সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৯২%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

ভার্মি কম্পোস্টে বেকারত্ব দূর হলো রেজাউলের

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার তরুণ কৃষক মো. রেজাউল ভার্মি কম্পোস্ট সার (কেচো সার) উৎপাদন করে এখন সফল ও স্বাবলম্বী। উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে মনোনিবেশ করেন তরুণ এ উদ্যোক্তা।

জৈব

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া এলাকার তরুণ কৃষক মো. রেজাউল ভার্মি কম্পোস্ট সার (কেচো সার) উৎপাদন করে এখন সফল ও স্বাবলম্বী। উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে মনোনিবেশ করেন তরুণ এ উদ্যোক্তা।

কৃষক মো. রেজাউল বলেন, 'নলছিটি কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ২০২০ সালে এসএসিপি প্রকল্পের একটি প্রদর্শনী দিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করি। সেই সময় ৬০০ টাকা প্রথম বিক্রি করি। এরপর থেকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে প্রতি মণ সার ৫০০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি করি। প্রতি কেজি কেঁচোর দাম ৮০০-১০০০ টাকা বিক্রি করছি। কৃষিকাজে এ সার ব্যবহার করে বেশি ফসলও পাচ্ছি। যে কারণে আমি স্বাবলম্বী হতে পেরেছি।'

সার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, 'গ্রাম থেকে গোবর সংগ্রহ করে ২০-২৫ দিন এক স্থানে রেখে পরে হাউজ ও চাড়িতে দেওয়া হয়। এরপর কেঁচো ছেড়ে দিতে হয়। এই গোবর কেঁচো বেশি খায়, তাই সারও বেশি হয়।'

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে হাইব্রিড টমেটোর বাম্পার ফলন

উপজেলা কৃষি অফিসার সানজিদ আরা শাওন বলেন, 'পর্যায়ক্রমে চাড়ির সংখ্যা বাড়াচ্ছেন কৃষক রেজাউল। তার চাড়ির সংখ্যা প্রায় ২০টি। সেখানে প্রায় পঞ্চাশটি চাড়ির গোবর রাখা যায়। পাশাপাশি তিনি কেঁচো সরবরাহ করেন।'

তিনি বলেন, 'তার দেখাদেখি এখন গ্রামের অনেকেই এ সার উৎপাদন ও ব্যবহার করছেন। গ্রামটিকে 'ভার্মি গ্রাম' নামকরণ করেছি। আগামীতেও কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ ধরনের উদ্যোক্ত্যাদের সার কৃষি অফিস কিনছে।'

ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'এই সার উৎপাদন ও ব্যবহারকারীদের উৎসাহিত করতে উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে কেঁচো সার কেনা হয়। বিভিন্ন প্রদর্শনীতে বিনা মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।'

আরও পড়ুন: পড়াশোনার পাশাপশি স্কোয়াস চাষে সফল মনজুরুল

তিনি বলেন, 'রেজাউলের দেখাদেখি এখন টুলু বেগম, জামাল, রায়হান, রশিদ রাড়ি, মুরাদ হোসেন, কালামসহ প্রায় ৩০টি পরিবার মডেল ভার্মি কম্পোস্ট সার (কেঁচো সার) উৎপাদন করে নিজের জমিতে ব্যবহার করছেন। এছাড়া এ সার কৃষকের কাছ থেকে সারের দোকান ও কৃষি অফিস কিনে থাকে।'

মো. আতিকুর রহমান/এসইউ/এসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

জৈব

সম্পর্কিত খবর

ফল

বাংলাদেশে ত্বীন ফলের বাণিজ্যিক চাষের সম্ভাবনা কেমন?

বাংলাদেশ কৃষিখাতে বিশ্বের দরবারে গৌরবোজ্জ্বল ও ঈর্ষণীয় অবস্থান তৈরি করেছে। বাংলাদেশে ব্যাপক ত্বীন বা ডুমুর চাষাবাদের ফলে বিকল্প আরেকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এসব ফলকে কেউ কেউ ফার্মফ্রেশ বা অর্গানিক বাগান নামে পরিচয় দেন। অনেক ক্ষেত্রে এসব স্থানে এগ্রো ট্যুরিজমও গড়ে উঠেছে। এসব বাগানে অনেক প্রকৃতির এক্সো

জাগো নিউজ ২৪৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
জৈব

চরাঞ্চলে যে পদ্ধতিতে মসলার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব

বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি নদীর তীরে প্রায় ৮.৩ লাখ হেক্টর চর আছে। যার প্রায় ৫.২-৭.৯ লাখ হেক্টর চাষযোগ্য। এ দেশের চরাঞ্চলে প্রায় ৬৫ লাখ লোক বসবাস করেন। চরের জমিতে পুষ্টি উপাদান এবং জৈব পদার্থের ঘাটতি থাকে। বাংলাদেশে লবণাক্ততা মুক্ত চরাঞ্চলগুলো হলো কুড়িগ্রাম,

জাগো নিউজ ২৪৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

আরবা মিনচে ইথিওপীয় গবেষকদের শেখানো হলো ভারতের জলবিভাজিকা পদ্ধতি

আরবা মিনচে চার দিন ধরে ২৮ জন ইথিওপীয় গবেষক, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও এনজিওকর্মী আইসিএআর ও আইসিআরআইস্যাটের বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে শিখেছেন ভূদৃশ্যভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা; শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে ছিল জিআইজেড-সমর্থিত একটি ক্ষুদ্র জলবিভাজিকা পরিদর্শন।

CGIAR১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()