সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°মেঘলাআর্দ্রতা ৬০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বিশ্বের ‘আমের রাজধানী’ বলা হয় যে শহরকে

আমপ্রেমীদের কাছে গ্রীষ্ম মানে কেবল একটি ঋতু নয়, এটি একটি আবেগ। ফ্রিজ থেকে বের করা ঠান্ডা আমের রসালো স্লাইস, আমরস কিংবা ম্যাঙ্গো শেক ছাড়া যেন গরমকাল জমেই না। বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে নানা জাতের আম উৎপাদিত হলেও লখনউয়ের কাছে ছোট্ট একটি শহর নিজের সুখ্যাতি দিয়ে তৈরি করেছে এক অনন্য ইতিহাস। শহরটি

আমপ্রেমীদের কাছে গ্রীষ্ম মানে কেবল একটি ঋতু নয়, এটি একটি আবেগ। ফ্রিজ থেকে বের করা ঠান্ডা আমের রসালো স্লাইস, আমরস কিংবা ম্যাঙ্গো শেক ছাড়া যেন গরমকাল জমেই না। বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে নানা জাতের আম উৎপাদিত হলেও লখনউয়ের কাছে ছোট্ট একটি শহর নিজের সুখ্যাতি দিয়ে তৈরি করেছে এক অনন্য ইতিহাস। শহরটিকে বলা হয় বিশ্বের 'আমের রাজধানী'।

এই বিখ্যাত শহরের নাম 'মালিয়াবাদ'। ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউ থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই শহর। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত আমের বাগান, সমৃদ্ধ কৃষিপদ্ধতি এবং বিশ্বখ্যাত 'দশহরি' আমের জন্য শহরটির নাম জড়িয়ে আছে ইতিহাসের পাতায়।

মালিয়াবাদের আম চাষের ইতিহাস শত বছরের পুরোনো। ধারণা করা হয়, নবাবী আমলে এই অঞ্চলে প্রথম আম চাষের সূচনা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই ছোট্ট শহরটি ভারতের অন্যতম বৃহত্তম আম উৎপাদনকারী অঞ্চলে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন>>প্রথম দিনেই সরবরাহের চাপে দাম কমে গেলো হিমসাগরেরবৈরী আবহাওয়ায় 'আমের রাজা'র উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরাপাকা আম দ্রুত পচে যায়, ভালো রাখবেন যেভাবে

তবে মালিয়াবাদকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি এনে দিয়েছে এর 'দশহরি' আম। যদিও এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বৈশ্বিক স্বীকৃতি নয়, তবে আমের দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং বিপুল উৎপাদনের কারণে আমপ্রেমীরা একে ভালোবেসে 'বিশ্বের আমের রাজধানী' বলে ডাকেন। এখান থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যসহ বিশ্বের বহু দেশে আম রপ্তানি করা হয়।

দশহরি আমকে মালিয়াবাদের গর্ব বলা হয়। পার্শ্ববর্তী কাকোরি এলাকার 'দশহরি' গ্রাম থেকে এই আমের নামকরণ করা হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই জাতের উৎপত্তি ৩০০ বছরেরও বেশি সময় আগে। লোকমুখে প্রচলিত আছে, এই জাতের মূল 'মা গাছটি' এখনো এই অঞ্চলে টিকে আছে, যার বয়স প্রায় ২০০ বছরের বেশি।

অতুলনীয় স্বাদ ও ঐতিহ্যের কারণে ২০১০ সালে দশহরি আম জিআই ট্যাগ বা ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতি পায়।

দশহরি মালিয়াবাদের প্রধান আকর্ষণ হলেও এখানে আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় জাতের আম চাষ হয়। এর মধ্যে রয়েছে, চৌসা, ল্যাংড়া, সফেদা ও আম্রপালি।

গ্রীষ্মের খরতাপে মালিয়াবাদ শহরটি যেন নতুন রূপ পায়। পুরো শহরজুড়ে তখন শুধু আমের গন্ধ। এই সময়ে দূর-দূরান্ত থেকে আম ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা এখানে আসেন। বাগান পরিদর্শনের পাশাপাশি বসে বিশাল আমের বাজার। স্থানীয় বহু পরিবারের কাছে আম চাষ কেবল কৃষিকাজ নয়, এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা এক ঐতিহ্য।

ভারতের মোট আম উৎপাদনের প্রায় ২৩ শতাংশ আসে উত্তর প্রদেশ থেকে, আর এর একটি বড় অংশ জোগান দেয় মালিয়াবাদ। এখানে অবস্থিত 'সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর সাবট্রপিক্যাল হর্টিকালচার'। এই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা জানান, মালিহাবাদের দশহরি ও ল্যাঙড়া আমের মিষ্টির পরিমাণ 'ব্রিক্স স্কেলে' ২০-এর ওপরে থাকে, যা সাধারণ আমের চেয়ে অনেক বেশি মিষ্টি। আর এই অনন্য স্বাদের কারণেই মালিয়াবাদের আম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমসকেএএ/

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

চায়ের জেলা মৌলভীবাজারে বাড়ছে লেবু চাষ, বছরে প্রায় ১১,৯২০ টন

জেলায় ১,২৪০ হেক্টরে লেবু চাষ হচ্ছে; শ্রীমঙ্গলে পাঁচ বছরে আবাদ বেড়েছে ১০০ হেক্টর, পাইকারি দর এখন প্রতি পিস ১৫-৩৫ টাকা, তবে রপ্তানি এখনো শুরু হয়নি।

কৃষি সময়২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
স্বাস্থ্য

পাবনার গোয়ালঘরে রাসায়নিকে ২৪ ঘণ্টায় কলা পাকানো, ১২ হাজার কলা ধ্বংস

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মালিগাছার রাখালগাছিতে অপরিপক্ব কলায় নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর কারবার ধরে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে; একই দিনে ২৭ জেলায় ৭২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

বাংলা নিউজ ২৪২ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

স্ক্যাব রোগে কাশ্মীরের ভালো আপেল কম, উৎসবের চাহিদা মেটাতে পারছে না মান্ডি

চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্ক্যাব রোগ ছড়িয়ে পড়ায় এখন মান্ডিতে আসা কাশ্মীরি আপেলের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশই বি ও সি গ্রেডের, অথচ দিওয়ালির আগে এ গ্রেডের উপহার প্যাকের চাহিদা ভালো।

ইকোনমিক টাইমস১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)