২০২৬ সালের ১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের খামারগুলোতে শূকরের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৪৩ লাখ (৭৪.৩ মিলিয়ন), যা ২০২৫ সালের মার্চের চেয়ে সামান্য বেশি হলেও ১ ডিসেম্বরের হিসাবের চেয়ে ১% কম। ২৬ মার্চ দেশটির কৃষি বিভাগের ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস (এনএএসএস) প্রকাশিত ত্রৈমাসিক হগস অ্যান্ড পিগস প্রতিবেদনে এ তথ্য রয়েছে।
এই মোট সংখ্যার ৬ কোটি ৮৪ লাখ ছিল বাজারের জন্য পালিত শূকর এবং ৫৮ লাখ ৯০ হাজার প্রজননের জন্য রাখা — এই ভাগই ঠিক করে দেয় পরের বছর পাল বাড়বে না কমবে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মার্কিন খামারে ৩ কোটি ৩২ লাখ শূকরছানার দুধ ছাড়ানো হয়েছে, যা এক বছর আগের একই তিন মাসের চেয়ে ১% বেশি। ওই সময়ে প্রতি বিয়ানে গড়ে ১১.৯০টি বাচ্চা মিলেছে। খামারিরা ২০২৬ সালের মার্চ থেকে মে-এর মধ্যে ২৮ লাখ ৬০ হাজার এবং জুন থেকে আগস্টের মধ্যে ২৯ লাখ মাদি শূকরের বাচ্চা তোলার পরিকল্পনা করেছেন।
উৎপাদন এখনো কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেই কেন্দ্রীভূত। আইওয়াতে সবচেয়ে বেশি — ২ কোটি ৪৭ লাখ; দ্বিতীয় মিনেসোটায় ৯৩ লাখ এবং তৃতীয় নর্থ ক্যারোলাইনায় ৭৬ লাখ।
হিসাব তৈরিতে এনএএসএস মার্চের প্রথমার্ধে সারা দেশে ৪ হাজার ২৫২ জন খামারির কাছ থেকে তথ্য নিয়েছে — রেসপন্ডেন্ট পোর্টালে, ডাকে, টেলিফোনে ও সরাসরি সাক্ষাৎকারে।
বাংলাদেশের জন্য মার্কিন শূকর পালের স্থিতিশীলতা মাংসের বাজারের নয়, পশুখাদ্যের বাজারের খবর। শূকর পালা হয় ভুট্টা ও সয়াবিন খইলে; পাল না বাড়লে না কমলে বিশ্বের পশুখাদ্য চাহিদার ওই অংশটিও অপরিবর্তিত থাকে।
সূত্র: ইউএসডিএ ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস





মন্তব্য
(০)