সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টিআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০ ফল

ফল সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু বিশ্বের কিছু ফল রয়েছে, যেগুলো শুধু খাবার নয়, বরং বিলাসিতার প্রতীক। বিশেষ করে জাপানে এমন অনেক ফল উৎপাদন করা হয়, যেগুলোর দাম কখনো কখনো একটি মোটরসাইকেল বা গাড়ির সমান হয়ে যায়। নিখুঁত আকার, বিশেষ স্বাদ, সীমিত উৎপাদন এবং নিলাম সংস্কৃতির কারণে এসব ফলের দা

ফল

ফল সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু বিশ্বের কিছু ফল রয়েছে, যেগুলো শুধু খাবার নয়, বরং বিলাসিতার প্রতীক। বিশেষ করে জাপানে এমন অনেক ফল উৎপাদন করা হয়, যেগুলোর দাম কখনো কখনো একটি মোটরসাইকেল বা গাড়ির সমান হয়ে যায়। নিখুঁত আকার, বিশেষ স্বাদ, সীমিত উৎপাদন এবং নিলাম সংস্কৃতির কারণে এসব ফলের দাম আকাশছোঁয়া হয়।

জাপানের হোক্কাইডো অঞ্চলে উৎপাদিত এই মেলনকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফল বলা হয়। নিখুঁত আকৃতি, মিষ্টি স্বাদ এবং সীমিত উৎপাদনের কারণে এটি অত্যন্ত মূল্যবান। অতীতে এক জোড়া ইউবারি কিং মেলন নিলামে ৩০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার ডলারেরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

জাপানের ইশিকাওয়া অঞ্চলে উৎপাদিত এই আঙুরের প্রতিটি দানা প্রায় পিংপং বলের সমান বড় হয়। নির্দিষ্ট ওজন, রং এবং মিষ্টতার মান পূরণ না করলে বাজারে বিক্রি করা হয় না। একেকটি প্রিমিয়াম গুচ্ছ ১০ হাজার ডলারের বেশি দামে বিক্রির রেকর্ড রয়েছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ লাখ টাকার বেশি।

কালো খোসার জন্য বিখ্যাত এই তরমুজ জাপানের হোক্কাইডোতেই উৎপন্ন হয়। প্রতিবছর সীমিত সংখ্যক ডেনসুকে তরমুজ বাজারে আসে। বিরলতার কারণে একটি তরমুজের দাম কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

বাংলায় যার অর্থ 'সূর্যের ডিম'। জাপানের মিয়াজাকি অঞ্চলের এই আম অত্যন্ত মিষ্টি ও রঙিন। নিখুঁত মানের এক জোড়া আম নিলামে কয়েক হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে অবস্থিত 'লস্ট গার্ডেনস অব হেলিগান'-এ ভিক্টোরিয়ান যুগের পদ্ধতিতে উৎপাদিত হয় এই আনারস। উৎপাদন প্রক্রিয়া জটিল হওয়ায় একটি আনারসের দাম প্রায় ১,৫০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

জাপানি কৃষকদের উদ্ভাবিত এই তরমুজ বিশেষ ছাঁচে চাষ করা হয়, ফলে এটি ঘনক আকৃতির হয়। মূলত উপহার ও সাজসজ্জার জন্য ব্যবহৃত এই ফলের দাম কয়েকশ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

জাপানের বিলাসবহুল ফলের দোকানগুলোতে বিক্রি হওয়া এই স্ট্রবেরিগুলো আকার, রং ও স্বাদের দিক থেকে প্রায় নিখুঁত। একটি ছোট বাক্সের দামও ৮০ ডলারের বেশি হতে পারে।

কমলা ও ম্যান্ডারিনের সংকর জাতের এই ফল জাপানে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর খোসা সহজে ছাড়ানো যায় এবং স্বাদও অসাধারণ মিষ্টি। ছয়টি ডেকোপনের একটি প্যাকেট ৮০ ডলার পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়।

জাপানি ভাষায় 'সেকাই ইচি' অর্থ 'বিশ্বের সেরা'। বিশাল আকৃতির এই আপেল হাতে পরাগায়ন করা হয় এবং বিশেষ যত্নে বড় করা হয়। একটি আপেলের দাম ২০ ডলার বা তারও বেশি হতে পারে।

চীনে বিশেষ ছাঁচ ব্যবহার করে এই নাশপাতিগুলোকে ছোট বুদ্ধ মূর্তির আকৃতি দেওয়া হয়। অভিনব আকৃতির কারণে এগুলো উপহার হিসেবে বেশ জনপ্রিয় এবং সাধারণ নাশপাতির তুলনায় অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়।

বিশ্বের এসব দামি ফলের পেছনে রয়েছে কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ, সীমিত উৎপাদন, হাতে পরিচর্যা এবং উপহার সংস্কৃতি। বিশেষ করে জাপানে ফলকে শুধু খাবার নয়, সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। তাই নিখুঁত ফলের জন্য মানুষ হাজার হাজার ডলার খরচ করতেও দ্বিধা করেন না। ফলে অবাক হওয়ার কিছু নেই, বিশ্বের কিছু ফলের দাম যেখানে কয়েকশ টাকা, সেখানে কিছু ফলের দাম আবার লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যায়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, শেফস পেন্সিল

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()