সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

আরবা মিনচে ইথিওপীয় গবেষকদের শেখানো হলো ভারতের জলবিভাজিকা পদ্ধতি

আরবা মিনচে চার দিন ধরে ২৮ জন ইথিওপীয় গবেষক, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও এনজিওকর্মী আইসিএআর ও আইসিআরআইস্যাটের বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে শিখেছেন ভূদৃশ্যভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা; শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে ছিল জিআইজেড-সমর্থিত একটি ক্ষুদ্র জলবিভাজিকা পরিদর্শন।

ইথিওপিয়ার কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যবস্থার ২৮ জন প্রতিনিধি গত ২৮ থেকে ৩১ জুলাই আরবা মিনচে মিলিত হয়েছিলেন কৃষিবাস্তুসংস্থান ও ভূদৃশ্যভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণে। আয়োজনে ছিল সিজিআইএআর ক্যাপাসিটি শেয়ারিং অ্যাক্সিলারেটর ও সিজিআইএআর মাল্টিফাংশনাল ল্যান্ডস্কেপস সায়েন্স প্রোগ্রাম, সঙ্গে আইসিআরআইস্যাট।

অংশগ্রহণকারীরা এসেছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়, এর ক্যাম, আরএলএলপি ও প্যাক্ট প্রকল্পসহ, অ্যাগ্রিকালচারাল ট্রান্সফরমেশন ইনস্টিটিউট, ইথিওপিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ, আমহারা কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, চারটি বিশ্ববিদ্যালয় (বাহির দার, হারামায়া, হাওয়াসা ও সোদো), জিআইজেড, ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট, জাতীয় গবেষণা সংস্থা এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন, ফার্ম আফ্রিকা ও ভেল্টহুঙ্গারহিলফের মতো এনজিও থেকে।

শেখানোর দায়িত্বে ছিল ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর) ও আইসিআরআইস্যাট, যারা তুলে ধরেছে ভূদৃশ্যভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার ভারতীয় অভিজ্ঞতা, উত্তর প্রদেশের কার্যক্রম, বিভিন্ন কৃষি-পরিবেশগত অবস্থার উপযোগী মাটি ও পানি সংরক্ষণের চর্চা, ন্যূনতম উপাত্তসেটের পরিমাপ নেওয়ার প্রমিত পদ্ধতি এবং সেই উপাত্ত কাজে লাগিয়ে ভূদৃশ্য ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত-সহায়ক ব্যবস্থা তৈরি।

আইসিআরআইস্যাটের মহাপরিচালক হিমাংশু পাঠক বলেন, "ভূদৃশ্যের সমস্যাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে থাকে না। জমি, পানি, কৃষি, বাস্তুতন্ত্র ও জীবিকা গভীরভাবে পরস্পরনির্ভর, আর আমাদের সাড়াকেও সেই বাস্তবতা ধরতে হবে।"

চার দিনের কর্মসূচি সাজানো হয়েছিল আগেই অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে করা প্রশিক্ষণ-চাহিদা নিরূপণের ভিত্তিতে, আর শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে জোড়া হয়েছিল জিআইজেডের সহায়তায় ব্যবস্থাপিত একটি ক্ষুদ্র জলবিভাজিকা পরিদর্শন, যাতে কারিগরি আলোচনা বাস্তব চর্চার পাশে দাঁড়ায়। আইসিআরআইস্যাটের বিজ্ঞানীরা আলোচনা করেছেন পানির হিসাব ও জলবিদ্যা, বাস্তুতন্ত্রের সেবা, কলার মূল্য শৃঙ্খল ও উদ্যোগ মডেল, বায়বীয় কম্পোস্টিং, বায়োচার তৈরি এবং সিদ্ধান্ত-সহায়ক ব্যবস্থা নিয়ে।

সিজিআইএআর ক্যাপাসিটি শেয়ারিং অ্যাক্সিলারেটরের প্রধান চার্লস ক্লাইনারমান বলেন, "সক্ষমতা ভাগাভাগি সবচেয়ে ভালো কাজ করে যখন জ্ঞান দুই দিকেই চলে।" কথাটি গুরুত্বপূর্ণ: উদ্দেশ্য ভারতীয় একটি মডেল হস্তান্তর করা ছিল না, ছিল ইথিওপীয় গবেষকদের নিজেদের পরিবেশ ও প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতার জন্য তা বদলে নেওয়ার, পরীক্ষা করার ও নতুন করে গড়ার সুযোগ দেওয়া।

এ ধরনের দক্ষিণ-দক্ষিণ বিনিময় কৃষি গবেষণার সবচেয়ে সাশ্রয়ী রূপ। ভারতের আধা-শুষ্ক জলবিভাজিকা আর ইথিওপিয়ার উচ্চভূমির সমস্যাগুলো এক, ক্ষয়, অনিশ্চিত বৃষ্টি, ক্ষয়িষ্ণু সাধারণ জমি, আর সেসব মাপা ও সামলানোর পদ্ধতি এদের মধ্যে যত সহজে যাতায়াত করে, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের গবেষণাকেন্দ্র থেকে তত সহজে নয়।

সূত্র: সিজিআইএআর (CGIAR)

CGIARসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)