সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

ফলের জুসেই লুকিয়ে আছে সুগার বাড়ার ফাঁদ!

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে ফলের জুস অনেকদিন ধরেই 'হেলদি' একটি বিকল্প হিসেবে পরিচিত। সকালের নাস্তায় এক গ্লাস কমলার রস, বিকেলে আপেলের জুস কিংবা বাজারের প্যাকেটজাত ফলের পানীয়-এসব যেন সুস্থ থাকার সহজ পথ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি ফলের রস এতটা নিরাপদ? নাকি এই জুসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ব্লাড সুগার বাড়া

ফল

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে ফলের জুস অনেকদিন ধরেই 'হেলদি' একটি বিকল্প হিসেবে পরিচিত। সকালের নাস্তায় এক গ্লাস কমলার রস, বিকেলে আপেলের জুস কিংবা বাজারের প্যাকেটজাত ফলের পানীয়-এসব যেন সুস্থ থাকার সহজ পথ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি ফলের রস এতটা নিরাপদ? নাকি এই জুসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ব্লাড সুগার বাড়ার অদৃশ্য ফাঁদ?

ফল এবং ফলের জুস, দুটোই একই উৎস থেকে এলেও শরীরে এদের প্রভাব একেবারেই এক নয়। একটি আস্ত ফলে থাকে ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রাকৃতিক চিনি। কিন্তু যখন ফলকে জুসে পরিণত করা হয়, তখন তার বেশিরভাগ ফাইবারই নষ্ট হয়ে যায়। ফাইবারের কাজ হলো শরীরে শর্করা শোষণের গতি ধীর করা। ফলে আস্ত ফল খেলে সুগার ধীরে ধীরে রক্তে মেশে। কিন্তু জুসে ফাইবার না থাকায় সেই শর্করা দ্রুত রক্তে প্রবেশ করে, যা হঠাৎ করেই ব্লাড সুগার বাড়িয়ে দিতে পারে।

পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে, এমনটা নয়। তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যেমন-

স্মুদি তৈরি করা হয় পুরো ফল ব্লেন্ড করে, ফলে এতে ফাইবার কিছুটা হলেও থাকে। তাই স্মুদি জুসের তুলনায় ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে এখানেও অতিরিক্ত ফল বা মিষ্টি উপাদান যোগ করলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুষ্টিবিদরা সাধারণত পরামর্শ দেন, আস্ত ফল খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। কারণ এতে শরীর প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি পায় এবং ব্লাড সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে। জুসকে তারা 'অকেশনাল ড্রিংক' হিসেবে দেখেন, দৈনন্দিন অভ্যাস হিসেবে নয়।

অনেকেই মনে করেন জুস তো ফল থেকেই তৈরি, ক্ষতি কী? ডায়েট করছি, তাই জুস খাচ্ছি -এই ধারণাগুলোই সমস্যার মূল। কারণ ফলের উপকারিতা থাকলেও, তার জুস একইভাবে কাজ করে না।

ফলের জুস দেখতে যতটা নিরীহ, বাস্তবে ততটা নয়। এটি শরীরে দ্রুত চিনি বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যদি তা নিয়মিত ও অতিরিক্ত পরিমাণে পান করা হয়। তাই স্বাস্থ্যকর থাকতে চাইলে জুস নয়, আস্ত ফলকেই প্রাধান্য দিন। সচেতন থাকুন, কারণ সুস্থতার পথ কখনোই শর্টকাটে পাওয়া যায় না।

তথ্যসূত্র: ভেরি ওয়েল হেলথ, টাইমস অফ ইন্ডিয়া

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()