ভালুকার নয়নপুর গ্রামে ছোট একটি কারখানায় তৈরি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী আখের গুড়। কৃষকের মাঠ থেকে আনা আখের রস জ্বাল দিয়ে, প্রাকৃতিক শুদ্ধিকরণ পদ্ধতিতে তৈরি হয় এই বাদামী সোনালি গুড়।
এই পর্বে আমরা দেখেছি কীভাবে আখ থেকে রস বের করা হয়, কীভাবে দুই ঘণ্টার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় রস রূপ নেয় গুড়ে, আর কীভাবে এই গুড় পৌঁছে যায় স্থানীয় বাজার হয়ে দেশের নানা প্রান্তে।
বাংলাদেশের মানুষের কাছে গুড় শুধু খাদ্য নয়, এটি শৈশবের স্মৃতি, পিঠাপুলির স্বাদ আর শীতের সকালের আবেগ। পুষ্টিবিদদের মতে আখের গুড় চিনির একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প, যা আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।
উন্নত প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি নিশ্চিত করা গেলে আখের গুড় হতে পারে রপ্তানিযোগ্য একটি সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য, যা কৃষকের আয় বাড়াবে এবং আমাদের ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেবে বিশ্বদরবারে।





মন্তব্য
(০)