সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

সঙ্গী পেল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের নীলগাইটি

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের মাদি নীলগাইটি দীর্ঘদিন পর অবশেষে সঙ্গী খুঁজে পেল। সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দিনাজপুরের রামসাগর বিনোদন কেন্দ্রে একাকী হয়ে পড়া পুরুষ নীলগাইটিকে বুধবার সাফারি পার্কে আনা হয়। বর্তমানে এই প্রাণীটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর সঙ

পরিবেশ

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের মাদি নীলগাইটি দীর্ঘদিন পর অবশেষে সঙ্গী খুঁজে পেল। সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দিনাজপুরের রামসাগর বিনোদন কেন্দ্রে একাকী হয়ে পড়া পুরুষ নীলগাইটিকে বুধবার সাফারি পার্কে আনা হয়। বর্তমানে এই প্রাণীটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পর সঙ্গীর সঙ্গে তাকে মিলিত করা হবে। পার্ক কর্তৃপক্ষের আশা এতে বিলুপ্ত নীলগাইয়ের বংশবৃদ্ধি হবে।

পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে বিলুপ্ত প্রজাতির নীলগাই অনেক আগেই আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লালতালিকায় স্থান করে নিয়েছে। ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে একটি মাদি নীলগাই উদ্ধার করে রামসাগর উদ্যানে আনা হয়। এরপর ২০১৯ সালের ২২ জানুয়ারি নওগাঁর জোতবাজার থেকে উদ্ধার করা হয় একটি পুরুষ নীলগাই। পরে বংশবৃদ্ধির জন্য স্ত্রী ও পুরুষ নীলগাইকে রামসাগর জাতীয় উদ্যানে রাখা হলেও ২০১৯ সালের ১৬ মার্চ মাদি নীলগাইটি দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ায় একা হয়ে পড়ে পুরুষ নীলগাই।

এদিকে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে কাঁদায় আটকে থাকা একটি মাদি নীলগাই উদ্ধার করে বিজিবি। পরে বনবিভাগের সহায়তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আনা হয়।

সাফারি পার্কের ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার আনিসুর রহমান বলেন, নীলগাই বিলুপ্ত প্রজাতির বন্যপ্রাণী। গাই হিসেবে পরিচিত হলেও নীলগাইটি কখনও গরু শ্রেণির নয়। বরং এটি এশিয়া মহাদেশের অ্যান্টিলুপ প্রজাতির সর্ববৃহৎ হরিণবিশেষ প্রাণী। ঘাস, শস্য এবং কাঠজাতীয় তৃণ খেতে এরা বেশি ভালোবাসে। এরা ছোট ঝোঁপ বা বিক্ষিপ্ত গাছের মধ্যে থাকতেও পছন্দ করে।

তিনি বলেন, প্রায় শত বছর পূর্বে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় নীলগাই দেখা যেত। নানা তথ্যমতে সর্বশেষ ১৯৪০ সালের দিকে শেষ নীলগাই দেখা দিয়েছিল। দেশে এখন নীলগাইয়ের সংখ্যা দুইটি। নারী ও পুরুষ নীলগাই একত্রে রাখার ফলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বংশবৃদ্ধির সুখবর আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিহাব খান/বিএ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()