হৃদয়ে মাটি ও মানুষবান্দরবানের লামায় পাহাড়ে কামাল আহমেদের ১২৫ বিঘা জমিতে ফল বাগান
বান্দরবানের লামায় পাহাড়ে কামাল আহমেদের ১২৫ বিঘা জমিতে ফল বাগ্যন
হৃদয়ে মাটি ও মানুষবান্দরবানের লামায় পাহাড়ে কামাল আহমেদের ১২৫ বিঘা জমিতে ফল বাগ্যন
ফলগত দুই দশকে দেশের পার্বত্য অঞ্চলে বেড়েছে ফলের চাষ। শরীয়তপুরের ব্যবসায়ী কামাল আহমেদ বান্দরবানের পাহাড়ে জমি লিজ নিয়ে গড়েছেন মিশ্র ফলের বাগান। এ বছর কমলার ভালো ফলনে বেশ আশাবাদী তিনি। বলেছেন, পাহাড়ের ফল পাল্টে দিতে পারে ওই অঞ্চলের অর্থনীতির হিসাবনিকাশ।
ছাদকৃষিকক্সবাজারের উত্তর রুমালিয়ারছড়ার তরুণ রাসেল উদ্দিন তার পাঁচতলা ভবনের ছাদে গড়ে তুলেছেন একটি দৃষ্টিনন্দন ছাদকৃষি। ব্যবসার ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন দুই ঘণ্টা সময় দিয়ে তিনি নিজের কৃষি শখকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। রাসেলের ছাদজুড়ে রয়েছে রকমারি সবজি, ফল এবং জৈব কৃষির চর্চা। প্যাশন ফলের মতো স্বাস্থ্যসম্মত ফল থ
শাকসবজিনয় বছর আগে রংপুরের মিঠাপুকুরে একদল শিক্ষিত তরুণ কৃষকের ফসল ফলানোর সময় বাঁচাতে এবং ভালো ফলনের নিশ্চয়তা দিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আধুনিক নার্সারি। গুণগত মান বজায় রাখায় দেশের সর্ব অঞ্চলের কৃষকের কাছে নার্সারিতে উৎপাদিত চারার চাহিদা বেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সেই নার্সারি সম্প্রসারিত হয়েছে বহুগুণে।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষশূন্য থেকে কোটি টাকার পোল্ট্রি খামার: শরীয়তপুরের ফাতেমার গল্প
ছাদকৃষিপর্যটন শহর কক্সবাজারে দিনে দিনে নির্মিত হচ্ছে নতুন নতুন আবাসন, হোটেল-মোটেল আর অবকাঠামো। এতে বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের পাড়ে অবস্থিত শহরটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতি। যা সুরক্ষায় কিছু নাগরিক উদ্যোগ নিচ্ছেন ছাদকৃষির। এতে পূরণ হচ্ছে পরিবারের খাদ্য চাহিদাও।
ছাদকৃষিরংপুরের কামালকাঁচনা পাড়ার কামরুল আহসান বিপ্লব তার একতলা বাড়ির ২,১০০ বর্গফুট ছাদকে রূপান্তরিত করেছেন এক সবুজ কৃষিক্ষেত্রে। চার বছর ধরে তিনি গণমাধ্যমে দেখে পাওয়া অনুপ্রেরণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তার ছাদকৃষি শুধু সবজি ও ফসল উৎপাদনে নয়, বরং জৈব পদ্ধতিতে কৃষির নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। ছাদকৃষিতে রোগবা
লাইভস্টকপোল্ট্রিখাতে বিনিয়োগে শূন্য থেকে শুরু করে কোটি টাকার বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন শরীয়তপুরের গৃহিনী ফাতেমা বেগম। তিনি বলছেন, কাজের প্রতি একাগ্রতা, সততা এবং সুপরিকল্পনা থাকলে কৃষির যে কোন খাত থেকেই আয় করা সম্ভব।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষবস্তা পদ্ধতিকে আদা চাষ সাফল্য
ছাদকৃষিসারাদেশের মতো রংপুর বিভাগীয় শহরেও দ্রুত বাড়ছে ছাদকৃষি। একজনের দেখাদেখি অনুপ্রাণিত হয়ে ঘরোয়া ফসল উৎপাদনে যুক্ত হচ্ছেন আরেকজন। তবে নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে ফসলের রোগবালাই প্রতিরোধ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা বলছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজন প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির নানা কার্যক্রম।
ছাদকৃষিমিরপুরের লাকী রহমান ছাদকৃষির মাধ্যমে বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করছেন। একসময় শখের বশে শুরু করা সবুজায়ন এখন তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অল্প জায়গায় পরিকল্পিত এই ছাদকৃষিতে তিনি ফল, সবজি, আর অরগানিক ফসল উৎপাদন করছেন, যা তার পরিবারের খাদ্য চাহিদার বড় অংশই পূরণ করছে। এই উদ্যোগ শুধু তার নিজের নয়, বরং পরিবেশের জ
শাকসবজিদেশের চাহিদা পূরণে প্রতি বছর প্রায় এক থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন আদা আমদানি করতে হয়। অথচ খুব সহজে আদা চাষ করে লাভবান হওয়া যায়, কমানো যায় আমদানি নির্ভরতা। দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও ব্যাপক আকারে আদার চাষ সম্প্রসারিত হলে নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও রপ্তানির সু
ছাদকৃষিনিজ ভবনে সবুজের সন্নিবেশ ঘটানোর পাশাপাশি নিরাপদ ফসলের প্রত্যাশায় রাজধানীর মিরপুরে ছাদকৃষি গড়েছেন লাকী রহমান। তার কাছে ছাদকৃষির আয়োজনটি একাকীত্ম দূরীকরণেরও মূল জায়গা হয়ে উঠেছে।