ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শতাধিক নার্সারিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর কলমের (গ্রাফটিং) চারা উৎপাদন করে স্বনির্ভর ও লাভবান হচ্ছেন কৃষক। আগে পাশের জেলা থেকে চারা কিনতে হতো; এখন কৃষকেরা নিজেরাই প্রয়োজনীয় চারা উৎপাদন করছেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগের আশা, এতে আমদানিনির্ভরতা কমবে, উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকের বিকল্প কর্মসংস্থান হবে।
গ্রীষ্মের উচ্চ তাপমাত্রা ও অতিবৃষ্টিতে টমেটোর চারা তৈরি আগে কঠিন ছিল; এখন গ্রাফটিং বা জোড়কলম প্রযুক্তিতে গ্রীষ্মে বাণিজ্যিকভাবে প্রচুর চারা হচ্ছে। তিত বেগুন, বন বেগুন বা রাস্তার পাশের বুনো বেগুনের চারার সঙ্গে উন্নত জাতের টমেটোর চারা কলম করে এই চারা তৈরি হয়। সদরের নাটাই উত্তর, রামরাইল ও মাছিহাতা ইউনিয়নে ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদনে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
কৃষি উদ্যোক্তা বাদল মিয়া জানান, জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টির প্রভাব বেশি থাকায় এ সময় সাধারণ বা নন-গ্রাফটিং টমেটো হয় না, ফলে স্থানীয় চাহিদা মেটাতে টমেটো আমদানি করতে হয়; আমদানিনির্ভরতা কমাতেই তাঁরা চারা উৎপাদনের পথ নিয়েছেন।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানা বেগম বাসসকে জানান, উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ গ্রাফটিং চারা উৎপাদিত হয়, যার মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা; সব মিলিয়ে এসব নার্সারিতে বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার চারা কেনাবেচা হয়, এবং কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
বাসসের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাসস





মন্তব্য
(০)