সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে মালয়েশিয়ার ডুরিয়ান ফলের চাহিদা

চীন থেকে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র—বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে দ্রুত জনপ্রিয়তা বাড়ছে মালয়েশিয়ার ডুরিয়ান ফল। 'ফলের রাজা' হিসেবে পরিচিত এই ফলের বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির ডুরিয়ান রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ফল

চীন থেকে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র—বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে দ্রুত জনপ্রিয়তা বাড়ছে মালয়েশিয়ার ডুরিয়ান ফল। 'ফলের রাজা' হিসেবে পরিচিত এই ফলের বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির ডুরিয়ান রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

মালয়েশিয়ার কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তামন্ত্রী মোহাম্মদ সাবু জানিয়েছেন, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ইউরোপে দেশটির ডুরিয়ান রপ্তানি ১৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে উত্তর আমেরিকায় রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, নতুন রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং মালয়েশিয়ার উচ্চমানের ডুরিয়ান, বিশেষ করে মুসাং কিং জাতের ফলে এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মুসাং কিং এখনও সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন ডুরিয়ানগুলোর একটি।

চীন সবচেয়ে বড় বাজার

২০২৩ সালে মালয়েশিয়ার ডুরিয়ান রপ্তানির সবচেয়ে বড় গন্তব্য ছিল চীন। সে বছর দেশটিতে ১১৯ কোটি মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত মূল্যের ডুরিয়ান রপ্তানি করা হয়।

এর পরের অবস্থানে ছিল:

হংকং – ১০ কোটি ১০ লাখ রিঙ্গিতসিঙ্গাপুর – ৭ কোটি ৬০ লাখ রিঙ্গিতইন্দোনেশিয়া – ৫ কোটি ৮০ লাখ রিঙ্গিতযুক্তরাষ্ট্র – ৩ কোটি ৫৪ লাখ রিঙ্গিত

মোট ডুরিয়ান রপ্তানির মূল্য ২০২০ সালের ৫৭ কোটি ৮ লাখ রিঙ্গিত থেকে বেড়ে ২০২৩ সালে ১৫১ কোটি রিঙ্গিতে পৌঁছায়। তবে ২০২৪ সালে তা কিছুটা কমে ১১৮ কোটি রিঙ্গিতে নেমে আসে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ার ডুরিয়ান বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কানাডা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, ফ্রান্স ও স্পেন।

রপ্তানি বাড়াতে কৃষি খাতে বিনিয়োগ

রপ্তানি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশটির কৃষি বিভাগ ডুরিয়ান বাগানগুলোকে মালয়েশিয়ান গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস সনদ পেতে সহায়তা করছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

এ পর্যন্ত দেশজুড়ে ১ হাজার ৯৩৩টি ডুরিয়ান খামার এই সনদ পেয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি ফল উৎপাদন নিশ্চিত করতে দ্বাদশ মালয়েশিয়া পরিকল্পনার আওতায় নতুন বাগান স্থাপন ও পুনরায় চাষাবাদের জন্য ৪ কোটি ৫০ লাখ রিঙ্গিত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ৯ হাজার ৪০০ হেক্টরের বেশি জমি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নতুন বাজার খুঁজছে মালয়েশিয়া

ফেডারেল এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং অথরিটি (ফামা) বর্তমানে ১০টি বিদেশি বিপণন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কৃষিপণ্য বাণিজ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।

একই সঙ্গে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো দেশে পরীক্ষামূলক চালানও পাঠানো হচ্ছে।

মন্ত্রী মোহাম্মদ সাবু বলেন, উন্নত প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং এবং বিদেশের বড় সুপারমার্কেটগুলোতে 'মালয়েশিয়াস বেস্ট' ও 'টেস্ট অব মালয়েশিয়া' প্রচারণা পরিচালনার ফলে ডুরিয়ানের আন্তর্জাতিক পরিচিতি আরও বেড়েছে।

তার মতে, এসব উদ্যোগ মালয়েশিয়ার ফলশিল্পের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা শক্তিশালী করেছে এবং এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী বাজারের বাইরেও ডুরিয়ানের চাহিদা ধরে রাখতে সহায়তা করছে।

সূত্র: দ্য স্ট্রেইট টাইমস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()