নিউজিল্যান্ডের সাউথল্যান্ড ও সাউথ ওটাগোর কিছু অংশে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি চলায় খামারিরা চাপে পড়েছেন। পশুখাদ্যের জোগান, পশু ব্যবস্থাপনা, চারণভূমির ক্ষতি, খামারের অবকাঠামো আর প্রতিদিনের কাজের বোঝা—সব দিকেই চাপ বাড়ছে।
পরিস্থিতি যাচাই ও সহায়তা সমন্বয়ে এ সপ্তাহে বৈঠক করেছে অঞ্চলের রুরাল কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আরসিজি)। রুরাল সাপোর্ট ট্রাস্ট সাউথল্যান্ড অ্যান্ড ওটাগো, প্রাথমিক শিল্প মন্ত্রণালয়, এনভায়রনমেন্ট সাউথল্যান্ড, ফেডারেটেড ফার্মার্স, থ্রাইভিং সাউথল্যান্ড, বিফ + ল্যাম্ব নিউজিল্যান্ড ও ডেইরিএনজেড নিয়ে গঠিত এ কমিটির অগ্রাধিকার চারটি: মানুষ, পশু, খাদ্য ও সম্পদ।
কমিটির বর্তমান মূল্যায়ন হলো, বাড়তি পশুখাদ্য এখনো পাওয়া যাচ্ছে, তবে সাইলেজের জোগান খুব কম এবং পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে। তাই খামারিদের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে খাদ্যের হিসাব করা, ঠিকাদার ও ট্রাক পাওয়া থাকতে থাকতেই খাদ্য কেনা ও পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা, পশুর শারীরিক অবস্থা ও কল্যাণের দিকে নজর রাখা এবং চারণভূমির ক্ষতি, যাতায়াতের পথ ও জরুরি অবকাঠামো নিয়মিত যাচাই করতে বলা হয়েছে।
সাউথল্যান্ড রুরাল সাপোর্ট ট্রাস্টের সভাপতি সাইমন হপক্রফট বলেন, টানা বৃষ্টি সাউথল্যান্ড ও সাউথ ওটাগোর নানা জায়গায় বড় আঘাত হানছে; প্রতিটি খামারের অবস্থা আলাদা, তবে অনেক খামারি ও তাঁদের কর্মীরা বাড়তি চাপ, কঠিন সিদ্ধান্ত আর দীর্ঘ দিনের ধকল সামলাচ্ছেন। তিনি খামারিদের প্রতিবেশী, পরামর্শক, পশুচিকিৎসক, ব্যাংক, শিল্প সংগঠন বা ট্রাস্টের সঙ্গে আগেভাগে কথা বলার আহ্বান জানান; তাঁর মতে খামারের মতোই নিজের ও নিজের মানুষদের যত্ন নেওয়াও জরুরি।
অঞ্চলজুড়ে খামারিদের সহায়তা ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে বিভিন্ন সংগঠন; সেগুলো ট্রাস্টের অনুষ্ঠানসূচিতে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে, যাতে সব এলাকায় ছড়িয়ে আয়োজন হয়। সরকারের মন্ত্রী ও সংস্থাগুলোকেও পরিস্থিতি নিয়মিত জানাচ্ছে কমিটি।
ছবি: Phillip Capper / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Rural News Group





মন্তব্য
(০)