সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে আসা জায়ান্ট পান্ডার স্বাভাবিক জন্ম ও বসবাস আজও কেবল চীনেই সীমাবদ্ধ। ভালুক পরিবারের এই কালো-সাদা প্রাণীটি চীনে কেবল একটি প্রাণী নয়, সৌভাগ্য, শান্তি ও প্রকৃতির ভারসাম্যের প্রতীক হিসেবেই দেখা হয় তাকে।

শারীরিক গড়নেও পান্ডা আলাদা। একটি পূর্ণবয়স্ক পান্ডার দৈর্ঘ্য প্রায় দেড় মিটার এবং কাঁধ পর্যন্ত উচ্চতা প্রায় ৯০ সেন্টিমিটার; ওজন হতে পারে সর্বোচ্চ ১৫০ কেজি, আর পুরুষ পান্ডা স্ত্রী পান্ডার তুলনায় কিছুটা বড় ও ভারী। চোখের চারপাশে, কান, নাকের অংশ, পা ও কাঁধে কালো লোম থাকে, আর সারা শরীরের ঘন উলের মতো লোম তাদের ঠান্ডা পাহাড়ি পরিবেশে উষ্ণ রাখে।

জন্মের সময়ের আকারটিও অস্বাভাবিক। নবজাতক পান্ডা শাবক আকারে প্রায় একটি ভুট্টার মোচার মতো, মায়ের আকারের তুলনায় জন্মের সময় এত ছোট শাবক আর কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণীরই হয় না।

সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব তার খাদ্যাভ্যাসে। পান্ডার পরিপাকতন্ত্র মাংসাশী প্রাণীর মতো হলেও বিবর্তনের ফলে সে প্রায় পুরোপুরি তৃণভোজী এবং বিশেষভাবে বাঁশনির্ভর হয়ে পড়েছে। একটি জায়ান্ট পান্ডাকে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়। খাদ্যের প্রায় এক শতাংশে অন্য উদ্ভিদ এবং মাঝে মাঝে ছোট প্রাণীও থাকে।

বাঁশ খাওয়ার জন্য তার শরীরে আলাদা ব্যবস্থা আছে। চওড়া শক্ত দাঁত এবং কবজির বিশেষ একটি হাড়, যা আঙুলের মতো কাজ করে, এই দুটির কারণেই পান্ডা খুব দক্ষভাবে বাঁশ আঁকড়ে ধরে খেতে পারে।

এই নির্ভরতাই তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। বাঁশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার অর্থ হলো, আবাসস্থল অর্থাৎ বাঁশবন ধ্বংস হলেই পান্ডার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে যায়। একটি প্রজাতি যখন একটিমাত্র উদ্ভিদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই উদ্ভিদের জমি হারানোই তার বিলুপ্তির পথ।

চীনে পান্ডাকে ফিরিয়ে আনার পেছনে শুধু বিজ্ঞান কাজ করেনি, মানুষের ভালোবাসা, দায়বদ্ধতা ও দীর্ঘ সংগ্রামও কাজ করেছে। দেশটিতে শিশুরা বড় হয় পান্ডার ছবি দেখে, সংরক্ষণকর্মীরা জীবন উৎসর্গ করেন তাদের রক্ষায়, আর রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও পান্ডাকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে দেখা হয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)