সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

নড়াইলে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সাদা ভাঁট ফুল

গ্রামবাংলার অতি পরিচিত গুল্মজাতীয় বুনো উদ্ভিদ ভাঁট ফুল। গ্রামের আঁকাবাঁকা মেঠো পথে, রাস্তার পাশে, আনাচে-কানাচে অযত্নে অবহেলায় প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে এই ভাঁট ফুল। এখন নড়াইলের পথে পথে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে অপার সৌন্দর্য ভাঁট ফুল। শুভ্র সাদা ভাঁট ফুল চোখ জুড়ায় যে কোনো ফুল প্রেমীদের।

ফুল

গ্রামবাংলার অতি পরিচিত গুল্মজাতীয় বুনো উদ্ভিদ ভাঁট ফুল। গ্রামের আঁকাবাঁকা মেঠো পথে, রাস্তার পাশে, আনাচে-কানাচে অযত্নে অবহেলায় প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে এই ভাঁট ফুল। এখন নড়াইলের পথে পথে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে অপার সৌন্দর্য ভাঁট ফুল। শুভ্র সাদা ভাঁট ফুল চোখ জুড়ায় যে কোনো ফুল প্রেমীদের।

নড়াইলের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার দু'পাশে ও গ্রামের আঁকাবাঁকা মেঠোপথে স্বাভাবিকভাবেই জন্ম নেয় ভাঁট গাছ। গ্রাম বাংলার চিরচেনা এ ফুলটি হরহামেশা দেখা গেলেও সাদা ফুলের দিকে তাকালে অনেকের মন ভালো হয়ে যায়। অঞ্চলভেদে এই গাছের ফুলকে ভাইটা ফুল, ঘেটু ফুল, ভাত ফুল, বনজুঁই ফুল, ঘণ্টাকর্ণ বলা হলেও নড়াইলে ভাঁট ফুল বা ভাঁটি ফুল নামেই বেশি পরিচিত। চৈত্র মাসে এই ফুল ফোঁটে বলে একে চৈতের ফুলও বলা হয়।

নড়াইলের বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের চাঁদপুর-বগুড়া বিলের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়ক, লোহাগড়া-মিঠাপুর প্রধান সড়কের দুই পাশে ও কালিয়া-নড়াইল-মাগুরা প্রধান সড়কের দুই পাশে ভাঁট ফুলের সমারোহ দেখলে মনে হবে প্রকৃতি যেন অপরূপ সাজে সেজেছে। এছাড়া জেলার সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আশপাশের বাগানগুলোতে ভাঁট ফুলের সৌন্দর্য দেখে পথচারী বা দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হয়ে যায়।

বসন্তের আগমনে পলাশ-শিমুলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রকৃতিকে সাজাতে ফোঁটে এই শুভ্র সাদা ভাঁট ফুল। বিশেষ করে পরিত্যক্ত মাঠ, বন, রাস্তা কিংবা জলাশয়ের পাশে মিষ্টি ঘ্রানের অজস্র ভাঁট ফুল ফোঁটা অবস্থায় চোখে পড়ে। এক সঙ্গে অনেক ফুল ফুটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা এর থেকে মধু সংগ্রহ করে থাকে। ভাঁট ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম 'ক্লেরোডেনড্রাম ভিসকোসাম' ও ইংরেজি নাম 'হিল গেন্টারি বোয়ার ফ্লাওয়ার'। ভাঁট ফুলের আদি নিবাস ভারতবর্ষ, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার অঞ্চল।

তবে যতদিন যাচ্ছে ততই হারিয়ে যাচ্ছে এই প্রজাতির ফুল। এখন বেশ দুর্লভ। গ্রামে কমেছে, শহরে তেমন চোখে পড়ে না। কিন্তু ফুলপ্রেমীরা খুঁজলে নিরাশ হবেন না। এই ফাল্গুন-চৈত্রে চোখ খোলা রাখলে, মন থেকে খুঁজলে সন্ধান মিলবে ভাঁটের। নিজ উদ্যোগে বেঁচে থাকা ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান, সাধারণত ২ থেকে ৪ মিটার লম্বা হয়। পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা হয়। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে। ডালের শীর্ষে ফুল ফোঁটে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশ্রণ আছে। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোঁটে। এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। রাতে বেশ সুঘ্রাণ ছড়ায় এই ফুল। ফুল ফোঁটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে থাকে।

ভাঁটফুল বা ঘেটু গুল্মজাতীয় দেশি বুনো পুষ্পক উদ্ভিদ। এটি বুনো ফুল, গাঁয়ের মাঠে কিংবা রাস্তার ধারে অযত্নে ফুটে থাকে। ফুল গাছটি ভাঁট বলে পরিচিত হলেও স্থানভেদে এবং ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্ঠীতে এর ভিন্ন ভিন্ন নামও রয়েছে। অনেকে একে বনজুঁইও বলেন। এ গাছের ভেষজ গুণাগুণও রয়েছে।

সদর উপজেলার আওড়িয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের বাসিন্দা নান্নু মোহুরি জানান, 'ছোট বেলায় আমাদের অঞ্চলে এই মৌসুমে প্রচুর ভাঁট ফুল দেখা যেত। এখনো দেখা যায়, তবে আগের মত নয়, অনেক কম। দেখতে যেমন সুন্দর তেমন এর ঘ্রাণটাও খুবই ভালো লাগে।'

নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের শান্তা খান জানান, 'একসময় গ্রাম-গঞ্জে প্রায় সর্বত্র এই ফুল দেখা যেত। এখন আগের মতো সচারচার দেখা যায় না। অযত্নে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠলেও সৌন্দর্যে কোনো কমতি নেই।'

কালিয়া উপজেলার ফাহিম শেখক বলেন, 'ভাঁট ফুল দেখতে খুবই সুন্দর। গ্রামের মেঠোপথের দু'পাশে এখনও ভাঁট ফুল দেখা যায়। তবে আগের চেয়ে এখন কমই চোখে পড়ে।'

নড়াইল কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, ভাট ফুলের সৌন্দর্য মানুষকে বিমহিত করে। নড়াইলের বেশিরভাগ গ্রামের রাস্তার পাশে দেখতে পাওয়া যায়।

এসএমএইচকে/এমআইএইচ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফুল

সম্পর্কিত খবর

ফুল

ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখে যে গাছ: পিস লিলি

কম আলোতেও বেড়ে ওঠা পিস লিলি অন্দরসজ্জায় জনপ্রিয়; নাসার গবেষণা বলছে, এটি ঘরের বাতাস থেকে বেনজিন ও ফরমালডিহাইডের মতো টক্সিন দূর করে।

সমকাল১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গোল নয় তবুও কেন এর নাম ‘গোলগাছ’

গোলগাছ কিংবা গোলপাতা কোনোটিই গোল নয়। তাহলে এই গাছ ও পাতার অঙ্গে-সঙ্গে গোল শব্দটি যুক্ত হলো কীভাবে? সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুল অথবা ফলের নামানুসারে কোনো গাছ বা উদ্ভিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। গোলফল যখন ছড়িয়ে থাকে তখন দেখতে ঠিক পরিপাটি গোলগাল কাঁঠাল এবং কেয়া ফলের মতো। মূলত ছড়ায়-ছড়ায় ঝুলতে থাকা চোখ-

জাগো নিউজ ২৪৩১ আগস্ট ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()