সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৩°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫১%বাতাস ৪ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

ইউবারি মেলন থেকে রুবি রোমান আঙুর: বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০ ফল

২০২৬ সালের মে মাসে সাপ্পোরোর মৌসুমের প্রথম নিলামে এক জোড়া ইউবারি মেলন রেকর্ড ৫৮ লাখ ইয়েনে বিক্রি হয়েছে। নিখুঁত আকার, সীমিত উৎপাদন আর জাপানের উপহার সংস্কৃতি কিছু ফলের দাম কীভাবে আকাশে তোলে, তারই সাম্প্রতিক উদাহরণ এটি।

ইউবারি মেলন থেকে রুবি রোমান আঙুর: বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১০ ফল
ফল

ফল সাধারণত প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই পরিচিত। কিন্তু অল্প কয়েকটি ফল বিক্রি হয় বিলাসপণ্যের মতো দামে। এগুলোর বেশিরভাগই জাপানে উৎপাদিত, যেখানে মৌসুমের প্রথম নিলামে এক জোড়া মেলন, এক থোকা আঙুর বা একটি তরমুজের দাম লাখ লাখ ইয়েন পর্যন্ত ওঠে। ২০২৬ সালের মে মাসে সাপ্পোরোতে এক জোড়া ইউবারি মেলন রেকর্ড ৫৮ লাখ ইয়েনে বিক্রি হয়েছে, আর ২০২৬ সালের ১৯ জুন আসাহিকাওয়াতে একটি কালো ডেনসুকে তরমুজ বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ইয়েনে। ২০২৬ সালের জুনে তৈরি এই প্রতিবেদনে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফলের তালিকায় নিয়মিত জায়গা পাওয়া দশটি ফলের পরিচয়, কোথায় সেগুলো জন্মায় এবং তারিখসহ নিলাম ও দোকানের দামের রেকর্ড কী বলে, তা তুলে ধরা হলো। প্রতিটি দাম সেই মুদ্রাতেই দেওয়া হয়েছে, যে মুদ্রায় সংশ্লিষ্ট সূত্র তা প্রকাশ করেছে, আর নিলামের রেকর্ডগুলো যে সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করেছে, তাদের নামেই উল্লেখ করা হয়েছে।

দাম নিয়ে একটি কথা মনে রাখা দরকার। মৌসুমের প্রথম দিনের নিলামের দাম সাধারণ ক্রেতার দেওয়া দাম নয়। জাপানের পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা প্রচারের জন্য এবং নতুন ফসলকে স্বাগত জানাতে মৌসুমের প্রথম নিলামে প্রায়ই অনেক বেশি দর হাঁকেন, অথচ একই ফল পরে দোকানে অনেক কম দামে বিক্রি হয়। নিচে দুই ধরনের দামই আছে, আর প্রতিটি কোন ধরনের দাম, তা আলাদা করে বলা হয়েছে।

ইউবারি কিং মেলন: এক জোড়ার দাম লাখো ইয়েন


ইউবারি মেলন হলো ক্যান্টালুপ জাতীয় একধরনের মেলন, যা জাপানের সবচেয়ে উত্তরের প্রধান দ্বীপ হোক্কাইডোর ইউবারি শহর ও তার আশপাশে চাষ হয়। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফল হিসেবে সবচেয়ে বেশিবার এর নামই আসে, কারণ হোক্কাইডোর সবচেয়ে বড় শহর সাপ্পোরোর পাইকারি বাজারে প্রতি মৌসুমের প্রথম নিলামে এটি বিপুল দর পায়।

তাজা কৃষিপণ্যের বাণিজ্যিক প্রকাশনা ফ্রেশপ্লাজা ২০২৬ সালের ২৫ মে জানায়, সাপ্পোরোর একটি পাইকারি বাজারে মৌসুমের প্রথম মেলন নিলামে এক জোড়া ইউবারি মেলন রেকর্ড ৫৮ লাখ ইয়েনে বিক্রি হয়েছে; প্রকাশনাটি এর সমমূল্য দিয়েছে ৩৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। নিলামে জয়ী হয় হোক্কাইডোর কুশিরোভিত্তিক ফল ও সবজির পাইকারি প্রতিষ্ঠান ফুতামি সেইকা কোম্পানি। তারা মেলন দুটি সুপারমার্কেট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান কেইও স্টোর কোম্পানির কাছে বিক্রি করে, যারা টোকিওর একটি দোকানে সেগুলো প্রদর্শনের পরিকল্পনা করেছিল। ফ্রেশপ্লাজা ফুতামি সেইকার বিক্রয় প্রধান হিরোকাজু ওকুবোর উক্তি উদ্ধৃত করে: "আশা করি টোকিওর মানুষ হোক্কাইডোর এই মেলন উপভোগ করবেন।" একই প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই মৌসুমে চাষিরা ৩ হাজার ৮৬ টন মেলন পাঠানোর আশা করছিলেন, যার মূল্য প্রায় ২১২ কোটি ইয়েন (১ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার)।

২০২৬ সালের মে মাসে যে রেকর্ড ভাঙে, তা ছিল ২০১৯ সালের। তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সির খবর উদ্ধৃত করে ডেইলি সাবাহ ২০১৯ সালের ২৪ মে জানায়, সাপ্পোরোর পাইকারি বাজারে মৌসুমের প্রথম নিলামে এক জোড়া ইউবারি মেলন ৫০ লাখ ইয়েনে বিক্রি হয়েছে, যাকে পত্রিকাটি ৪৫ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি বলে উল্লেখ করে। ক্রেতা ছিল নাগোয়াভিত্তিক পোক্কা সাপ্পোরো ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, যারা জানায়, তাদের মেলন স্বাদের সোডা পানীয়ের দশম বার্ষিকী উদ্‌যাপন করতেই এই দর। প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ইয়োশিহিরো ইওয়াতার উক্তি ছিল: "আমাদের প্রতিষ্ঠান সাপ্পোরোতে (হোক্কাইডো) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তাই আমি ভাবছিলাম হোক্কাইডোর জন্য নিশ্চয়ই কিছু করার আছে।" পত্রিকাটি জানায়, এই দর আগের বছরের প্রথম নিলামের সর্বোচ্চ দাম ৩২ লাখ ইয়েনকে ছাড়িয়ে যায়, আর সাধারণত একটি ইউবারি মেলন ৪ হাজার ইয়েন (৩৬ ডলার) থেকে ১০ হাজার ইয়েনে (৯১ ডলার) বিক্রি হয়।

শেষের এই অঙ্কগুলোই নিলামের শিরোনাম আর বাজারের ফারাক দেখিয়ে দেয়। রেকর্ড দর ওঠে বছরে একবার, মৌসুমের শুরুতে বিক্রি হওয়া বিশেষভাবে বাছাই করা একটি জোড়ার জন্য। বাকি ফসল, যার পরিমাণ হাজার হাজার টন, দোকান ও উপহারের কাউন্টারে পৌঁছায় সাধারণ খুচরা দামে।

ইশিকাওয়ার রুবি রোমান আঙুর


রুবি রোমান হলো জাপানের পশ্চিম উপকূলের ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের উদ্ভাবিত বড় আকারের উজ্জ্বল লাল খাবার আঙুর। ইশিকাওয়ার রাজধানী কানাজাওয়া। ফ্রেশপ্লাজা ২০১৫ সালের ১০ জুলাই জানায়, মিষ্টতা বাড়াতে ও অম্লতা কমাতে বেছে বেছে প্রজনন করে জাতটি তৈরি করা হয়েছে; এটি উদ্ভাবনে ১৪ বছর লেগেছে এবং ২০০৮ সালে এটি বাজারে আসে। ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ফ্রেশপ্লাজার আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, এর উৎপাদন ইশিকাওয়ার বাছাই করা কিছু খামারে সীমিত, প্রিফেকচারের সঙ্গে লাইসেন্স চুক্তি থাকা চাষিরাই কেবল এটি চাষ করতে পারেন, আর এই নামে বিক্রি করতে হলে প্রতিটি দানার ওজন অন্তত ২০ গ্রাম এবং চিনির পরিমাণ ১৮ শতাংশ বা তার বেশি হতে হয়।

রুবি রোমানের নিলামের দাম প্রায় প্রতিবছরই বেড়েছে। ফ্রেশপ্লাজার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের জুলাইয়ে ইশিকাওয়ার একটি পাইকারি নিলামে প্রায় ৭০০ গ্রাম ওজনের ২৬ দানার একটি থোকা ১০ লাখ ইয়েনে (প্রায় ৮ হাজার ২০০ ডলার) বিক্রি হয়, যা আগের বছরের ৫ লাখ ৫০ হাজার ইয়েনের রেকর্ডের প্রায় দ্বিগুণ; প্রতিবেদন অনুযায়ী এতে প্রতিটি দানার দাম দাঁড়ায় প্রায় ৩৮ হাজার ইয়েন (প্রায় ৩১৫ ডলার)। ক্রেতা ছিলেন হোটেল নিক্কো কানাজাওয়ার একজন শেফ, যিনি হোটেলের রেস্তোরাঁয় ডেজার্ট হিসেবে আঙুরগুলো পরিবেশনের পরিকল্পনা করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মান অনুযায়ী দোকানে এক থোকার দাম প্রায় ২৫ হাজার ইয়েন থেকে শুরু হতে পারে।

২০২১ সালের ১৯ জুলাই ফ্রেশপ্লাজা জানায়, মৌসুমের প্রথম নিলামে একটি থোকা ১৪ লাখ ইয়েনে (১২ হাজার ৭০০ ডলার) বিক্রি হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ১ লাখ ইয়েন বেশি এবং টানা তৃতীয় বছরের রেকর্ড। কানাজাওয়ার একটি পাইকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে থোকাটি কেনেন তাইওয়ানে জাপানি পণ্যের একটি অভিজাত সুপারমার্কেট চেইনের পরিচালনাকারী, আর সেই প্রথম নিলামের জন্য রেকর্ড ২৫৩টি থোকা পাঠানো হয়েছিল। ২০২২ সালের ৯ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে ফ্রেশপ্লাজা জানায়, ২০২২ সালের জুলাইয়ের প্রথম নিলামে একটি থোকা রেকর্ড ১৫ লাখ ইয়েনে বিক্রি হয়েছে।

জাপানের ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের কানাজাওয়া শহরের ওমিচো বাজারে রুবি রোমান আঙুর। ছবি: 極地狐 (ফ্লিকার) / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই-এসএ ২.০)
জাপানের ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের কানাজাওয়া শহরের ওমিচো বাজারে রুবি রোমান আঙুর। ছবি: 極地狐 (ফ্লিকার) / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই-এসএ ২.০)

জাতটির এই মূল্যই একে নিশানায় পরিণত করেছে। ২০২২ সালের একই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে ইশিকাওয়া জানতে পারে, দক্ষিণ কোরিয়ায় "রুবি রোমান" নামে আঙুর বিক্রি হচ্ছে। ২০২২ সালের আগস্টে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা যায়, সেগুলো জিনগতভাবে জাপানি আঙুরটির মতোই। জাপান থেকে চারা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার সন্দেহের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কঠোর করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ জানানোর পরিকল্পনা করে প্রিফেকচারটি।

ডেনসুকে, হোক্কাইডোর কালো তরমুজ


কালো খোসা আর লাল শাঁসের জন্য পরিচিত ডেনসুকে তরমুজ হোক্কাইডোর কৃষিপ্রধান শহর তোমার বিশেষ ফসল। শহরটির কৃষি সমবায় জেএ তোমা এটি বাজারজাত করে। দুর্লভতা আর চোখে পড়ার মতো চেহারার কারণে গ্রীষ্মের উপহার হিসেবে এটি খুব জনপ্রিয়।

২০০৮ সালের ৬ জুন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের একটি খবর, যা এনবিসি নিউজ প্রকাশ করে, জানায়, উত্তর জাপানের একটি নিলামে প্রায় ১৭ পাউন্ড ওজনের একটি ডেনসুকে তরমুজ ৬ লাখ ৫০ হাজার ইয়েনে (৬ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার) বিক্রি হয়েছে, যা সে সময় দেশটিতে তরমুজের রেকর্ড দাম। কিয়োডো নিউজের বরাতে খবরে বলা হয়, ক্রেতা ছিলেন একজন সামুদ্রিক পণ্যের ব্যবসায়ী, যিনি স্থানীয় কৃষিকে সহায়তা করতে চেয়েছিলেন। খবরে তোমা কৃষি সমবায়ের কাজুয়োশি ওহিরার উক্তি ছিল: "ডেনসুকে তরমুজের জন্য এটিই রেকর্ডকৃত সর্বোচ্চ দাম।" মৌসুমের প্রথম তোলা ফসল থেকে বিক্রি হওয়া ৬৫টি তরমুজের প্রথমটি ছিল এটি, আর সে বছর মোট প্রায় ৯ হাজার তরমুজ উৎপাদনের আশা করা হয়েছিল।

২০২৬ সালের মৌসুম শুরু হয় এই প্রতিবেদনের এক সপ্তাহের কিছু আগে। কিয়োডো নিউজ ২০২৬ সালের ১৯ জুন জানায়, সেদিন সাপ্পোরো ও আসাহিকাওয়ার পাইকারি বাজারে মৌসুমের প্রথম নিলাম হয়েছে। সর্বোচ্চ দাম ওঠে আসাহিকাওয়াতে, একটি তরমুজ ৭ লাখ ইয়েন; সাপ্পোরোতে সর্বোচ্চ দাম ছিল ৬ লাখ ইয়েন। সাপ্পোরোতে ১৮৬টি এবং আসাহিকাওয়াতে ১১১টি তরমুজ নিলামে ওঠে। আসাহিকাওয়াতে জয়ী হয় শহরটির সুপারমার্কেট চেইন দোহোকু আর্কস, যারা তাদের দোকানে ক্রেতাদের চেখে দেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিয়োডো জানায়, রেকর্ড তখনও ২০১৯ সালের ৭ লাখ ৫০ হাজার ইয়েন; এবার চাষের অবস্থা ভালো ছিল; চাষিরা ২০২৬ সালে ৪০ হাজার তরমুজ পাঠানোর আশা করছিলেন, বিক্রির লক্ষ্য ছিল ১৮ কোটি ইয়েন, আর ফসল তোলা সবচেয়ে বেশি হবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি।

ডেনসুকে তরমুজ, জাপানের হোক্কাইডোতে চাষ হওয়া কালো খোসার জাত। ছবি: puamelia / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই-এসএ ২.০)
ডেনসুকে তরমুজ, জাপানের হোক্কাইডোতে চাষ হওয়া কালো খোসার জাত। ছবি: puamelia / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই-এসএ ২.০)

তাইয়ো নো তামাগো, "সূর্যের ডিম" আম


তাইয়ো নো তামাগো, বাংলায় যার অর্থ "সূর্যের ডিম", হলো দক্ষিণের কিউশু দ্বীপের মিয়াজাকি প্রিফেকচারের পুরোপুরি পাকা আমের একটি ব্র্যান্ড। ব্র্যান্ডটি নিয়ে জাপানি বিশ্বকোষের ভুক্তি ও তাতে উদ্ধৃত সূত্র অনুযায়ী, জাপানে উৎপাদিত প্রায় সব আমই আরউইন জাতের; মিয়াজাকির পাকা আম গাছেই পুরোপুরি পাকতে দেওয়া হয়, যতক্ষণ না সেগুলো নিজে থেকে ঝরে পড়ে, ফলে এগুলো সাধারণ আমের চেয়ে অনেক বেশি মিষ্টি ও নরম হয়। কঠোর মানদণ্ড পূরণ করা ফলই কেবল তাইয়ো নো তামাগো নাম পায়।

আঞ্চলিক ইংরেজি প্রকাশনা ফুকুওকা নাউ ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল জানায়, ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল মিয়াজাকি শহরের কেন্দ্রীয় তাজা পণ্যের বাজারে মৌসুমের প্রথম নিলামে প্রায় ১ কেজি ওজনের দুটি তাইয়ো নো তামাগো আমের একটি বাক্স ৫ লাখ ইয়েনে বিক্রি হয়, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১ লাখ ইয়েন বেশি। প্রকাশনাটি জানায়, এই ব্র্যান্ডের জন্য মিষ্টতার মাত্রা অন্তত ১৫ হতে হয়, আর সেদিন জাপানজুড়ে ৩১টি বাজারে ১ হাজার ৬৭৯টি বাক্স বিক্রি হয়।

সাধারণ খুচরা বাজারে দাম কম হলেও তা যথেষ্ট বেশি। জাপানের প্রিমিয়াম ফলের বাণিজ্য নিয়ে ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই মনোকল সাময়িকী লিখেছে, সেরা মানের একটি তাইয়ো নো তামাগো আমের দাম ২০ হাজার ইয়েন পর্যন্ত হতে পারে।

কর্নওয়ালে ভিক্টোরীয় পদ্ধতিতে জন্মানো আনারস


তালিকায় এশিয়ার বাইরে জন্মানো একমাত্র ফল হলো দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের কর্নওয়ালের মেভাজিসির কাছে লস্ট গার্ডেনস অব হেলিগানে ফলানো আনারস। ট্রেমেইন পরিবার এই বাগান গড়ে তোলে; ১৫৬৯ সালে তারা হেলিগান কেনা সম্পন্ন করে, আর বাগানের বড় অংশ সাজানো হয় আঠারো শতকের মাঝামাঝি থেকে বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত। বাগানটির নিজস্ব সময়রেখা অনুযায়ী, ১৮২৯ থেকে ১৮৫১ সাল পর্যন্ত সেখানে একটি পুরোপুরি সচল আনারস গর্ত (পাইনঅ্যাপল পিট) ছিল, যখন এস্টেটটি সবচেয়ে বড় আনারস ফলানোর প্রতিযোগিতায় অন্যদের সঙ্গে লড়ত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বাগানটি অবহেলায় পড়ে থাকে; ১৯৯০ সালে টিম স্মিট এবং ট্রেমেইন পরিবারের উত্তরসূরি জন উইলিস এটি নতুন করে খুঁজে পান, আর ১৯৯২ সালের ইস্টারে এটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

হেলিগানের আনারস গর্তকে ইউরোপে টিকে থাকা একমাত্র উদাহরণ এবং ব্রিটেনে প্রত্নতাত্ত্বিকদের খুঁজে পাওয়া প্রথম দিকের উদাহরণগুলোর একটি বলা হয়। ১৯৯৩ সালে এটি সংস্কার করা হয়। এটি গরম রাখা হয় জ্বালানি দিয়ে নয়, তাজা ঘোড়ার গোবর দিয়ে: বাইরের খাঁজগুলোতে প্রায় ১৫ টন গোবর ভরা হয়, আর পচনের তাপ দেয়ালের ফাঁক দিয়ে মাঝের খাঁজে পৌঁছায়, যেখানে আনারস জন্মায়। বাগানের সময়রেখায় লেখা আছে, ১৯৯৭ সালে প্রথম আনারস ধরে এবং তার একটি রানির ৫০তম বিবাহবার্ষিকীতে পাঠানো হয়; ২০০৯ সালে গর্তগুলোতে তিন বছর পর প্রথম ফল ধরে। ইউরোপে প্রথম আনারস ফলানো হয় নেদারল্যান্ডসে ১৬৮৫ সালে, আর ইংল্যান্ডে প্রায় ১৭১৫ সালের আগে নয়; এ কারণেই একসময় আনারস ছিল সম্পদের প্রতীক।

এত শ্রম আর গোবরের কারণে প্রতিটি আনারস উৎপাদনে খরচ পড়ে অনেক। ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত ফ্রেশপ্লাজার বিশ্বের দামি ফলের তালিকায় হেলিগানের একটি আনারসের মূল্য ধরা হয়েছে ১ হাজার ডলারের বেশি, আর বলা হয়েছে, প্রতিটি ফসলে দুই বছর লাগে। ফলটি দোকানে বিক্রি হয় না; এর দাম আসলে এটি ফলাতে কত খরচ হয়, তারই পরিমাপ।

আকারে অভিনব ফল: চৌকো তরমুজ ও বুদ্ধ-আকৃতির নাশপাতি


তালিকার দুটি ফলের কদর স্বাদের জন্য নয়, আকারের জন্য। চৌকো তরমুজ চাষ হয় শিকোকু দ্বীপের কাগাওয়া প্রিফেকচারের জেন্তসুজি শহরে। ফ্রেশপ্লাজা ২০১৯ সালের ৪ জুলাই জানায়, সেখানকার নয়জন চাষি সে মাসে প্রায় ৬০০টি চৌকো তরমুজ পাইকারদের কাছে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, যার প্রতিটি বিক্রি হয় ১০ হাজার ইয়েনের বেশি দামে। কাঁচা অবস্থায় প্রায় ১০ দিন প্লাস্টিকের পাত্রে রেখে তরমুজগুলো বড় করা হয়, ফলে সেগুলো প্রতিটি পাশে প্রায় ১৮ সেন্টিমিটারের ঘনকে পরিণত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরটির পরিচিতি বাড়াতে প্রায় ৫০ বছর আগে এর উৎপাদন শুরু হয়েছিল, আর চৌকো তরমুজ খাওয়ার উপযোগী নয়: আগেভাগে তুলে এগুলো সাজসজ্জার জিনিস হিসেবে বিক্রি করা হয়।

জাপানে বিক্রির জন্য রাখা ঘনক আকৃতির একটি তরমুজ। ছবি: Jazreel Chan / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই ২.০)
জাপানে বিক্রির জন্য রাখা ঘনক আকৃতির একটি তরমুজ। ছবি: Jazreel Chan / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই ২.০)

বুদ্ধ-আকৃতির নাশপাতির উৎস চীন। ভারতের দৈনিক ডেকান ক্রনিকল ২০১৪ সালের ২৪ আগস্ট জানায়, একজন চীনা কৃষক ছয় বছর ধরে একটি পদ্ধতি নিখুঁত করেছেন: কচি নাশপাতি ছাঁচের ভেতরে রাখা হয়, ফল ছাঁচ ভরে ফেললে ছাঁচটি খুলে নেওয়া হয় এবং নাশপাতি নিজে থেকেই বাড়তে থাকে। তিনি ১০ হাজার নাশপাতি উৎপাদন করেন, যার প্রতিটি বিক্রি হয় ৮ ডলারে, আর ক্রেতারা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে এগুলো কিনতেন।

ধারণাটি চীনের বাইরেও ছড়িয়েছে। ফ্রেশপ্লাজা ২০১৭ সালের ২০ ডিসেম্বর জানায়, নেদারল্যান্ডসের একজন উদ্যোক্তা চীনা প্রতিষ্ঠান ফ্রুট মোল্ডের সরবরাহ করা প্লাস্টিকের ছাঁচ দিয়ে বুদ্ধ-আকৃতির নাশপাতি ফলাচ্ছেন। বাড়ন্ত ফলের ওপর নির্দিষ্ট একটি পর্যায়ে ছাঁচ পরানো হয়, লুকাস জাতের নাশপাতি ব্যবহার করা হয় এবং আগস্টে ফল তোলা হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালে ১০ হাজার নাশপাতি উৎপাদন করে এবং দশটির এক বাক্স ৩০ ইউরোতে বিক্রি করে, বেশিরভাগই সরাসরি ভোক্তাদের কাছে এবং উপহার হিসেবে কেনা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে।

সেম্বিকিয়ার স্ট্রবেরি, ডেকোপন ও সেকাই ইচি আপেল


বাকি তিনটি ফল বিক্রি হয় জাপানের বিলাসবহুল ফলের দোকানগুলোর মাধ্যমে, যাদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত টোকিওর নিহোনবাশি এলাকার সেম্বিকিয়া। মনোকল ২০২৫ সালে একে ১৮৩৪ সাল থেকে চলে আসা শীর্ষস্থানীয় ফল বিক্রেতা হিসেবে বর্ণনা করেছে। নিপ্পন ডটকম ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে জানায়, দোকানটির বিক্রির ৯৮ শতাংশই বিলাসী উপহারের বাক্স ও ঝুড়ি, সেখানে একটি মাস্কমেলনের দাম ১৪ হাজার থেকে ২১ হাজার ৬০০ ইয়েন এবং এক থোকা সেতো জায়ান্ট আঙুরের দাম ১২ হাজার ৯৬০ ইয়েন। ২০১৭ সালের ফ্রেশপ্লাজার তালিকায় সেম্বিকিয়ার কুইন স্ট্রবেরির দাম দেওয়া হয়েছে ১২টির এক বাক্স ৮৫ ডলার; বলা হয়েছে, এগুলো আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাল, বীজ সাদা, আর দেখতে এত নিখুঁত যে মানুষ খেতে দ্বিধা করে।

ডেকোপন হলো বড় আকারের, সহজে খোসা ছাড়ানো যায় এমন একটি লেবুজাতীয় ফল, যার মাথায় একটি স্পষ্ট উঁচু ঢিবি থাকে। ফ্রেশপ্লাজা ২০২১ সালের ৬ এপ্রিল জানায়, এটি কিয়োমি ও পনকান জাতের সংকর, যা প্রথম জাপানে ১৯৭০-এর দশকে উদ্ভাবিত হয়। এবিসি ১৭ নিউজে প্রকাশিত সিএনএনের ২০২১ সালের ৩১ মার্চের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ফলটির জন্ম জাপানে ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে, আর ২০১১ সালে সুমো সিট্রাস নামে এটি যুক্তরাষ্ট্রে আসে; সেখানে গাছ হাতে ছাঁটা হয়, প্রতিটি ফল হাতে তুলে আঘাত এড়াতে সাবধানে মোড়কে ভরা হয়, গ্রীষ্মে কাদামাটিভিত্তিক সানস্ক্রিন দিয়ে ফল রক্ষা করা হয়, আর ভোক্তারা প্রতি পাউন্ডে ৪ ডলার পর্যন্ত দাম দেন। ২০১৭ সালের ফ্রেশপ্লাজার তালিকায় জাপানে ছয়টি ডেকোপনের এক বাক্সের দাম দেওয়া হয়েছে ৮০ ডলার।

সেকাই ইচি, যার অর্থ "বিশ্বে এক নম্বর", বিশ্বের সবচেয়ে বড় আপেল জাতগুলোর একটি। জাপানের আপেলের প্রধান অঞ্চল, হনশু দ্বীপের উত্তর প্রান্তের আওমোরি প্রিফেকচারে মূলত এটি চাষ হয়। ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটি ভ্রমণ ফিচারে বলা হয়, লাউয়ের মতো বড় এই আপেল বেশিরভাগই উপহার হিসেবে দেওয়া হয় এবং টোকিওর বিলাসবহুল দোকানে প্রতিটি বিক্রি হয় ৩ হাজার ৪০ ইয়েন (১৫ পাউন্ড) থেকে ৪ হাজার ৫৫ ইয়েনে (২০ পাউন্ড)। ২০১৭ সালের ফ্রেশপ্লাজার তালিকায় একটি সেকাই ইচি আপেলের দাম ধরা হয়েছে ২১ ডলার, ওজন প্রায় ১ কেজি; বলা হয়েছে, গাছে হাতে পরাগায়ন করা হয় এবং আপেল হাতে ধুয়ে প্যাক করা হয়। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক আরও স্মরণ করিয়ে দেয়, উনিশ শতকে সামুরাই শ্রেণি বিলুপ্ত হওয়ার পর হিরোসাকি এলাকার সাবেক সামুরাইদের আপেলের চারা দেওয়া হয়েছিল, যা অঞ্চলটিতে আপেল চাষ ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

জাপানে সেকাই ইচি আপেল। ছবি: Sakurai Midori / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই-এসএ ৩.০)
জাপানে সেকাই ইচি আপেল। ছবি: Sakurai Midori / উইকিমিডিয়া কমন্স (সিসি বাই-এসএ ৩.০)

নিখুঁত ফলের জন্য জাপান কেন এত দাম দেয়


এই তালিকার প্রায় সব ফলই জাপানের, আর এর কারণ লুকিয়ে আছে সেখানে ফল কীভাবে চাষ হয় এবং উপহার দেওয়া হয়, তার মধ্যে। নিপ্পন ডটকমের জন্য ২০১৬ সালের এক বিশ্লেষণে লেখক দোই এমি ব্যাখ্যা করেন, মৌসুমি উপহার হিসেবে প্রিমিয়াম ফল পাঠানোর রীতি শিকড় গাড়ে এদো যুগের শুরুতে (১৬০৩ থেকে ১৮৬৭), বিশেষ করে বছরের শেষের সেইবো এবং গ্রীষ্মের চুগেন উপহারের মৌসুমে, আর ইউরোপে এর প্রকৃত কোনো তুলনা নেই। উপহার হিসেবে বিক্রি হওয়া ফলকে হতে হয় পুরোপুরি পাকা, সুস্বাদু এবং দেখতে নিখুঁত, আর প্রায়ই প্রতিটি ফল আলাদা বাক্সে ভরা হয়।

একই লেখায় জাপানে ফল উৎপাদনের ধরনও তুলে ধরা হয়। বেশিরভাগ খামার ছোট, ২০১০ সালে গড় আয়তন ছিল ২ দশমিক ২ হেক্টর; দেশটির প্রায় ৮০ শতাংশ পাহাড়ি, তাই বড় কৃষিজমি দুর্লভ; আর ফল চাষে প্রচুর শ্রম লাগে। এ কারণে অনেক চাষি প্রিমিয়াম জাত বেছে নিয়ে বেশি দামের উপহারের বাজারকে লক্ষ্য করেন। যেমন, মাস্কমেলন চাষিরা প্রতিটি গাছে কেবল একটি মেলন রাখেন, যাতে গাছের সব সুবাস সেই একটি ফলে জমা হয়। জাপানে ফলকে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান খাদ্য নয়, বরং বিলাসের জিনিস হিসেবে দেখা হয়েছে, আর লেখাটির মতে দামের পেছনে এই দৃষ্টিভঙ্গির বড় ভূমিকা আছে।

মৌসুমের প্রথম নিলাম এতে যোগ করে আনুষ্ঠানিকতার আরেকটি স্তর। ২০১৯ সালে ইউবারি মেলনের জন্য ৫০ লাখ ইয়েন দেওয়া কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কিংবা ২০২১ সালে রুবি রোমান আঙুরের জন্য ১৪ লাখ ইয়েন দেওয়া তাইওয়ানের সুপারমার্কেট পরিচালনাকারীর মতো ক্রেতারা দর হাঁকেন প্রচারের জন্য এবং মৌসুমের শুরু উদ্‌যাপন করতে, আর রেকর্ড দাম উৎপাদন অঞ্চলটির দিকে মানুষের নজর টানে। শিরোনামের এই দরের আড়ালে একই ফল দোকানে পৌঁছায় এমন দামে, যা বেশি হলেও বিশেষ উপহার খোঁজা সাধারণ ক্রেতারাই দেন।

ছবি: Captain76 / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, ফ্রেশপ্লাজা, ডেইলি সাবাহ (আনাদোলু এজেন্সি), এনবিসি নিউজ (অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস), কিয়োডো নিউজ (কুমামোতো নিচিনিচি শিম্বুনের মাধ্যমে), ফুকুওকা নাউ, মনোকল, নিপ্পন ডটকম, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, ডেকান ক্রনিকল, এবিসি ১৭ নিউজ (সিএনএন), দ্য লস্ট গার্ডেনস অব হেলিগান, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ইসলাম

স্পেনের জলপাই খামারে আন্দালুসের ইসলামি ঐতিহ্য তুলে ধরছেন এক মুসলিম দম্পতি

মালাগার কাছে ৩৫ একরের খামারবাড়ি কিনে ‘হাউস অব আন্দালুস’ গড়ছেন হেনরিয়েটা সোভাতি ও ইমাম আজমল মাসরুর; সেখানে ৪০০ জলপাইগাছ, পরিকল্পনা কোরআনিক বাগান ও গ্রন্থাগারের।

বার্তা২৪১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বিনায় চালু হলো গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সুযোগ

গাজীপুরে বিনার আঞ্চলিক কেন্দ্রে ৮৯ কোটি টাকার গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার চালু হয়েছে; এতে আম-কাঁঠালের মতো কৃষিপণ্য জীবাণুমুক্ত করে বেশি দিন রাখা যাবে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

ফুলবাড়িয়ার ছয় গ্রামে লেবুর বাগান, এক মৌসুমে ৯৫ কোটি টাকা বিক্রির আশা

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় এবার ৭৫৪ হেক্টরের বেশি জমিতে লেবুর আবাদ; কৃষি বিভাগের হিসাবে এ মৌসুমে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার লেবু বিক্রি হতে পারে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)