মার্কিন কৃষি বিভাগের ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিসের (ইআরএস) বার্ষিক গ্লোবাল ফুড অ্যাসেসমেন্টে (জিএফএ) অন্তর্ভুক্ত ৮৩টি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে ২০২৬ সালে আনুমানিক ৮৮ কোটি ৪৪ লাখ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় আছেন, যা ওই দেশগুলোর মোট জনসংখ্যার ১৯.৫ শতাংশ। ইআরএসের নতুন একটি চার্টে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।
মূল্যায়ন অনুযায়ী, বেশির ভাগ দেশে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার হার ২০২৫ সালের চেয়ে কমবে, যার একটি কারণ মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন বাড়া আর খাদ্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি কমে আসা। চার্টের মানচিত্রে প্রতিটি দেশে ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের পরিবর্তনের হার দেখানো হয়েছে।
তবে সব দেশে উন্নতি হচ্ছে না। ইআরএস বলছে, স্থানীয় সংকট ও কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে কিছু দেশে, বিশেষ করে সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা থেকে যেতে বা আরও বাড়তে পারে।
দীর্ঘ মেয়াদে বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা আরও উন্নত হবে বলে পূর্বাভাস। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনুমানের ভিত্তিতে ২০৩৬ সালের মধ্যে জিএফএভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্য নিরাপত্তাহীন মানুষের সংখ্যা ৩৩.৪ শতাংশ কমে ৫৮ কোটি ৯০ লাখে নামবে, যা জনসংখ্যার ১১.৪ শতাংশ।
যেসব দেশে নিজস্ব উৎপাদনে চাহিদা মেটে না, সেখানকার খাদ্যচাহিদা হিসাব করে জিএফএ; ইআরএস এটিকে আংশিকভাবে মার্কিন কৃষিপণ্য কোথায় ঘাটতি পূরণ করতে পারে তার নির্দেশক হিসেবেও দেখায়। চার্টটি ২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত 'গ্লোবাল ফুড অ্যাসেসমেন্ট, ২০২৬-৩৬' প্রতিবেদনের অংশ।
সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস





মন্তব্য
(০)