পরিবেশ সুরক্ষা ও অপরিকল্পিত বৃক্ষনিধন রোধে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির গাছ কাটার ক্ষেত্রেও সরকারি অনুমোদন বাধ্যতামূলক করেছে উপজেলা প্রশাসন। এখন থেকে নিজের জমির গাছ কাটতে হলেও পূর্বানুমোদন নিতে হবে; না নিলে আইনগত ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী যেকোনো ব্যক্তি নিজ মালিকানাধীন জমির গাছ কাটার আগে বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তা অর্থাৎ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতিপত্র নিতে বাধ্য থাকবেন। অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটলে আইনের ১০ ধারায় সরাসরি মামলা হবে।
সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ও সতর্কবার্তা পৌঁছাতে বুধবার উপজেলার হাটবাজার ও গ্রামে দিনব্যাপী মাইকিং করে প্রচার চালায় প্রশাসন; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পুরো এলাকায় এ প্রচার চলছে।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা বন কর্মকর্তা শেখ লিটন বলেন, নিজের জমির গাছ কাটতে অনুমোদনের এই নিয়ম কাউকে প্রশাসনিক হয়রানিতে ফেলার জন্য নয়; পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও অসাধু উপায়ে নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করাই লক্ষ্য। প্রশাসন আশা করছে, এই কড়াকড়ি ও প্রচারে আলফাডাঙ্গায় বৃক্ষনিধন অনেকটা কমবে।
গ্রামীণ বাংলাদেশে বসতভিটা ও খেতের আইলের গাছ কৃষক পরিবারের সঞ্চয় ও জ্বালানি—দুইয়েরই উৎস; নতুন আইনের প্রয়োগে সেই গাছ বিক্রি বা কাটার আগে অনুমতির ধাপ যুক্ত হলো, যা হোমস্টেড ফরেস্ট্রির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
একাত্তর টিভির ফরিদপুর প্রতিনিধির প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: একাত্তর টিভি





মন্তব্য
(০)