ষ্যে তার বাগানে যুক্ত করেছেন ৭০০ এলইডি লাইট। তার এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ শুধু তার নিজস্ব সাফল্যের গল্প নয়, বরং আশেপাশের কৃষকদের জন্যও অনুপ্রেরণা। ড্রাগন ফল চাষে হস্ত পরাগায়ন, এলইডি প্রযুক্তি এবং বাজ
দেশে দিন দিন বাড়ছে ভোজ্যতেলের চাহিদা। প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় বাড়ছে আমদানি ব্যয়। আমদানি ব্যয় কমানোর তাগিদ থেকে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর এইচ এম তারিক হোসেন গবেষণার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈলবীজ গোল্ডেন পেরিলা চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করেছেন। ফলে দেশে তৈলবীজ হিসেবে
নগরজীবনের চার দেয়ালের মাঝে থেকে নিরাপদ খাদ্য আর সুস্থ থাকা নিশ্চিত করতে অনেকেই উদ্যোগী হয়েছেন ভবনের ছাদে ছাদকৃষি গড়তে। তাদের একজন ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর মাসুদা আক্তার। তবে তিনি বলেছেন, ছাদকৃষি চর্চা করতে গিয়ে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ছাদকৃষিশহরের বিস্তৃত ভবনগুলোতে সবুজের অভাব পূরণে ছাদকৃষির গুরুত্ব প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ঢাকার মধুবাগের আব্দুর রাজ্জাক করোনাকালে এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করে সবাইকে প্রেরণা জুগিয়েছেন। অন্যদিকে, আমেরিকার ভার্জিনিয়ায় প্রবাসী বাঙালি আলাউদ্দিন তার আঙিনায় তৈরি করেছেন এক টুকরো গ্রামীণ বাংলাদেশ। শহরের নাগরিক কিংবা প্রবাসে ব
সংসারের স্বচ্ছলতা আনতে গরুর খামার গড়েছিলেন কক্সবাজারের নারী উদ্যোক্তা কাউছার জাহান জেসমিন। খামারে উৎপাদিত দুধের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় শুরু করেন দুধ থেকে দই, ঘি, মিষ্টান্নসহ নানা খাদ্য উপকরণ তৈরির কাজ। গড়ে তোলেন দুগ্ধজাত পণ্যের কুটিরশিল্প।
সৌখিন উদ্যোক্তাদের হাত ধরে দেশে কবুতর পালন বাড়ছে। বাহারি কবুতর লালন-পালনের পাশাপাশি ক্লাবভিত্তিক রেসের জন্য এখন অনেকেই দেশি-বিদেশি বিচিত্র কবুতরের খামার গড়ে তুলেছেন। ঢাকার মধুবাগে সাকিব হোসেন তার বাসভবনের ছাদটিতে গড়েছেন সৌখিন কবুতরের খামার।
ভিডিওশহরের ইংরেজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা মাটির টানে পৌঁছে গেল মুন্সিগঞ্জের পূর্বশিলমন্দী গ্রামের কৃষকের বাড়িতে। জীবনের প্রথমবার তারা শিখলো কীভাবে আলু রোপণ করতে হয়। কৃষকের সঙ্গে তাদের এই নতুন অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র শিক্ষণীয় নয়, বরং ভবিষ্যতে কৃষির প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে।
ছাদকৃষিশহুরে জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও প্রাকৃতিক সবুজে নিজেকে ডুবিয়ে রাখতে মুন্সিগঞ্জের প্রফেসর ডা. শফিকুর রহমান তার বাসার ছাদে গড়ে তুলেছেন এক ছোট্ট কৃষি স্বর্গ। দেওভোগের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ছাদে মৌসুমি ফল, শাকসবজি, আর সৌন্দর্যের সংমিশ্রণে তৈরি করেছেন ছাদকৃষির এক অনন্য উদাহরণ। পরিবারের সবাই মিলে বিশুদ্ধ খাদ
এলইডি লাইটের প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক উদ্যোক্তাই সফল হচ্ছেন অমৌসুমে ড্রাগন ফলের ফলন বাড়াতে। শরীয়তপুরের জহিরুল ইসলাম তার ড্রাগন বাগানের একটি অংশে এলইডি লাইট লাগিয়ে সুফল পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তির সফল ব্যবহারই নিশ্চিত করতে পারে নিরাপদ উপায়ে অধিক ফলন।