চাহিদা বেশি থাকায় বাংলাদেশের অনেক কৃষকই উদ্যোগী হচ্ছেন নতুন নতুন উচ্চমূল্যের ফলফসল উৎপাদনে। এর মাঝে দেশে বাড়ছে মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার ফল অ্যাভোকাডোর চাষও। বিশেষজ্ঞের অভিমত অ্যাভোকাডোর বাণিজ্যিক চাষের পূ্র্বে প্রয়োজন বহুমুখী গবেষণার।
প্যাকেজ: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাগমারি গ্রামের হারুন অর রশীদ মুছা। স্কুলের শিক্ষকতার পাশাপাশি নতুন ফলফসল চাষে দারুণ সফল। দেশে প্রথমবারের মতো অ্যাভোকাডোর বাণিজ্যিক চাষ শুরু করেছেন মুছা।
দারুণ পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হওয়ায় ইউরোপ আমেরিকায় স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে অ্যাভোকাডোর বেশ জনপ্রিয়তা। আমাদের দেশেও অ্যাভোকাডোর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। ফলে অ্যাভোকাডো চাষে উদ্যোগী হচ্ছেন অনেকেই। প্রশ্ন হচ্ছে এসব ফল-ফসল চাষ মাটি, পানি ও পরিবেশে কোনো প্রভাব ফেলছে কিনা তা কতটুকু যাচাই করা হচ্ছে?
ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অ্যাভোকাডোর বাণিজ্যিক চাষ শুরুর আগে গবেষণার মাধ্যমে চাষ উপযোগিতা যাচাই করার পরামর্শ উদ্যান বিশেষজ্ঞ মেহেদী মাসুদের।





মন্তব্য
(০)