সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৪ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৩%বাতাস ৯ কিমি/ঘ

সমুদ্রের অন্ধকারে বিচরণ করে এই নেকড়ে

শক্তিশালী দাঁত ও তীক্ষ্ণ চোখে তাকে দেখে মনে হয় যেন জঙ্গলের কোনো বাঘ বা নেকড়ে। এর কালো চামড়া, অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর চেহারা একই সঙ্গেই ভয় সৃষ্টি করে। তবে সে ডাঙ্গার কোনো প্রাণী নয়, বরং এটি একটি রহস্যময় ও বিরল প্রজাতির প্রাণী, যেটি সমুদ্রের গভীরে বাস করে। নাম তার নেকড়ে মাছ। এর অদ্ভুত চেহা

শক্তিশালী দাঁত ও তীক্ষ্ণ চোখে তাকে দেখে মনে হয় যেন জঙ্গলের কোনো বাঘ বা নেকড়ে। এর কালো চামড়া, অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর চেহারা একই সঙ্গেই ভয় সৃষ্টি করে। তবে সে ডাঙ্গার কোনো প্রাণী নয়, বরং এটি একটি রহস্যময় ও বিরল প্রজাতির প্রাণী, যেটি সমুদ্রের গভীরে বাস করে। নাম তার নেকড়ে মাছ। এর অদ্ভুত চেহারা ও শিকারি প্রকৃতি তাকে প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি করে তুলেছে।

এর বৈজ্ঞানিক নাম অনারহিচাস লুপাস, যা সাধারণত আটলান্টিক ওলভ ফিশ বা নেকড়ে মাছ হিসেবে পরিচিত। এটি একটি গভীর সমুদ্রের মাছ যা উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ঠান্ডা পানিতে পাওয়া যায়। এর শক্তিশালী চেহারা এবং বিপদজনক দাঁত দিয়ে এটি অনেকটা নেকড়ে বা সিংহের মতো দেখতে, যার কারণে এটি নেকড়ে মাছ নামে পরিচিত।

নেকড়ে মাছের দৈহিক গঠন বিশেষভাবে শক্তিশালী এবং এর দাঁতগুলো খুবই ধারালো। এটি তার দাঁত দিয়ে শক্ত শেলের মোলাস্ক এবং ক্রাস্টেশিয়ানদের চিবিয়ে খায়। মাছটির শারীরিক আকার প্রায় ১.৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, তবে সাধারণত এদের দৈর্ঘ্য ৯০-১০০ সেন্টিমিটার হয়। এর ত্বক মসৃণ এবং খালি, যা অন্য অনেক মাছের তুলনায় ভিন্ন।

নেকড়ে মাছ সাধারণত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ঠান্ডা ও গভীর পানিতে বাস করে। বিশেষ করে কানাডা, আইসল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড এবং নরওয়ের উপকূলে। এটি সাধারণত ২০০ থেকে ৮০০ মিটার গভীরতায় থাকে, তবে কখনো কখনো সমুদ্রের তলদেশের আরও গভীরে চলে যায়।

নেকড়ে মাছ প্রধানত মাছ, শেলের মোলাস্ক এবং ক্রাস্টেশিয়ান খায়। এর শক্তিশালী দাঁত এবং থুতনি এটি সহজেই শেলের প্রাণীকে চিবিয়ে খেতে সহায়ক। তাদের খাবারের মধ্যে প্রধানত শেলফিশ, কাঁকড়া এবং ছোট মাছ থাকে।

যদিও নেকড়ে মাছের সংখ্যা এখনো বিপদজনক অবস্থায় নেই, তবে অতিরিক্ত মৎস্য শিকার এবং প্রাকৃতিক বাসস্থানের ক্ষয়ক্ষতির কারণে এর অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। বিভিন্ন সমুদ্রভিত্তিক সংস্থা এবং গবেষকরা এই মাছের সংরক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে এবং একে সুরক্ষিত রাখার জন্য সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করার উপর জোর দিচ্ছে।

নেকড়ে মাছ সমুদ্রের একটি বিশেষ আকর্ষণীয় প্রাণী। এর দেহের গঠন, খাদ্যাভ্যাস এবং বাসস্থান এই মাছকে সমুদ্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সমুদ্রের গভীরে থাকা এই রহস্যময় প্রাণীটির প্রতি আমাদের আগ্রহ এবং মনোযোগ ধরে রাখা প্রয়োজন, যেন এর সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুন

সূত্র: এনওএএএ ফিশারিজ, মেরিনবায়ো কনসার্ভেশন সোসাইটি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

৪০টি হাঁস থেকে বছরে ২৫-৩০ লাখ টাকা আয়, পীরগঞ্জের দুই বন্ধুর খামার

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের আব্দুল মজিদ ও নজরুল ইসলাম তিন বছর আগে ৪০টি হাঁস দিয়ে শুরু করে এখন ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করছেন, সঙ্গে পুকুরে মাছ চাষ। তাঁদের দাবি, বছরে আয় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা।

কৃষি সময়৪ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

এক রাতে ৭০ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে, তবু ফুলপুরের জাহাঙ্গীরের পুকুর এখন অর্ধশতাধিক

ময়মনসিংহের ফুলপুরে স্যানিটারি ব্যবসা ছেড়ে মাছ চাষে আসা জাহাঙ্গীর আলমের এখন অর্ধশতাধিক পুকুর ও নিজস্ব হ্যাচারি। তাঁর এখনকার উদ্বেগ উৎপাদন নয়, বাড়তে থাকা খরচ ও জলবায়ুর ঝুঁকিতে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা।

এগ্রি বার্তা৪ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কক্সবাজারের ১,৪৬৬ চিংড়ি মহাল সচল করতে উদ্যোগ, পুনর্গঠন হচ্ছে কমিটি

সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চিংড়ি মহাল কমিটি পুনর্গঠন, নতুন খাজনা নির্ধারণ, আগের অপরিশোধিত সুদ মওকুফ এবং বেলার রিটে ২০১২-১৩ থেকে স্থগিত কক্সবাজারের ১ হাজার ৪৬৬টি চিংড়ি মহাল সচল করতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রতিদিনের সংবাদ৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)