বাংলার ইতিহাস লিখতে হলে নদীকে বাদ দিয়ে লেখা যায় না। নদীর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে আমাদের জীবন, জীবিকা ও মানুষের মিলনমেলা। ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে গড়ে ওঠা নারায়ণগঞ্জের কাইকারটেক হাট তেমনই এক জীবন্ত ইতিহাস, যা যুগের পর যুগ ধরে দাঁড়িয়ে আছে বাংলার বাণিজ্য ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে।
প্রতিসপ্তাহের রোববার এই হাটে জড়ো হন নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, নরসিংদীসহ দূরদূরান্তের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। শাকসবজি, ফসল, গাছের চারা, বীজ থেকে শুরু করে হাঁস-মুরগি, কবুতর, বাঁশের খাঁচা, মাছ ধরার জাল, দা-বটি, কোদাল—গ্রামীণ জীবনের প্রায় সব প্রয়োজনীয় উপকরণই পাওয়া যায় এখানে।
এই হাটে আজও টিকে আছে আশি-নব্বই দশকের অনেক জিনিস, যা শহুরে জীবনে হারিয়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমে এখানে বসে নৌকার হাট, আবার শীতে বদলে যায় দৃশ্যপট। শতাব্দীপ্রাচীন বটগাছ, পুতামিষ্টির খ্যাতি আর মজিবর হোসেনের মতো মানুষের জীবনকথা—সব মিলিয়ে কাইকারটেক হাট শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়, এটি আমাদের শিকড়ের ঠিকানা।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের এই পর্বে তুলে ধরা হয়েছে ব্রহ্মপুত্রের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলার এক ঐতিহাসিক হাটের গল্প।





মন্তব্য
(০)