সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৩%বাতাস ১৭ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৮ মিমি

মধুভাতের উপকারিতা জানেন? রইলো রেসিপি

কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকার মানুষের কাছে তাদের নিজস্ব খাবার শুধু একটি খাদ্য নয়, বরং ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আবেগের অংশ। প্রতিটি জেলার নিজস্ব কিছু খাবার থাকে, যা সেই অঞ্চলের ইতিহাস ও জীবনধারার পরিচয় বহন করে। আমাদের খাদ্যসংস্কৃতিতে ভাত, মাছ ও ভর্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে বিশেষ

মৎস্য

কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকার মানুষের কাছে তাদের নিজস্ব খাবার শুধু একটি খাদ্য নয়, বরং ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আবেগের অংশ। প্রতিটি জেলার নিজস্ব কিছু খাবার থাকে, যা সেই অঞ্চলের ইতিহাস ও জীবনধারার পরিচয় বহন করে। আমাদের খাদ্যসংস্কৃতিতে ভাত, মাছ ও ভর্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে বিশেষ জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো মধুভাত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই খাবারটি শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং পারিবারিক সম্পর্ক ও সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত।

চট্টগ্রামে মধুভাত সাধারণত বিভিন্ন উৎসব, পারিবারিক আয়োজন এবং বিশেষ অনুষ্ঠানে তৈরি করা হয়। অতীতে এই খাবারকে ঘিরে একটি সুন্দর সামাজিক রীতি ছিল। আশ্বিন ও কার্তিক মাসে মেয়েদের শ্বশুরবাড়িতে কলসিভর্তি মধুভাত পাঠানোর প্রচলন ছিল। এটি ছিল মেয়ের প্রতি পরিবারের ভালোবাসা ও আন্তরিকতার প্রতীক। অনেক পরিবার আজও সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

গ্রামীণ চট্টগ্রামে অতিথি আপ্যায়ন কিংবা পারিবারিক মিলনমেলায় মধুভাত পরিবেশন করা একসময় ছিল অত্যন্ত সাধারণ বিষয়। এর স্বাদ ও ঘ্রাণ এখনো অনেকের শৈশবের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক মধুভাত কীভাবে রান্না করবেন এবং এর উপকারিতা কী-

প্রথমে বিন্নি চাল ও পোলাওয়ের চাল প্রায় ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এরপর ভালোভাবে ধুয়ে পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে নরম করে ভাত রান্না করে নিন। ভাত কিছুটা আঠালো হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন। এরপর ভাত নামিয়ে অল্প অল্প করে জালা চালের গুঁড়া ছিটিয়ে ভালোভাবে ঘুঁটে নিন। পরে ভাতের ওপর আরও কিছু জালা চালের গুঁড়া ছড়িয়ে উষ্ণ স্থানে প্রায় ১২ ঘণ্টা ঢেকে রাখুন। এই সময়ের মধ্যে ভাতে একটি বিশেষ গাঁজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যা মধুভাতের স্বাদকে আরও সমৃদ্ধ করে।

অন্যদিকে একটি পাত্রে দুধ ঘন করে জ্বাল দিন। এরপর তাতে নারিকেল কুচি, সামান্য লবণ এবং কনডেন্সড মিল্ক বা চিনি মিশিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে তা ভাতের সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার ভাত বাটিতে ঢেলে নিয়ে নারিকেল, গুঁড়া দুধ ভাতের ওপর ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

অনেকে আবার এটি সামান্য পাতলা করে খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে গরমের দিনে ঠান্ডা মধুভাত খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে।

মধুভাত শুধু সুস্বাদু নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। মধুর প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক কর্মশক্তি বাড়ায়।দুধ ও নারিকেল শরীরকে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি সরবরাহ করে। ফলে এটি একটি শক্তিদায়ক খাবার হিসেবে কাজ করে।

মধুভাতে ব্যবহৃত মধুর প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে।

অনেকেই মনে করেন, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথার সময় মধুসমৃদ্ধ খাবার শরীরকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। যদিও এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়, তবে পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে মধুভাত শরীরকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

ফাস্টফুড ও আধুনিক খাবারের ভিড়ে অনেক ঐতিহ্যবাহী খাবার হারিয়ে যেতে বসেছে। তবুও চট্টগ্রামের মধুভাত এখনও অনেক পরিবারের রান্নাঘরে জায়গা করে আছে। কারণ এটি শুধু একটি খাবার নয়, বরং পারিবারিক ঐতিহ্য, স্মৃতি ও ভালোবাসার প্রতীক। সূত্র: চট্টগ্রামের সমাজ ও সংস্কৃতির রূপরেখা, হেলথ লাইন ও অন্যান্য

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()