নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও জেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (ইআইবি) বিদ্যমান ঋণ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ইউরো ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সমকাল জানায়, ২০২৭ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ‘উইমেনস হেলথ ইনিশিয়েটিভ’ নামের এই কর্মসূচির লক্ষ্য প্রায় ৪ কোটি ৭০ লাখ নারী ও কিশোরীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
জার্মানির বার্লিনে ওয়ার্ল্ড হেলথ সামিট ২০২৬ উপলক্ষে শনিবার চ্যারিটি ক্যাম্পাসে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠকে উদ্যোগটি তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
কর্মসূচিতে জোর পাবে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং জরুরি প্রসূতি ও নবজাতকসেবা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগী স্থানান্তর ও রেফারেল ব্যবস্থা, জেলা হাসপাতাল ও নিবিড় পরিচর্যার সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও আছে।
অর্থায়নটি নতুন ঋণ নয়। ২০২১ সালে কোভিড-১৯ টিকাদান, মহামারি মোকাবিলার প্রস্তুতি ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে অনুমোদিত ইআইবির একটি সার্বভৌম ঋণের অর্থ থেকে এটি নেওয়ার পরিকল্পনা। কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়তা করেছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), বাস্তবায়নেও তারা কারিগরি সহায়তা দেবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নারী ও মেয়েদের স্বাস্থ্য দেশের ভবিষ্যতের জন্য মৌলিক; প্রতিরোধমূলক সেবায় জোর দিয়ে মানুষ যেন বাড়ির কাছে মানসম্মত সেবা পান, সেটিই লক্ষ্য। ইআইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট মারেক মোরা বলেন, নারীর স্বাস্থ্যে বিনিয়োগের সুফল পরিবার, সমাজ ও অর্থনীতিতে পড়ে। প্রতিনিধিদল চ্যারিটি হাসপাতালের চিকিৎসা ও ক্যানসার স্ক্রিনিং সুবিধাও ঘুরে দেখে।
ছবি: Raimond Spekking / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0); বার্লিনের চ্যারিটি হাসপাতাল
সূত্র: সমকাল





মন্তব্য
(০)